উপাত্ত সংগ্রহ, প্রথম উৎস, দ্বিতীয় উৎস

Collection of data (উপাত্ত সংগ্রহ):
গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ‘উপাত্ত সংগ্রহ’:

উপাত্ত সংগ্রহ হলো সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে গবেষণায় প্রয়োজনীয় চলকগুলির মান বা গুন সংগ্রহের একটি প্রক্রিয়া। নিঃসন্দেহে উপাত্তগুলো এমন হতে হবে যাতে তা প্রয়োজনীয় রিসার্চ কোশ্চেনগুলোর জবাব খুঁজতে, হাইপোথিসিস টেস্ট করতে এবং প্রাপ্ত ফলাফলগুলো মূল্যায়ন করতে সহায়ক হয়।

Data collection is the process of gathering and measuring information on variables of interest, in an established systematic fashion that enables one to answer stated research questions, test hypotheses, and evaluate outcomes.

Primary ও secondary data: সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসা গবেষণায় উপাত্ত সংগ্রহের দুটি প্রধান উৎস রয়েছে, প্রথম উৎস (Primary source) ও দ্বিতীয় উৎস (secondary source)। গবেষক নিজে বা তার প্রতিনিধি যদি ফিল্ড থেকে সরাসরি উপাত্ত সংগ্রহ করে তাহলে সেটা হবে প্রথম উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ। প্রথম উৎস থেকে সংগৃহিত উপাত্তকে বলা হয় প্রথম উপাত্ত (Primary data)। আর অন্য কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সংগৃহিত উপাত্ত যদি গবেষক গ্রহন করেন, তাহলে তিনি দ্বিতীয় উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করলেন। দ্বিতীয় উৎস থেকে সংগৃহিত উপাত্ত-কে বলা হয় দ্বিতীয় উপাত্ত (secondary data)। যেমন: কোন গবেষক নিজে ঢাকার গুলশান মার্কেটে গিয়ে গণনা করে দেখলো যে সেখানে ৫৭২ টি দোকান আছে, এটা প্রথম উপাত্ত (Primary data)। আবার আপনার প্রকাশিত এই উপাত্ত অন্য কেউ ব্যবহার করলো, তার জন্য এটা হবে দ্বিতীয় উপাত্ত (secondary data)।

(আমি লক্ষ্য করেছি যে ছাত্রছাত্রীরা প্রায়শঃই Primary ও secondary data গুলিয়ে ফেলে)

সামাজিক ও ব্যবসা গবেষণায় উপাত্ত সংগ্রহের তিনটি পপুলার পদ্ধতি রয়েছে
১। পরীক্ষণ পদ্ধতি (Experimental method)
২। প্রায়-পরীক্ষণ পদ্ধতি (Quasi-experimental method)
৩। অ-পরীক্ষণ পদ্ধতি (Non-experimental method)

Dr. Ramit Azad
13th April, 2017
Time 1800 hours

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.