Categories
অনলাইন প্রকাশনা

অনুভূতিরা অযত্ন সয়না!

অনুভূতিরা অযত্ন সয়না!
——————- রমিত আজাদ

কাকে পাঠাবো নির্বাসনে বলো?
কষ্টকর ধুসর স্মৃতিগুলোকে?
কান্নাচাপা ফিকে অনুভূতিগুলোকে?
অসাধ্য অশান্ত বিবশ বাসনাগুলোকে?
প্রতারণার পরিকল্পনা এখনো করিনি জেনো।
এরা যে আমার রঙিন মদিরা বেদনার,
এতগুলো বিক্ষত বছরের নিঃসঙ্গতার সাথী!!!

বুভুক্ষ ভবঘুরের
সারাবেলা একলা রাস্তায় নিরুদ্দেশ ভ্রমণ,
কানাগলির শেষপ্রান্তে অর্থহীন দাঁড়িয়ে থাকা,
আধুনিক গৃহনির্মানের অবিশ্রান্ত শব্দদূষণে
জাগরুক স্মৃতিগুলোকে অবদমন প্রচেষ্টা।

গুনমুগ্ধ লুব্ধক যতই উদ্ধত হোক,
ক্ষীণকায়া তার দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে পরে
সর্বগ্রাসী কৃষ্ণ গহবরে!
তারপর চলে সব বিচূর্ণ কণিকার
অনন্ত পথযাত্রা, মহাকালের সুড়ঙ্গপথে।

ধুলার উপর ধুলা জমে ফিকে হয়ে আসে অনেক স্মৃতি!!!
সে সব স্মৃতিরাও একদিন উজ্জ্বল তরতাজা ছিলো।
যেমন তরতাজা ছিলো আমাদের অনুভূতিগুলো!
যত্ন নেইনি তাদের।
তাইতো ধুলো জমে জমে
স্বপ্নেরা ধুসর হলো নৈরাশ্যের কুজ্ঝটিকায়।
অনুভূতিরা অযত্ন সয়না!
————————————————–
তারিখ: ২৯শে জানুয়ারী, ২০১৯
সময়: রাত ২টা ১৯ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.