Categories
অনলাইন প্রকাশনা

অশ্রুর জলরঙ ছবি

অশ্রুর জলরঙ ছবি
—————— রমিত আজাদ

আসা আর বসা আর চোখ ভরে হাসা,
মনগড়া উপাখানে অভিসারে ভাসা!
ভালো হয় যদি আর এইঘরে না আসো,
ভালো হয় যদি আর এইভাবে না হাসো।
কেন হও অসময়ে উন্মুখ ঘূর্ণি?
কেন হও ব্যাথাভারে চঞ্চল ঊর্মি?
চাতকীর তৃষ্ণা ব্যাথাতুর হাওরের,
নীলাচল অম্বুদ ধূপছায়া সায়রের।
যাদু মাখা কথা শুনে এতটাই অস্থির?
ছন্দের যাদুকর বিমোহক কৃষ্টির?

ছন্দের মানে নয় প্রণয়ের কবিতা।
মন্দেও ছন্দতে কথকতা বলে তা!
বচনেই কেড়ে নেই লোচনের দৃষ্টি,
জীবিকার সন্ধানে এই অনাসৃষ্টি।
নাহি পাবে তৃপ্তি পেশাগত ছন্দে,
কবিতার সুর কাঁদে মুদ্রার দ্বন্দে।

অকালেও নেমে আসে ঘনঘোর বর্ষণ,
সেই সুর চমকায় সেতারের ঘর্ষণ!
তবু হিম হয়ে আসে সমীরণ-প্রকৃতি!
অকালীন গরমিল খুঁজে ফেরে প্রতীতি!

চঞ্চল ঊর্মির ভুল করা রূপায়ণ,
অশ্রুর জলরঙে চিত্রের আলাপন!
জীবনের ক্যানভাসে আঁকা হবে কান্না,
বেদনার রঙে মাখা হীরা-চুনী-পান্না।

অসমান অনুরাগে ভৈরবী রাগ নেই,
কেটে যাবে তাল-লয়, সঙ্গীতে ভাব নেই!
থেমে যাও বালিকা ডুবে যাবে পাথারে,
আমাকেও ডুবাবে, নিশিডাকা আঁধারে।
ডুবে ডুবে সাঁতরে আমি বড় ক্লান্ত!
ঢের হলো মন হারা, এইবেলা ক্ষান্ত।

————————————-
তারিখ: ২৮শে ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
সময়: রাত ৪টা ৫২ মিনিট

Watercolour Tears
—————- Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.