অতৃপ্তির আঁকুতি

অতৃপ্তির আঁকুতি
———————– রমিত আজাদ

বুকে জড়িয়ে নিয়ে অনুভব করি
কপোতীর জোড়া স্তনের চাপ!
আমার অধীর হাত ছোঁয় তার উতলা নিতম্ব।
হৃদয়ের ধুঁকপুকানী ভাঙে শতাব্দীর আড়ষ্ঠতা।
মুহুর্মুহু ঘননিশ্বাসের দমকে
রক্তহ্রদে ওঠে সায়রের গর্জন।
আলোড়িত অম্বু ফুঁসে ফুঁসে উঠে
আছড়ে পড়ে তনু সৈকতের তৃষিত বালুকায়!

অধরে অধরে বলে, “এই তো আমি।”
রূপকথার খেয়াঘাটে ভিড়েছে সাম্পান আজ।
সাথে এলো সহস্র-এক রজনীর উপাখ্যান।
এই সে নদীর তীর,
যার কূলে যুগ যুগ মিলেছে কপোত-কপোতীরা।
বেজেছে পৌরাণিক বাঁশরীয়া,
নেচেছে ধ্রুপদী পায়েলিয়া।
এ’ ঐকতান মহাকালের লহরী!

মহাকর্ষের সর্বনাশা টানে,
যেখানে হারায় পৃথিবী,
ধ্বংস হয় বিপুলাকার নক্ষত্র,
নিকষ আঁধারে নিভে যায় অগ্নিশিখা।
লোপ পায় জেদী ভাববাদীর বোধ।
কৃষ্ণগহবর, সেতো ধ্বংসবিবর নয়,
সে এক নিদারুন প্রেরণার উৎস
এমন গহবরে হারিয়ে যাওয়াও সুখ!

এমন মায়াবী ক্ষণে
দিবা রাত্রীর পার্থক্য নিরূপণ করাও মুশকিল।
ধরিত্রির আহ্নিক গতি, যেমন চলেছে চলুক।
যুগলের লীলা খোঁজেনা সময়ের দিশা!
কি হবে আর সময়ের হিসেব কষে?
না মেলা গণিতের গরমিলেই থেকে যায়

বাসনার অতৃপ্ত আঁকুতি!

রচনাসময়: বিকাল ০৪টা ০২ মিনিট
রচনাতারিখ: ০৯ই আগস্ট, ২০২২ সাল

Clinging to Dissatisfaction
———————- Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.