Categories
অনলাইন প্রকাশনা কবিতা সৃজনশীল প্রকাশনা

আজ আমি একটি কবিতা লিখবো

—————————- ডঃ রমিত আজাদ

আজ আমি একটি কবিতা লিখবো,
কবিতাটি শুধুই তোমার জন্য।
আসলে আজ আমি অন্য কিছু লিখতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু মনে শুধু কবিতাই ঘুরপাক খাচ্ছে,
কেন খাবেনা বলো?
আজ যে আমার তোমার কথা মনে পড়েছে।
জানো আজ আমি কাজে যাইনি,
মন ছুটে গেলো যে!

অনেকক্ষণ বাগানে হেটেছি আনমনা ,
নাগরিক কোলাহল ছেড়ে কিছুটা নির্জনতা!
উদাসী বাউলের সুরে নেচে ওঠা রঙিন প্রজাপতি,
ফুলেদের কলরবের রঙে রঙে আঁকা নিঝুম স্মৃতির ছবি।

কাল্পনিক তোমার অবয়বের সাথে
আমি এলোমেলো অনেক কথা বলেছি।
সারি সারি ফুটে থাকা গাঁদা ফুলের মধ্যে দেখেছি
তোমার হলুদ শাড়ী,
বাগানবিলাসের রঙে দেখেছি
তোমার গোলাপী ওড়না।
নীল অপরাজিতার বর্ণে দেখেছি
তোমার কামিসের শোভা,
কি অদ্ভুত সুন্দর লাগতো তোমাকে ঐ রঙে!
গাছ জুড়ে ফুটে থাকা অজস্র শিরীষ ফুল,
ঝরে ঝরে আল্পনা এঁকেছে তোমার আঁচলে,
ওর একটি কুঁড়িয়ে নিয়ে তোমার খোঁপায় দিলাম।
একমুঠো মোলায়েম রোদ ছড়িয়ে দিলাম তোমার চোখে,
অলকানন্দার সুরভী মাখা শিশিরে ভিজিয়ে নিলাম আমার নয়ন।

সেই ভেজা নয়নে দেখি বাগানের একপাশ ঘেঁষে,
দুটি শালিকের পাশাপাশি বসে থাকা,
সুপুরীর ডালে কেঁপে কেঁপে ওঠা একটি অস্থির দোয়েল পাখী।
না আমি শালিকের মতো সসঙ্গী স্থির নই,
বরং ঐ দোয়েলটির মত একেবারেই নিঃসঙ্গ অস্থির!!!!!

জানিনা কবিতাটি তোমার কেমন লেগেছে,
আসলে কবিতা নয়, আমি চেয়েছিলাম
তোমার কাল্পনিক অবয়বের সাথে
কিছু কথা বলতে, একটুও গোছানো নয়, ভীষণ এলোমেলো!!!
এই অস্থির আমি কি আর গুছিয়ে কিছু বলতে পারি?

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.