প্রাক্তন প্রেমিকার সাথে কিছুক্ষণ – পর্ব ২

প্রাক্তন প্রেমিকার সাথে কিছুক্ষণ – পর্ব ২
————————- ড. রমিত আজাদ

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

আমিঃ হ্যালো।
তানিয়া: কেমন আছো?
আমি: ভালো। তুমি কেমন আছো?
তানিয়া: ভালোই।

এই প্রশ্নের উত্তরটা ও শীতল কন্ঠে দিলো। কেন? একগাদা প্রশ্ন মনে ভীড় করলো। ও যদি খুব ভালো থাকতো তাহলে তো দৃঢ়ভাবেই বলতো, “ভালো”। ভালোই বলার মানে কি, ও ভালো নেই? কেন ভালো নেই? ও কি এই বোঝাতে চাইছে যে আটাশ বছর আগের সেই ঘটনার পর থেকে ও আর ভালো নেই? তানিয়ার আক্ষেপ কি আমাদের বিচ্ছেদ-কে নিয়ে। যদি ধরি ঐ বিচ্ছেদই ওর ভালো না থাকার কারন, তাহলে ওকি মনপ্রাণ দিয়ে আমাকে ভালোবেসেছিলো? আমিতো ভেবেছিলাম কিছুদিনের মধ্যেই ও সব ভুলে যাবে। আমার জন্য এতগুলো বছর ধরে একটা নারীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এটা ভেবে আমার কি খুশী লাগছে? এরকম ভালো লাগা এভিল। অন্য কিছুও হতে পারে। হয়তো ও পারিবারিক জীবনে সুখী নয়। তবে কি ওর স্বামী ওকে কষ্ট দেয়? এবার অপরিচিত ঐ লোকটার উপর আমার রাগ গিয়ে পরলো। ব্যাটাকে! নাহ, কি ভাবছি? ব্যাটাকে দোষ দেয়ার আগে তো নিজেকে দোষী বলা দরকার, ওকে সুখী করার কোন ভাবনা কি আমি কোনদিন ভেবেছিলাম?

আমি: শুধু ভালোই কেন বলছো?
তানিয়া: আর কি বলবো?
আমি: তুমি কি ভালো নেই তানিয়া? বাড়ীতে কোন সমস্যা?
তানিয়া: সবকিছু কি আর বলা যায়?
আমি: আমিতো ভেবেছিলাম অল্পদিনের মধ্যেই তুমি সব ভুলে যাবে।
তানিয়া: আমাদের শেষ দেখার পর কত বছর পার হলো? (আরো শীতল কন্ঠে)
আমি: আটাশ বছর।
তানিয়া: এই আটাশ বছর পর তুমি আমাকে খুঁজে বের করেছ। তুমি কি ভুলতে পেরেছ?
আমি: না, মানে। আমি ভুলিনি, মনে আছে, তবে। (আমতা আমতা করতে লাগলাম, ঠিক কি উত্তর দেব বুঝতে পারলাম না, এই দোদুল্যমানতা কি কেবল আমার মধ্যেই, নাকি এটা সব মানুষেরই বৈশিষ্ট্য?)
তানিয়া: রাইট। ঐ একটা ‘তবে’ থেকে যায়। জীবনের সবকিছুতেই ‘তবে’।
আমি: আচ্ছা বাদ দাও। এবার বলো।
তানিয়া: কি বলবো?
আমি: আটাশ বছরে কত কথাই তো জমা হয়ে থাকে। তার সবটুকু না পারো, কিছুটা বলো।
তানিয়া: তোমারও তো কত কথা জমা হয়ে আছে। তুমিও কি বলবে?
আমি: বলবো। যদিও, আমার জীবনে বলার মতো তত কিছু নেই।
তানিয়া: আমার জীবনেও কি খুব বেশী কিছু আছে মনে করো?
আমি: তারপরেও বলো। এতগুলো বছর পরে আজ বড় বেশি তোমার সবকিছু জানতে ইচ্ছে করছে।
তানিয়া: সবকিছু? তুমি তো চাইলেই আমার সবকিছুর ভাগীদার হতে পারতে, সেটা তো আর চাইলে না। এখন আর সবকিছু তোমাকে বলা যাবেনা।

আমি: ঠিক আছে কিছু কিছু বলো।
তানিয়া: বলবো। তার আগে একটা প্রশ্ন করি।
আমি: (ঘাবড়ে গেলাম) কি প্রশ্ন আবার করে বসে!
তানিয়া: এতগুলো বছর পরে আমাকে আবার খুঁজে বের করলে কেন?
কি উত্তর দেব ভাবছি। আবারো অনেকগুলো প্রশ্ন আমার মনে এসে ভীড় জমালো। ওর প্রশ্নের উত্তরটা কি আমি নিজেই জানি? কোন ওকে খুঁজে বের করলাম? এটা কি নিছক কৌতুহল? এখন ও কেমন আছে জানা? আর সব জানা হলেই কৌতুহল কি ফুরিয়ে যাবে? যদি ফুরিয়ে যায় সেটা হবে একটা প্রদীপ নিভে যাওয়ার মত। প্রদীপটি নিভে যাক সেটা কি আমি চাই? প্রদীপ জ্বলেই বা কি হবে?” শ্বাশতঃ অগ্নি জ্বলে, কি মেসেজ দেয় সেই অগ্নি? কোন কিছু কি আদৌ শ্বাশতঃ? মহামতি বুদ্ধ বলেছিলেন ‘আত্মা শ্বাশত নয়’। আত্মাই যদি শ্বাশত: না হয়, তাহলে বাকী থাকলো-টা কি? হেরাক্লিটাস বলেছিলেন, “একই নদীতে দুবার অবগাহন করা যায়না”। একজন ফিজিসিস্ট হিসাবে আমি জানি, ‘অল প্রসেসেস আর ইরিভার্সিবল’, সময়ের তীর কেবল সামনের দিকেই যায়, আমরা চাইলেও আর কোনদিন অতীতে ফিরে যেতে পারবো না, ফিরিয়ে নিতে পারবো না।
আসলে ঐ দৃশ্যটা আমি এখনো ভুলতে পারিনা। ঐ যে, আমার দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে থেকে, কোন কথা না বলেই চলে যাওয়া, আর কোনদিনও আমার সাথে যোগাযোগ না করা। সেদিন যদি ও গলা ছেড়ে কাঁদতো, অথবা ক্ষিপ্ত হয়ে কিছু রূঢ় কথা শুনিয়ে দিতো, চিৎকার-চেচামেচি করে সিনক্রিয়েট করতো, সেটাও একটা রিএ্যাকশন হতো, একটা রেসপন্স হতো আমার কর্মের। ও কিন্তু কিছুই করেনি, ওর বুক ফেটে কোন আবেগ বেরিয়ে আমাকে কোন মেসেজ দেয়নি। জানতে দেয়নি, সবকিছু শেষ না শুরু, নাকি মাঝপথে থমকে গেলো? সবকিছু ওর বুকের গভীরেই রয়ে গেছে। হয়তো আমার উৎসুক্যটা ওখানেই, এতগুলো বছর পরে হলেও আমি ওর রেসপন্স জানতে চাইছি।

আমি: (এতক্ষণ যা ভাবলাম তার সবকিছু ওকে বলা যাবেনা। শুধু ছোট করে বললাম) বলবো, আমাকে একটু সময় দাও। আপাততঃ তোমার কথা বলো।
তানিয়া: কয়েক বছর পর আমি ইউনিভার্সিটি শেষ করি। ফার্স্ট হয়েছিলাম ক্লাসে। তুমি থাকলে হয়তো সেকেন্ড হতাম। তুমি চলে গিয়ে আমার একটা উপকার করেছ, আমার ফার্স্ট হওয়াটা কনফার্ম করেছ।
আমি: কনগ্রাচুলেশনস। তারপর?
তানিয়া: তারপর বিদেশে একটা স্কলারশিপ পেয়েছিলাম। যাইনি।
আমি ভাবলাম, জানতে চাইবো কেন যায়নি। তারপর থমকে গেলাম, এই প্রশ্নটা আমার করা ঠিক হবেনা।
আমি: তারপর।
তানিয়া: বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে চাকরীর অফার ছিলো। করিনি।
আমি: সে কি!
তানিয়া: না, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে না। ঢাকার বাইরে। মফস্বলে যাবোনা বলে আর ঐ অফার একসেপ্ট করিনি।
আমি: প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতো তখন চালু হয়ে গিয়েছিলো ঢাকাতেই। ওরকম কোথাও চাকরী নিতে পারতে।
তানিয়া: নিয়েছিলাম। একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াতাম।
আমি: পড়াতে, মানে সেই চাকরীও পরে ছেড়ে দিয়েছিলে?
তানিয়া: (আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে) ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াতে ভালোই লাগতো আমার।
আমি: জানি। কলেজে জীবন থেকেই তুমি টিউশনি করতে। যদিও টাকা-পয়সার কোন সমস্যা ছিলো না তোমার। কেবল পড়াতে ভালো লাগে বলেই টিউশনি করতে।
তানিয়া: তোমার দেখছি সবই মনে আছে!
এবার আমি চুপ করে রইলাম। তানিয়ার জানা থাকার কথা, আমার স্মৃতিশক্তি প্রখর। বন্ধুরা আমাকে ডাটাবেসের সাথে তুলনা করতো।
আমি: তারপর?
তানিয়া: একটা ছাত্র ছিলো তোমার মতো।
আমি: (আমি হেসে ফেললাম) আমার মতো মানে? দেখতে আমার মতো?
তানিয়া: না দেখতে নয়। তোমার মত ঝটপট সব প্রশ্নের উত্তর দিতো, পড়ার বই বাদ দিয়ে বাইরের বই পড়তো বেশি। প্রখর স্মৃতিশক্তি ছিলো। অনেকটা ডাটাবেসের মত।
চুপসে গেলাম আমি। ‘ডাটাবেস’-এর কথা ওর মনে আছে। তানিয়ার স্মৃতিশক্তিও দেখছি কম প্রখর নয়!
আমি: আর কিছু?
তানিয়া: হ্যাঁ, আরো একটা বিষয় আছে। তোমার মতই ও একদিন হুট করে বিদেশে চলে গিয়েছিলো। ওর জন্য একটি মেয়েকে আমি ঝরঝর করে কাঁদতে দেখেছি।
আমার রক্ত হিম হয়ে এলো। তানিয়া কি কথা দিয়ে আমার উপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। এটা কি সত্যি ঘটনা, না ও বানিয়ে বানিয়ে বলছে?
যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে ঐ মেয়েটিতো ঝরঝর করে কেঁদে বুক হালকা করেছে। আর আমার তানিয়া কোন রিএ্যাকশনই দেখায়নি।
এতদিন পরে ওর সাথে যোগাযোগ করাটা কি ভুল হয়েছে? ও কি এবার বড় ধরনের কোন রিএ্যাকশন দেখাবে?
আমি: (খুব সাবধানে বললাম) তারপর?
তানিয়া: তারপর আমি চাকরীটা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
আমার এক হাতে মোবাইলটা ধরা ছিলো। আরেক হাত দিয়ে মাথাটা চেপে ধরলাম। আমার মাথায় যা হচ্ছিলো সেটা যন্ত্রণা না, আরো গভীর কিছু। তানিয়া বলে যেতে থাকলো।

তানিয়া: এর মধ্যে আমার বিয়ের প্রস্তাব চলে এসেছিলো। ভালো ছেলে দেখে বাবা-মা আর দেরী করেননি। বিয়েটা হয়ে গেলো।
আমি: ভালোই তো। বাবা-মা দেখেশুনে ভালো ছেলের সাথে তোমার বিয়ে দিয়েছে।
তানিয়া: ভালো ছেলে বলতে তুমি কি বোঝ?
আমি: ভালো ছেলে, মানে ভালো মানুষ, উচ্চশিক্ষিত, ভালো ফ্যামিলি। এই তো।
তানিয়া: না, ঐ কনসেপ্ট কোন এক সময় হয়তো ছিলো। পরে উঠে গেছে। এখন ভালো ছেলে মানে টাকাওয়ালা ছেলে, ভালো ফ্যামিলি মানেও টাকাওয়ালা ফ্যামিলি। ভালো মানুষের খোঁজ এখন আর কেউ রাখেনা।
আমি: আমি কোন একসময় শুনেছিলাম খুব ধনী লোকের সাথে তোমার বিয়ে হয়েছে।
তানিয়া: তাহলে তো তুমি আমার সম্পর্কে খোঁজ রেখেছিলে।
আমি: না, ঠিক সেভাবে না। আমার এক বন্ধু একবার বলেছিলো তোমাকে কোথায় দেখেছে, খুব দামী গাড়ী থেকে তুমি নামছো, সাথে তোমার স্বামী ছিলো, বড় ব্যবসায়ী। খুব সম্ভবত অস্ত্রের ব্যবসা করে। এইটুকুই, আর কিছু জানিনা।
তানিয়া: যেটুকু দেখেছে, ঠিকই দেখেছে।
আমি: তোমার স্বামী বড় ব্যবসায়ী?
তানিয়া: হু, অনেক বড়।
আমি: অস্ত্রের ব্যবসা করে?
তানিয়া: অনেক কিছুর ব্যবসাই করে। তার মধ্যে অস্ত্রও আছে।
আমি: বাই দ্যা বাই। তুমি এত রাত্রে টেলিফোনে কথা বলছো! তোমার স্বামী কি ঘরেই আছে?
তানিয়া: কি যে বলো! আমার স্বামী ঘরে থাকলে কি আমি এত রাত্রে এত নিশ্চিন্তে কথা বলতে পারতাম?
আমি: তাইতো। কোথায় উনি?
তানিয়া: বিদেশে।
আমি: কোন দেশে?
তানিয়া: জানিনা।
আমি: মানে? ব্যবসার কাজে গিয়েছে?
তানিয়া: তাও জানিনা।
আমি: বুঝলাম না। স্বামী কোন দেশে গিয়েছে জানোনা, ব্যবসার কাজে গিয়েছে কিনা তাও জানোনা!
তানিয়া: ও ফ্রিকোয়েন্টলি বাইরে যায়। একসাথে কয়েকটা দেশ ঘুরে আসে। তাই কোন দেশে গেলো আসলো এত খোঁজ রাখিনা। আর ওর ব্যবসার কাজে আমি নাক গলাই এটা ও চায়না। যদিও আমার নামে অনেকগুলো ব্যবসাই ও করেছে। মাঝে মাঝে সাইন করতে কাগজ নিয়ে আসে আমি সাইন করে দেই।
আমি: তোমার ছেলেমেয়ে?
তানিয়া: একটা ছেলে আছে।
আমি: কতবড়?
তানিয়া: ও লেভেল শেষ করেছে। এ লেভেলে পড়ে।
আমি: মাত্র একটাই সন্তান?
তানিয়া: হ্যাঁ, একটাই। আচ্ছা আজ থাক। আরেকদিন কথা হবে।
আমি: তানিয়া। তোমাকে একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম।
তানিয়া: আজ থাক। আজ আর কথা বলতে ইচ্ছা করছে না। আবার পরে কথা হবে।
আমি: কবে ফোন করবো? বা দিনের কোন সময় ফোন করলে তুমি বিজি থাকবে না?
তানিয়া: আমি আসলে তেমন বিজি থাকিনা। তবে তোমার ফোন করার দরকার নাই। আমার নাম্বারটা সেভ করে রাখো। আমিই তোমাকে কল দিবো। আর ফেইসবুক তো আছেই।
আমি: তানিয়া তানিয়া শোন, আমি বলতে চাচ্ছিলাম যে ……………।
লাইনটা কেটে দিলো তানিয়া। আমার কথা বোধহয় শুনলো না। বা শুনলেও আর কথা বলতে চাইছিলো না। এখন পাল্টা রিং করাটা ঠিক হবে না। ফেইসবুকের দিকে তাকালাম। ইনবক্সে ‘বাই, গুড নাইট’ মেসেজ লেখা।

আটাশটি বছরে অনেক ঘটনাই তো ঘটে যায়। জমিয়ে রাখা সেইসব কথা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বলতে গেলে আটাশ বছরই লেগে যাবে। আবার পাঁচ মিনিটেও আটাশ বছরের সবকথা বলে ফেলা যায়। আশ্চর্য্য! আমার দাবী অনুযায়ী তানিয়া ওর অনেক কথাই বললো। অথচ আমার ব্যাপারে জোর দিয়ে কোন প্রশ্নই করলো না! আমার বিষয়ে জানার কোন আগ্রহই কি ওর নেই?

সেই প্রতিক্রিয়াহীন প্রতিস্পন্দনহীন দৃশ্যের পরে নীল অম্বরকে রক্তিমাভ করে অনেক সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত হয়েছে। অঁজিষ্ণু-কে আটাশ বার প্রদক্ষিণ করেছে ধরিত্রী। সেদিনের প্রসূত শিশুটি আজ আটাশ বছরের টগবগে তরুণ। মোটা দাগে ধরণীতে স্থান করে নিয়েছে আরেকটি প্রজন্ম। তিন দশকে পৃথিবীর রূপ-রং-রস সবকিছুই বদলে যায়। বদলে যায় দিন, বদলে যায় জীবনধারা, বদলে যায় মানুষ। অন্ততপক্ষে মানুষের বাহ্যিক গড়ন, তবে তার অন্তরটা কতটুকু বদলায়? মানব-মানবীর বিশুদ্ধ অনুভূতিটির কি আদৌ কোন পরিবর্তন আছে? তাই যদি হবে তাহলে মানুষ আজো কেন পড়ে কায়েস-লায়লা, শিরি-ফরহাদের কাহিনী? আজো কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য হিসাবে আছে ‘আন্না কারেনিনা’? নার্গিস-নজরুল-এর প্রেম ও বিচ্ছেদের কাহিনী এখনো কেন মানুষের মুখে মুখে ফেরে?

আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিক মনীষী পেরিয়ান্ডার বলেছিলেন “যা পায়নি তার জন্য মন সবসময়ই পোড়ে, এবং মন সবসময়ই অতীতে হারিয়ে যায়”। হাজারো পরিবর্তনের মাঝে কিছু কিছু ধ্রুবক থেকেই যায়।

(চলবে)
তারিখ: ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৬
সময়: দুপুর ৩টা বেজে ১৩ মিনিট

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.