ড্রাগ বিজনেস ও ডিসেন্ট সমাজ

ড্রাগ বিজনেস ও ডিসেন্ট সমাজ:
রমিত আজাদ
Traffik (নিন্দার্হ কারবার) নামক এই টেলিভিশন সিরিজটি বৃটিশ চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছিলো ১৯৮৯ সালে। ছবিটির কাহিনী ছিলো illegal drugs trade নিয়ে। এখানে কাহিনীর মূল ভূমিকায় ছিলো ড্রাগ-এর পাকিস্তানী ও আফগানী grower, dealer and manufacturer গণ, জার্মান ডিলারগণ ও বৃটিশ ইউজারগণ। ছবিটিতে অনেক অপ্রিয় সত্য, ড্রাগ ব্যবসার অনেক অজানা তথ্য, এর সাথে জড়িতদের জীবন (তিন ধরনের – একদল এই ব্যবসা করে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে, আরেকদল অসহায় ও নিরূপায় হয়ে এই ব্যবসায় নামছে, আরেকদল ড্রাগ সেবন করে নিজেদের জীবনে অন্ধকার নামিয়ে আনছে )।

আমি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এই সিনেমাটি দেখেছিলাম। সিনেমার শেষ দৃশ্যের কয়েকটি কথা জীবনেও ভুলি নাই।
“এই সুঁইয়ের মাথায় সামান্য ড্রাগ রয়েছে, যা রিসেন্টলি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ল্যাবরেটরিতে তৈরী করা হয়েছে। এই ড্রাগ হেরোইনের চাইতে এক হাজার গুন পাওয়ারফুল। বর্তমানে এই পৃথিবীতে এত ধরনের ড্রাগ রয়েছে যে, কাস্টমস চেকিং-এ অত্যাধুনিক যন্ত্র বসিয়েও তাদের ডিটেক্ট করা সম্ভব না। যদি প্রশ্ন করা হয় যে, আমরা ড্রাগের বিরূদ্ধে লড়াইয়ে জিতবো কিনা, প্রশ্নের উত্তর হবে, ‘আমি জানিনা’। হয়তো আমরা ভবিষ্যতে এই যুদ্ধে জিতবো, তবে বর্তমানে আমরা যুদ্ধে পরাজিত হচ্ছি। বর্তমানের প্রচলিত সিস্টেম ব্যবহার করে কেবলমাত্র দশ পার্সেন্ট ড্রাগ বন্ধ করা যাচ্ছে। এখন যদি পুনরায় প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কি আমরা আত্মসমর্পণ করবো?’ উত্তর হবে ‘ক্যাটাগোরিকালী না’। যখন আমরা এমন একটি যুদ্ধে নেমেছি যেখানে আমরা ফাইট করছি সেই সব ক্রিমিনালদের সাথে যারা মানুষের দুর্দশা-কে পুঁজি করে অর্থ-সম্পদ করে, তখন আমরা বিংশ শতাব্দীর সব চাইতে বড় সমস্যাটির বিরূদ্ধেই লড়ছি। আমরা চেষ্টা করতে পারি ড্রাগ-এর সোর্সগুলোকে ধ্বংস করতে, কিন্তু এটা পরিপূর্ণ সমাধান নয়, পুরো পৃথিবীকে পুলিশিং করা সম্ভব নয়। ড্রাগ উৎপাদন করা খুবই সহজ, আর মুনাফাও খুবই বেশী। এই কাজে দরিদ্রদের প্ররোচিত করাও খুবই সহজ। আমরা ড্রাগ সাপ্লাই বন্ধ করতে পারবো না। আমরা যেটা করতে পারি সেটা হলো ড্রাগ এর ডিমান্ড কমিয়ে আনা। কিভাবে সেটা সম্ভব? পথ একটাই, মানুষের জন্য ডিসেন্ট (ভদ্রোচিত) জীবন তৈরী করা, একটি ডিসেন্ট সোসাইটি প্রডিউস করা। জীবন ও সমাজ ডিসেন্ট হলেই ড্রাগ-এর চাহিদা এম্নিতেই কমে যাবে।”

Traffik is a 1989 British television serial about the illegal drugs trade. Its three stories are interwoven, with arcs told from the perspectives of Afghan and Pakistani growers, dealers and manufacturers, German dealers, and British users. It was nominated for six BAFTA Awards, winning three. It also won an International Emmy Award for best drama.

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.