Categories
অনলাইন প্রকাশনা

অবিনশ্বর প্যাশন

অবিনশ্বর প্যাশন
———— রমিত আজাদ

তুমি কি জানো,
আমি আজও দিনে কয়েকবার তোমাকে স্মরণ করি?
তুমি কি জানো,
আজও কখনো কখনো
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় তোমাকে স্বপ্নে দেখে?
অঝোর ধারায় কান্না কেমন হয় তুমি কি জানো?
সিলেটের সালুটিকরে কাটিয়ে আসো একটি বর্ষা,
তাহলেই বুঝবে, বুকভাঙা কান্নার স্বরূপ কেমন হয়!

কে বলে অতিরিক্ত কিছু ভালো নয়?
আমি অতিরিক্ত ভালোবাসতেই চেয়েছিলাম।
মাত্রাতিরিক্ত প্যাশনে নিমজ্জিত হয়ে
নিজেকে ডুবাতে চেয়েছিলাম।
পাগলের মত যদি ভালোবাসা না যায়,
তাহলে কিসের প্যাশন?

আমি ডুবেছি, সত্যিই ডুবেছি!
তাইতো রাতের পর রাত জাগি বেঘোর!
দিনের পর দিন হাটি ঘোরের মধ্যে!
এভাবে হাটতে হাটতে কোন একদিন
বাসের চাকায় পিস্ট হয়ে যাবো!
সেদিন তুমি কি
নিরাপদ সড়ক আন্দোলন করবে?

বাদ দাও ওসব আন্দোলন-ফান্দোলন,
আন্দোলনগুলো আপাতত নিস্ফল।
তার চেয়ে কিছু লাল ফুল নিয়ে এসো।
পাপড়ি ছিড়ে ছিড়ে ছড়িয়ে দিও
আমার সমাধির উপর!
একটু যত্ন করে সমাধিপৃষ্ঠে এঁকে দিও,
সবুজ আর লালের ফুলেল আল্পনা।
মনে রেখো,
ঐ সমাধি সিন্দুকের ভিতর
গুপ্তধন হয়ে লুকিয়ে আছে,
একরাশ ভালোবাসা, আর
মাত্রাতিরিক্ত প্যাশন!!!

———————————-
তারিখ: ৩রা মার্চ, ২০১৯
সময়: রাত ২টা ২৩ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.