শ্রেষ্ঠ দৃশ্যপট

শ্রেষ্ঠ দৃশ্যপট
— ড. রমিত আজাদ

তারপর একঝাঁক প্রজাপতি,
অথবা একটি চঞ্চল দোয়েল,
ঘাসফড়িং-এর পদাঘাতে তৃণ
কেঁপে কেঁপে ওঠে,
যেন স্পন্দিত হৃৎপিন্ড আমার
যখন তোমাকে দেখি,
বৃষ্টিস্নাত বিকেলের রোদে।

সেই গার্লস স্কুল,
তার পাশ ঘেসে বয়ে চলা রাজপথ,
ছুটির ঘন্টার জন্য অপেক্ষা,
অপেক্ষা তোমার জন্য।
বিদ্যালয়ের ফটক গলে বেরিয়ে আসবে তুমি,
হালকা রঙের ইউনিফর্ম পরিহিতা,
একরঙ একঢঙ পোষাকের অতগুলো কিশোরীর মাঝে,
তোমাকে ঠিকই সনাক্ত করতাম আমি,
তুমি যে অনুপমা!
তারপর কম্পিত হৃৎপিন্ড আমার,
মেঘেদের চিত্রানুগ স্পন্দন।

তোমার পথচলা দেখতাম একমনে,
সোনারোদ বিকেলের আভায়,
যেন জলরঙে আঁকা এক ছবি,
নামহীন পৌরাণিক চিত্রকরের।
কাঁচা বয়সের সেই অস্থির দিনগুলিতে,
কবিতার তিথি অথবা সঙ্গীতের ঐকতান ভেঙে,
ওটিই ছিলো আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দৃশ্যপট!

তারিখ: ১৯শে মার্চ, ২০১৭
সময়: রাত ১২টা ৪৭ মিনিট

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.