আফগান যুদ্ধ: দূর থেকে দেখা, শোনা ও কিছু স্মৃতি – ৭

আফগান যুদ্ধ: দূর থেকে দেখা, শোনা ও কিছু স্মৃতি – ৭
———————————————————- রমিত আজাদ

গত পর্বে সবচাইতে বেশি কমেন্ট পেয়েছি। সব বয়সী পুরুষরা কমেন্ট করেছেন। এটাই স্বাভাবিক। কেবল সৈয়দ মুজতবা আলী আর কাজী নজরুল ইসলাম-ই রোমান্টিক ছিলেন না, এই পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষই রোমান্টিক!

‘শবনম’ বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী রোমান্টিক উপন্যাস! সৈয়দ মুজতবা আলী-র রচিত এই উপন্যাসটির নায়িকা শবনম-ও একজন আফগান তরুণী ছিলো। আফগানিস্তান মানে কেবল অস্ত্রের ঝনঝনানি নয়, আফগানিস্তান মানে কেবল শশ্রুমন্ডিত দীর্ঘদেহী বলিষ্ঠ সাহসী পুরুষদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নয়; আফগানিস্তানে শবনম-ফারজানা-দের মত মায়াময় রূপসীদের অনুরাগের উষ্ণতাও রয়েছে!

শোনা যায় যে, আফগানিস্তানে যুদ্ধ করতে গিয়ে অনেক রুশ সৈনিক তরুণরাই শবনম-ফারজানা-দের ডাগর আঁখির দৃষ্টির মায়াজালে বাঁধা পড়ে গিয়েছিলো! এই সম্পর্কে লিখবো কোন একটি পর্বে।

যাহোক, ফারজানা প্রসঙ্গে গত পর্বে যা লিখেছিলাম, তাতে অনেকেরই ঐৎসুক্য সৃষ্টি হয়েছে। আমিও নিজের মনে কয়েকদিন প্রশ্ন করেছিলাম, ফারজানার আম্মা আমাকে ডাকলেন, অথচ তিনি একবারের জন্যও আসলেন না। আমি ঢোকার পথে অথবা বের হবার পথে একবার অন্তত ঈদ শুভেচ্ছা জানানোর জন্য দাঁড়াতে পারতেন। সেটাও তিনি করেননি। আমি উনাদের সুসজ্জ্বিত বসার ঘরে একলা ছিলাম, আর কেউই ঐ ঘরে ছিলো না সেদিন। ঠিকআছে নিজে যখন আসলেন না, তখন তিনি খাবারটা তার ছেলের হাতেও পাঠাতে পারতেন। সেটা না করে তিনি তার তরুণী মেয়েটার হাতেই খাবারটা পাঠালেন। কেন? অবশ্য আমিও মনে মনে সেটাই চাইছিলাম। আচ্ছা, এমনও তো হতে পারে যে, ফারজানা নিজেই তার মাকে বলেছে যে, “মা, খাবারটা আমি নিয়ে যাই?” মা তাকে অনুমতিটা দিয়েছে। আমি পরিবারটাকে এতদিন যেমন দেখেছি, তাতে তাদেরকে কট্টর রক্ষণশীল মনে হয়নি। আবার অধার্মিকও মনে হয়নি। ওদের ঘর থেকে আমি নামাজ পড়ার শব্দ শুনেছি। ফারজানা বা তার মাকে যেমন কোনদিন বোরখা পড়া অবস্থায় দেখিনি; তেমনি কোনদিন কোন উগ্র পোশাকেও দেখিনি, বরং শালীনতার মধ্যেই দেখেছি সর্বদা। দশটা বাংলাদেশী মুসলমান পরিবার যেমন চলে তেমনি ছিলো ওদের লাইফস্টাইল।

প্রশ্ন ছিলো যে, কেন এই পরিবারটি ছিলো গৃহত্যাগী বা দেশত্যাগী? আমি এই নিয়ে ওদেরকে কখনো কোন প্রশ্ন করিনি। প্রশ্নটি বিব্রতকর তাই। বিনা কারণে তো কেউ আর দেশত্যাগ করে না! শোনা যায় যে, যারা কম্যুনিস্ট ছিলো বা কোন কারণে রাশিয়ানদের সাথে কলাবরেশন ছিলো, তারা মুজাহিদদের ভয়ে দেশত্যাগ করেছে। ফারজানার দাদা তো নামাজ পড়তেন, ইসলামী কায়দায় সালাম বিনিময় করতেন! ঈদ পালন করা, কোরবাণী পালন করা এই পরিবারটি কি কম্যুনিস্ট ছিলো?

অন্য কোন কারণও থাকতে পারে। হয়তো তখন তারা যেখানে থাকতেন সেখানে ব্যাপক সমস্যা ছিলো, তাই আর তাদের পক্ষে সেখানে থাকা সম্ভব হয়নাই। কতরকম বিপদে-আপদেই তো মানুষ পড়ে! ‘এভরিওয়ান হ্যাস হিজ অর হার ওউন স্টোরী’! ওদের দেখে আমি মাঝে মাঝে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে ধন্যবাদ দিতাম, উনারা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে আমাদেরকে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন। তারপর যেভাবেই হোক না কেন, দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছেন। তাই আমাদের একটা থাকার দেশ বা ঘর আছে, উদ্বাস্তু হয়ে পৃথিবীতে ভেসে বেড়াতে হয় নাই।

ওদের রান্না করা সেদিনের খাবারগুলি খুব সুস্বাদু ছিলো! জানিনা কে রান্না করেছিলো; ফারজানা, না ওর মা। তবে যে পায়েশটা আমাকে খেতে দিয়েছিলো সেটার স্বাদ একেবারে আমাদের বাংলাদেশী পায়েশের মত ছিলো। সেই ঘন দুধ, এলাচ, দারুচিনি, কিসমিস ও গোলাপজলের সুগন্ধীতে ভরপুর! ভাবলাম, কারা কাদের কাছ থেকে এই রান্না শিখেছে, আফগানদের কাছ থেকে আমরা, নাকি আমাদের কাছ থেকে আফগানরা? যাহোক, ফারজানা যখন বসার ঘরটিতে প্রবেশ করেছিলো, আমার কাছে সেটা প্রত্যাশা পুরণের মত ছিলো। ওকে দরজায় দেখেই আমি পুলকিত হয়েছিলাম। আমি মনে মনে এটাই চাইছিলাম। আমি আরো চাইছিলাম, যে ও কাছে বসুক, আমরা কিছুক্ষণ গল্প করি। ও আসলে একটু সময় বসে ছিলোও! আমি আসন পেতে মেঝেতে বিছানো গদিতে বসেছিলাম। ফারজানা ট্রে-টা হাতে নিয়ে, হাটু গেড়ে গদির উপর ট্রে-টা রাখে। তারপর দুইপা ভাজ করে গাদিতে বসে পড়লো। আমি জানি কোন রুশ মেয়েই এভাবে বসতে পারে না। মেঝেতে বসার অভ্যাস ওদের নাই। ফারজানার বসার ভঙ্গিটা ছিলো ঠিক বাঙালী মেয়েদের মত। বসার পর ট্রে-র খাবার পেয়ালাগুলো, চায়ের কাপ একটু সময় ধরে গোছালো। এসময়, ওর গোলাপ-পেলাব হাতের নাড়াচাড়া দেখে আমি মুগ্ধ হচ্ছিলাম। এসময়ই আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম, “ফারজানা, তুমি কেমন আছো?” তার উত্তরে খুব নিচুস্বরে বা প্রায় নীরবে ও কিছু বলেছিলো, যেটা কিছু না বলার মতই; আবার হয়তো অনেক কিছুই বলা! লোকে বলে, এরকম সময়ে নাকি চোখে চোখে কথা হয়! কিন্তু আমার সেই সুযোগও ছিলো না। ফারজানা মাথাটা নিচু করে ছিলো, আমার দিকে ঠিকমত তাকায়ওনি। তারপর কি মনে করে যেন দ্রুত গদি থেকে উঠে, দ্রুতই রুম থেকে বেরিয়ে গেল। এরপর যখন ট্রে-টা নিতে আসলো, তখনও কোন কথাই বললো না! ঐদিন লজ্জায় ওর এতটা কুঁকড়ে যাওয়া দেখে আমিও বিস্মিত হয়েছিলাম!

জানি না তো আঁখি তার, চেয়ে থাকে কোথা।
চোখে চোখ রেখে তব হলো না তো দেখা!
নাই যদি দেখো তবে কেন আছে আঁখি?
নাকি তুমি অগোচরে, দিতে চাও ফাঁকি?

কথা যদি নাই বলো, এলে কেন তবে?
চাঁদমুখে আলো জ্বেলে, থাকিলে নীরবে।
স্নিগ্ধ ও দু’টি চোখে কোন মরুদান?
আরো কিছু কথা ছিলো, আরো কিছু গান!


যে স্টুডেন্টস টাউনে থাকতাম, ওখানে প্রায়শঃই দুইজন তরুণকে দেখতাম। ওদের ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন, চলাফেরা ইত্যাদি দেখে মনে হতো যে ওরা আফগানী। তবে কথা হয়নো কখনো। ওদের দেখে মনে হয়েছে যে ওরা ছাত্র নয়। শহরে অনেক আফগান-ই আছে যারা পড়ালেখা করে না, ব্যবসা বা কাজ করে। সেদিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়, ওদের চোখে চোখ পড়লো, ওরা একটা বিল্ডিংয়ের সিঁড়িতে বসে ছিলো। আমাকে দেখে ডাকতে শুরু করলো, “এদিকে আসো, এদিকে আসো।” আমি বুঝতে একটু সময় নিলাম, আমাকেই ডাকছে তো? যখন নিশ্চিত হলাম যে, আমাকেই ডাকছে, তখন এগিয়ে গেলাম। খুব আন্তরিকভাবে কথা বলতে শুরু করলো ওরা দু’জন। ” তোমাকে তো প্রায়ই এখানে দেখি। তুমি কোন দেশের? বাংলাদেশ?” আমি বললাম, “হু, বাংলাদেশ।”
ওরা: মুসলমান, তাই না?
আমি: হু, মুসলমান। তোমরা আফগানী?
ওরা: হুম, আমরা আফগানী।
আমি: ভালো।
ওরা: তুমি কি ছাত্র?
আমি: হ্যাঁ, আমি ছাত্র। তোমরা?
ওরা: আমরা ছাত্র না। বাজারে ব্যবসা করি।
তারপর কিছুক্ষন এটাওটা কথা বলার পর, আমি বললাম,
আমি: আমাদের দেশের একজন বিখ্যাত লেখক, তোমাদের দেশ নিয়ে বেশ কিছু বই লিখেছেন।
ওরা: তাই নাকি? কি নাম উনার?
আমি: সৈয়দ মুজতবা আলী। তিনি আফগানিস্তানে ছিলেন তো।
ওরা: ভালো ভালো।
আমি: ‘শবনম’ শব্দের অর্থ কি?
ওরা: সৈয়দ মুজতবা আলী কিছু লিখেছেন ঐ শব্দ নিয়ে?
আমি: হ্যাঁ, উনার লেখা একটা উপন্যাসের নাম।
ওরা একজন আরেকজনার মুখের দিকে তাকালো। বুঝলাম শব্দটার মোক্ষম অনুবাদ রুশ শব্দ খুঁজছে। অনেক সময় একভাষার শব্দ, অন্য ভাষায় ডায়রেক্ট ট্রান্সলেট করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন তামিল ‘মালারে’ শব্দটার আমি সরাসরি অনুবাদ কোন শব্দই খুঁজে পেলাম না, অবশেষে তার অনুবাদ করেছি ‘পুষ্প-রূপসী’। যাহোক, তারা ‘শবনম’ শব্দের অনুবাদ কিছুক্ষণ ভেবে বললো, ‘মারাসিট’ (রুশ শব্দ моросит)। এবার আমি ভাবতে শুরু করলাম, এটার বাংলা অনুবাদ কি করা যায়?

রাশিয়ায় এক ধরনের বৃষ্টি হয়, তার নাম ‘মারাসিট’। এটাকে বাংলায় ‘গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি’ ঠিক বলা যাবে না। কারণ বাংলাদেশে যেই ‘গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি’-টা হয়, ‘মারাসিট’ তার চাইতেও অনেক হালকা। তবে ন্যাচারাল এই ফেনোমেনা-টা অদ্ভুত সুন্দর! সৈয়দ মুজতবা আলী-র নায়িকা ছিলেন সেই ‘শবনম’।

আমার ডরমিটরির রাস্তার উল্টা দিকে ছিলো কালচারাল ইনস্টিটিউট-এর ডরমিটরি। সেখানে আমাদের এক বাংলাদেশী বড়ভাই থাকতেন। ভালোমানুষ ও কালচারড এই ভাইটি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। উনার রুমে গেলে কথাবার্তা বলে আমি শান্তি পেতাম। কালচারাল ইনস্টিটিউট-এর ডরমিটরি তাই সেখানে নারীর আধিক্য ছিলো বেশি, আর বেশিরভাগই ভীষণ রুপসী। নাচ-গান-আর্ট ইত্যাদি সাবজেক্টে পড়ালেখা করতো তারা। ডরমিটরি-তে প্রায়শঃই নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন হতো। আমার কালচারাল লাইনে আগ্রহ আছে, তাই অনুষ্ঠানগুলো দেখতে যেতাম আমি। বড়ভাই যেই ফ্লোরে থাকতেন সেই ফ্লোরেই দুজন আফগান ছাত্র থাকতো। ওদের সাথে আমার পরিচয় হয়েছিলো ভালো। একদিন সন্ধ্যায় ওখানে গিয়েছে, তা করিডোরে আমাকে দেখে ঐ আফগানী ছাত্র দুইজন দাওয়াত দিয়ে বসলেন। আমি বললাম, “কিসের দাওয়াত?” তারা বলে কিছু না। আজ উইকএন্ড না? তাই আমরা একটু বসলাম, তুমিও আসো। দাওয়াত কবুল করে, ঢুকলাম তাদের রুমের ভিতর। ঢুকে দেসাখি যে, সেখানে আরো ছয়সাতজন আছে। তারা গোল হয়ে বসেছে, মাঝখানে একটা হারমোনিয়াম, আর একজোড়া বায়া-তবলা। আমি জানতে চাইলাম, “গানের জলসা হবে?” তারা বললো, “ঐ একটু আধটু!” এটা আমার জন্য আনন্দের গানের জলসা পছন্দ করি আমি। একটু পরে সামান্য বয়স্ক একজন আফগানী আসলেন। কুশল বিনিময় করে, বসে গেলেন হারমোনিয়াম নিয়ে। এক টান দিয়ে বাজাতে শুরু করলেন হারমোনিয়াম, সাথে সাথে পুরো ঘরে সুরের মূর্ছনা শুরু হলো! হারমোনিয়াম বাজানো দেখেই বোঝা যায়, কি ফ্রী হাত! পাশে আরেকজন তবলায় ঝড় তুললেন! শুরু হলো গজল গাওয়া। গায়কের গানের গলাও অদ্ভুত সুন্দর! মনে হলো যেন ‘মেহেদী হাসান’ বা ‘গোলাম আলী’-র গান শুনছি! তবে ভাষা-টি বুঝতে পারলাম না! ঊর্দু-হিন্দি যে নয়, এটা বুঝতে পারলাম। পরপর কয়েকটি গান গেয়ে তিনি বিরতী নিলেন তিনি। আমি জানতে চাইলাম, “কোন ভাষা এটা?” তারা বললেন, “আফগানী ভাষা ‘দেরি’ (দারি)” আমি জানতে চাইলাম, “এটা কি আফগানিস্তানের একমাত্র ভাষা?” তারা বললো যে, “না, এটা একমাত্র ভাষা না। আফগানিস্তআনে আরো ভাষা আছে।” বুঝলাম পাকিস্তান বা ভারতের মত অবস্থা, বহুভাষীদের দেশ। আমার মনে একটা প্রশ্ন সবসময়ই কাজ করেছিলো, আজও করছে, ‘ঘোরতর জাতীয়তাবাদের এই যুগে, বহুভাষীদের দেশগুলি টিকে থাকে কিভাবে? কোন বন্ধন তাদেরকে একত্রে রাখে?” কেউ যদি বলে যে, ভাষা বা জাতি আলাদা হোক কিন্তু ধর্ম তো একটা, তাই ধর্মীয় বন্ধন তাদের একসাথে ধরে রাখে যেমন, ভারতে বা পাকিস্তানে। তাহলে, আমি প্রশ্ন করবো, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান তো একসাথেই, এক ভুখন্ড, এক ধর্মও তাহলে তারা সম্মিলিত রাষ্ট্র গঠন করতে পারছে না কেন? ইরাণী ফার্সী থেকে আফগানী ফার্সী বা দারি ভাষার দূরত্বও খুব বেশি নয়, ধর্মও এক; তাহলে ইরাণ কেন আফগানিস্তানকে একীভূত করতে পারছে না?

যাহোক, গানের মাঝে শুরু হলো আফগানীদের খানাদানা। ভেড়ার মাংসের সাথে রাশিয়ান ব্রেড। সালাদের ব্যবস্থা ছিলো। মাংসের ব্যবস্থা ছিলো রুটির চাইতে বেশি, মানে রুটি দিয়ে মাংস নয়, যেন মাংস দিয়ে রুটি খাচ্ছে! মাংসের সুঘ্রাণে মম করছিলো ঘর! বুঝলাম নানান রকম মশলার ব্যবহার রয়েছে তাতে। ঘ্রাণেই এ্যাপেটাইট তৈরী হয়ে গেলো! মাংস মুখে দিয়ে দেখলাম রান্নার অপূর্ব স্বাদ। এত স্বাদের মাংস আমাদের দেশে শুধু বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতেই হয়! সেদিন বহু রাত পর্যন্ত ঐ জলসা বা মাহফিলে ছিলাম। একদিকে পেটপুরে সুস্বাদি খাবার, আরেকদিকে ফার্সী গজলের সুরের ইন্দ্রজাল! এ যেন আমাকে নিয়ে গেলো ঐতিহ্যবাহী কোন পার্শিয়ান রজনী-র যুগে!

(চলবে)

রচনাতারিখ: ২২শে আগস্ট, ২০২১ সাল
রচনাসময়: রাত ০১ টা ৫৭ মিনিট

Afghan War: My memories – 7
—————————- Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.