প্রাক্তন প্রেমিকার সাথে কিছুক্ষণ – পর্ব ৬

প্রাক্তন প্রেমিকার সাথে কিছুক্ষণ – পর্ব ৬
————————- ড. রমিত আজাদ

শিউলি: প্লানচেটে বিশ্বাস করেন আপনি?
আমি: তুমি?
শিউলি: প্রশ্নটা কিন্তু আমি আপনাকে করেছি।
আমি: শুনেছিলাম রবীন্দ্রনাথ নাকি প্লানচেট করতে পারতেন। রবীন্দ্রনাথের প্রিয় মিডিয়াম ছিলেন উমা দেবী। উমাদেবীর উপর ভর করেই পরলোকের আত্মারা এ ধরায় আসতেন। আর সেই প্লানচেটে সুকুমার রায়কে এনেছিলেন।
শিউলি: রবীন্দ্রনাথ প্লানচেট করতেন নাকি? জানতাম না তো? তা কি বলেছিলো সুকুমার রায়ের আত্মা?
আমি: সুকুমার রায়ের আত্মা কি বলেছিলো, আমি জানিনা। তবে উনার ছেলে সত্যজিত রায়ের লেখা উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটা ছবি দেখেছিলাম ফেলুদা সিরিজের, নাম ‘গোরস্থানে সাবধান’। সেখানে তো প্লানচেট-কে অনেকটা উপহাসই করা হয়েছে। ঐ একই লেখক আবার ফেলুদা সিরিজের আরেকটি উপন্যাস ‘ভূস্বর্গ ভয়ংকর’-এ প্লানচেটকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
শিউলি: তাহলে কি ধরে নেব? প্লানচেট ঠিক না ভুল?
আমি: আমি নিজে কখনো দেখিনি প্লানচেট। তবে প্লানচেটের আলোচনা সব দেশেই দেখেছি।
শিউলি: এখান থেকে কি উপসংহার টানবেন?
আমি: আমি বিজ্ঞানের মানুষ, সেই হিসাবে বলতে পারি যে প্লানচেট বিজ্ঞানের আওতা বহির্ভুত।
শিউলি: তার মানে বিজ্ঞান প্লানচেটকে স্বীকার করেনা।
আমি: না, কথাটা সেভাবে বলা যাবেনা। মানবজাতি জ্ঞানসাগরে সাঁতরে এযাবৎকাল পর্যন্ত যতগুলো শাস্ত্র তৈরী করেছে, বিজ্ঞান তাদের মধ্যে কনিষ্ঠতম বলা যেতে পারে। কিন্তু এই জমানায় বিজ্ঞানই সবচাইতে প্রভাবশালী।
শিউলি: বিজ্ঞানের জন্ম কবে?
আমি: আধুনিক বিজ্ঞানের জনক আল হাইয়াম দশম শতাব্দীর মানুষ।
শিউলি: কোন দেশের?
আমি: জন্ম ইরাকের বসরায়। দেশ বলতে যদি রাষ্ট্র বোঝায় তাহলে ইসলামী খেলাফতের নাগরীক ছিলেন।
শিউলি: উনাকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলছেন কেন?
আমি: সেটা বলার জন্যেই এত কথা বলছিলাম। কনিষ্ঠতম শাস্ত্র হওয়ার পরেও বিজ্ঞান সবচাইতে প্রভাবশালী কেবল এই কারণে যে, সে এমন একটি শাস্ত্র যে প্রমাণ ছাড়া কোন কিছুকে স্বীকৃতি দেয়না। আল হাইয়াম বলেছেন, “The duty of the man who investigates the writings of scientists, if learning the truth is his goal, is to make himself an enemy of all that he reads, and … attack it from every side. He should also suspect himself as he performs his critical examination of it, so that he may avoid falling into either prejudice or leniency.
শিউলি: ও। তাহলে?
আমি: তাহলে বিজ্ঞান কোন কিছুকে সঠিক বলতে চাইলেও প্রমাণ ছাড়া তা পারবে না, আবার ভুল বলতে চাইলেও প্রমাণ ছাড়া তা পারবে না।
শিউলি: তার মানে যে সকল বিষয়ে সঠিক বা ভুল কোন প্রমাণই নাই সেগুলোর বিষয়ে বিজ্ঞান নীরব?
আমি: ঠিক তাই। অথবা বলতে পারি যে তা বিজ্ঞানের আওতা বহির্ভুত।
শিউলি: বুঝলাম। তা আপনি প্লানচেটে বিশ্বাস করেন কিনা তাই বলেন।
আমি: বিজ্ঞানের পাশাপাশি আমি প্যারাসাইকোলজি নিয়েও কিছু কিছু পড়ালেখা করি। ঐ হিসাবে বিজ্ঞান বহির্ভুত অনেক কিছু নিয়েই কাজ করি ও বোঝার চেষ্টা করি।
শিউলি: প্যারাসাইকোলজি কি?
আমি: প্যারাসাইকোলজি মনোবিদ্যার এমন একটি শাখা, যা আপাত অব্যাখ্যাত মানসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। প্যারাসাইকোলজি এমন এক শাখা যা অন্য সকল শাখার সমন্বয়ে কিছু তথ্য দেয়। প্যারাসাইকোলজিকে সাইকোফিনোমিনাও বলা হয়ে থাকে। এর অন্তর্ভুক্ত আছে telepathy, precognition, clairvoyance, psychokinesis, near-death experiences, reincarnation, ইত্যাদি।
শিউলি: এগুলো কি বিজ্ঞান?
আমি: না। তবে ইউরোপে আমি অনেক খ্যাতিমান বিজ্ঞানীদের দেখেছি এইগুলো নিয়ে কাজ করতে।
শিউলি: খ্যাতিমান বিজ্ঞানীরা অ-বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করে?
আমি: হ্যাঁ, করে। স্যার আইজাক নিউটন ছিলেন বিজ্ঞান জগতের এক কিংবদন্তি, সেই তিনিও বিজ্ঞান ব হির্ভুত অনেক কিছু নিয়ে কাজ করেছিলন।
শিউলি: তাই? যেমন?
আমি: নিউটন ধর্মতত্ত্ব নিয়ে কাজ করেছিলেন। তিনি কেম্ব্রিজে ও পরবর্তিকালে পার্লামেন্টে ক্যাথলিক বিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। নিউটন যীশু-কে ইশ্বর ও মানুষের মধ্যে একজন মধ্যস্থ ব্যক্তি অর্থাৎ mediator মনে করতেন। উনার দৃষ্টিকোন থেকে যীশু-কে ইশ্বর হিসাবে উপাসনা করা এক ধরনের মূর্তিপূজা অর্থাৎ idolatry, যা একটি মৌলিক পাপ। যদিও তিনি আলোড়ন সৃষ্টিকারী গতির আইনগুলো ও মহাকর্ষ আইন আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু তিনি মানবজাতিকে এই মর্মে সাবধান করে দিয়েছিলেন যে ঐ আইনগুলোকে ব্যবহার করে যেন মহাবিশ্বকে কোন যন্ত্র হিসাবে দেখা না হয়, মহাবিশ্ব কোন বিশাল ঘড়িসদৃশ নয়। নিউটন বলেছিলেন যে, ” মহাকর্ষ সকল গ্রহের গতি ব্যাখ্যা করতে পারে, কিন্তু তা এই ব্যাখ্যা করতে পারেনা যে, কে ঐ সকল গ্রহগুলোতে গতির সঞ্চার করেছিলো। সৃষ্টিকর্তা সবকিছুকে পরিচালনা করেন এবং যা কিছু ঘটছে ও ঘটতে পারে তার সব কিছুই তিনি জানেন।” নিউটন ঈশ্বরকে এমন একজন মহান স্রষ্টা হিসেবে দেখেছেন, সমগ্র সৃষ্টিজগৎের এই বিশালতার মুখেও যার অস্তিত্বকে অস্বীকার করা যায় না।
শিউলি: জানতাম না তো। ইন্টারেস্টিং!
আলাপটা জমবে ভালো। দাঁড়ান দু’কাপ কফি বানিয়ে আনি।শিউলি কিচেনে গেলো কফি বানাতে। রাত এখন তিনটার কাছাকাছি। আমার এ্যাপার্টমেন্টের বেলকুনিতে দাঁড়িয়ে তাকালে বিশাল ঢাকা শহরের একাংশ দেখা যায়। রাতের এই ঢাকার দৃশ্য যেমন ঝলমলে তেমনি নিস্তদ্ধ। একপাশে বনানী গোরস্থানের একাংশ দেখা যায়। ঐদিকে রাতে খুব একটা তাকাইনা। ভয় আর মন-খারাপ একসাথে অনুভুত হয়।

কম্পিউটারের দিকে চোখ গেলো। ফেসবুক খুলে দ্রুত একবার দেখে নেব কি তানিয়া লাইনে আছে কিনা? না থাক, এক নারী শয্যায় রেখে আরেক নারীর সাথে কথা বলতে চাইনা। অনৈতিকতারও একটা সীমা আছে!
দুকাপ কফি হাতে নিয়ে ফিরে এলো শিউলি।
শিউলি: তারপর বলুন। নিউটন বিজ্ঞান বহির্ভুত আর কি কি নিয়ে কাজ করেছিলেন?
আমি: অকাল্ট নিয়েও কাজ করেছিলেন তিনি। ১৭০৪ সালে লিখিত একটি ম্যানুস্ক্রিপ্ট-এ তিনি লিখেছিলেন যে তিনি হোলি বাইবেল থেকে scientific information এক্সট্রাক্ট করার চেষ্টা করছেন। তিনি এটাও এস্টিমেট করেছিলেন যে ২০৬০ সালের আগে মহাবিশ্ব ধ্বংস হবে না।
শিউলি: মানে ২০৬০ সালের আগে কেয়ামত হবে না।
আমি: নিউটন এরকমই বলেছিলেন।
শিউলি: যাক, আমরা হয়তো কোনক্রমে জীবনটা পার করে দিতে পারবো! তা ২০৬১ সালে কি কেয়ামত হবে?
আমি: আরে না, নিউটন কোন টাইম এ্যাকুরেটলি উল্লেখ করেননি। অকাল্ট অনুযায়ী তিনি বলেছিলেন, “This I mention not to assert when the time of the end shall be, but to put a stop to the rash conjectures of fanciful men who are frequently predicting the time of the end, and by doing so bring the sacred prophesies into discredit as often as their predictions fail.”
শিউলি: অত বড় বিজ্ঞানী Occult নিয়ে কাজ করেছিলেন, ভাবতেই তো অবাক লাগে!
আমি: রাইট বিজ্ঞান হলো র্যা শনালিজম আর Occult হলো ঠিক উল্টাটা।
শিউলি: কিন্তু নিউটন সম্পর্কে এসব তথ্য আমরা জানিনা কেন?
আমি: তুমি কেন জানোনা তা আমি জানিনা। আমি জানি কারণ আমি তা পড়েছি।
শিউলি: কিন্তু স্কুলে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যে বইপত্র পড়েছি সেখানে তো নিউটন সম্পর্কে এসব কিছু লেখা ছিলো না।
আমি: আরে, তোমরা স্কুলে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব বইপত্র পড়েছ, সেগুলিতো বিজ্ঞানের বই ছিলো, সেখানে তো অবশ্যই অ-বিজ্ঞানের কোন কিছু উল্লেখ করা হবে না। ঐসব জানতে হলে আলাদাভাবে নিউটনের জীবনী পড়তে হবে।
শিউলি: আপনি নিউটনের জীবনী পড়েছেন?
আমি: পড়েছি। তবে নিউটনের এই ভিন্নধর্মী দিকগুলো সম্পর্কে আমি প্রথম জানতে পারি স্টিফেন হকিং-এর A brief history of time বই থেকে।
শিউলি: তাই?
আমি: হ্যাঁ, ঐ বইয়ের পিছন দিকে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী সম্পর্কে বেশ কিছু কথা লেখা আছে।
শিউলি: ভেরি ইন্টারেস্টিং!

পাতলা দুটি অধর সামান্য ফাঁক করে বললো ও। অপরূপা রূপসী ! বয়স ছাব্বিশ বছর হবে। তবে সেই হিসাবে ওর মধ্যে চাঞ্চল্য কম। ওর অনেকটাই অনাবৃত শরীরের দিকে তাকালাম আরেকবার। যা দেখছি তাকে বলা চলে ভাদ্রের ভরা নদী।

আমি: নিউটন আরো একটি বিষয় নিয়ে কাজ করেছিলেন। সেটি হলো আল-কেমি।
শিউলি: আল-কেমি?
আমি: আমেরিকান লেখক Fritz Leiber-এর লেখা “Poor Superman” নামক সায়েন্স ফিকশনে একটি চরিত্র বলছিলো,
“Everyone knows Newton as the great scientist. Few remember that he spent half his life muddling with alchemy, looking for the philosopher’s stone. That was the pebble by the seashore he really wanted to find.”
শিউলি: আল-কেমি-টা কি?
আমি: এই পৃথিবীতে সবাই কি চায়?
শিউলি: প্রেম, ভালোবাসা।
আমি: হু! মেয়ে হিসাবে তুমি হয়তো ঠিকই বলেছ। তবে ছেলেরা বোধহয় এই প্রশ্নের জবাবে প্রথম উত্তর দেবে, ‘অর্থ-বিত্ত’।
শিউলি: ‘অর্থ-বিত্ত’ দিয়ে কি প্রেম-ভালোবাসা পাওয়া যায়?
আমি: ঐ ফিলোসফিকাল আলাপ থাক। আমি এখন আল-কেমি সম্পর্কে তোমাকে জ্ঞান দেই আগে।
শিউলি: ওকে। আপাতত: প্রেম-ভালোবাসা তো কিছু হলো। আপাতত: কিছু জ্ঞানচর্চা করি। তারপর না হয় আরেক দফা প্রেম-ভালোবাসা হবে।
(বলে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো শিউলি)
আমি: অর্থ-বিত্তের মানদন্ড যুগে যুগে পাল্টেছে। তবে একটি মানদন্ড কখনো পাল্টায় নি।
শিউলি: কি সেটা?
আমি: সোনা, গোল্ড। গোল্ড পাঁচ হাজার বছর আগেও যেমন দামী ছিলো এখনো তেমনিই দামী আছে। তা একটা কথা সেই প্রাচীন যুগে প্রচলিত ছিলো যে, এমন একটি পাথর আছে যা দিয়ে ঘষলে যেকোন মেটালই সোনায় পরিণত হয়। ঐ পাথরের নাম বাংলায় ..।
শিউলি: জানি, ‘পরশ পাথর’।

আমি: রাইট। সেই পরশ পাথর তৈরী করতে উঠেপড়ে লেগেছিলো মিশরের একদল মানুষ। সেই শাস্ত্রের নাম আল-কেমি।
শিউলি: নিউটন সেই আল-কেমি নিয়ে কাজ করেছিলেন?
আমি: হু।
শিউলি: সোনা তৈরী করতে চেয়েছিলেন।
আমি: হয়তো।
শিউলি: উনার কয় ছেলেমেয়ে ছিলো?
আমি: হা হা হা।
শিউলি: হাসেন কেন?
আমি: উনি বিয়েই করেন নি।
শিউলি: কি?
আমি: জ্বী হ্যাঁ। তিনি অকৃতদার ছিলেন।
শিউলি: চিরকূমার ছিলেন? আপনার মতো?
আমি: শিউলি? আমি কি কুমার? (শিউলি এবার একটু সলাজ হাসি হাসলো) নিউটন কুমার ছিলেন কিনা জানিনা, তবে বিবাহিত ছিলেন না এমনই লেখা আছে উনার জীবনীতে।
শিউলি: তাহলে এই এত এত সোনা দিয়ে উনি করতেন কি? কাকে দিয়ে যেতেন? না কি উনার কোন প্রাক্তন প্রেমিকা ছিলেন, যেকে সব দিয়ে যাওয়ার মনোবাঞ্ছা ছিলো?
হঠাৎ স্ট্রাইক করলো আমার মনে। কথা কোথা থেকে কোথায় গড়ালো! শিউলি কি তানিয়ার কথা জানে? আমি তো ওকে কখনোই কিছু বলিনি! একটু জিজ্ঞাসু দৃষ্টি নিয়ে তাকালাম ওর দিকে।

শিউলি: এম্নি জানতে চাইলাম। আমার মনে হয় বিয়ে না করলেও কেউ না কেউ তো ছিলো নিশ্চয়ই উনার জীবনে। নারীহীন হয়না পুরুষের জীবন। সোনাদানা বানাতে পারলে হয়তো সেই প্রেমিকাকেই সব দিয়ে যেতেন।
আমি: কোন কোন বইয়ে লেখা আছে যে উনার জীবনে একজন নারী ছিলেন। তবে তার সাথে শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি উনার।
শিউলি: কেন হলো না?
আমি: তা বলতে পারবো না। তবে না হয়ে ভালৈ হয়েছে।
শিউলি: কি বলেন? ভালোবাসার মানুষটাকে জীবন-সঙ্গিনী হিসাবে পেল না, এটা কি ভালো হলো? জীবনের অর্থ তা হলে কি?
আরেকবার ধাক্কা খেলাম ওর কথা শুনে। তাইতো ভালোবাসার মানুষটাকে জীবন-সঙ্গিনী হিসাবে যদি নাই পাওয়া গেলো, তাহলে জীবনের আসলেই কোন অর্থ থাকে কি?

(চলবে)

অস্তির প্রান্তে অনুতাপ
—- ড. রমিত আজাদ

আমি যখন হারিয়ে যাবো তোমার মাঝে কল্পনাতে,
তুমি তখন আসবে ফিরে আমার ঘরে আমার পথে।
সেদিন আমি বুঝিনিতো কি যে দামী জীবনটাতে,
অর্থ-পাতি, প্রভাব-খ্যাতি, সুসজ্জিত বৈভবেতে।
তোমার অমন বুকের জমীন কোমলতায় কেমন ভরা!
দূরে ঠেলে খাঁটি কায়া, তুলে নিলাম মেকি ছায়া।

এখন আমার এই জীবনে নেই যে জ্ঞাতি নেই যে প্রীয়া,
বিত্ত-বিভব কার তরে যে ভেবে না পায় আমার হিয়া।
হন্যে হয়ে আজ আমাকে খুঁজতে হবে ভালোবাসা,
হায়রে কেন সেদিন আমি হারিয়েছিলাম তোমার আশা!

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.