Categories
অনলাইন প্রকাশনা

আমি আসবো নিশ্চয়ই

আমি আসবো নিশ্চয়ই
—————– রমিত আজাদ

দিশেহারা বাতাসে দোল খাওয়া মাধবীলতার
তন্দ্রাহারা গোলাপী-সাদা পাঁপড়িগুলোর উপর
যখন উড়ে যায় ঝাঁকে ঝাঁকে জোনাকী পোকা,
বিন্দু বিন্দু আলোর দীপ নেচে নেচে মিলে যায়
আকাশের তারাদের সাথে, অলৌকিক কুহেলিকায়।
নক্ষত্রের আভা আর জোনাকীর প্রভা
মিলেমিশে একাকার হয়ে হয় সীমাহীন মিতালী।

বৃষ্টিসিক্ত যুথিকার তলে বসে পথকলি বালিকার
নিপুন হাতে গাঁথা তৃষিত বরষার নীপ-মালা,
সযত্নে তুলে দিতে চাই তোমার স্ফটিক কন্ঠে।
যেই তুমি বাতায়নে চেয়ে আছো দূরে একাকিনী,
নিষ্ফল দৃষ্টিতে শূন্যতা নিয়ে বিরহ ব্যথায় বিরহিনী।

চিরন্তনা স্বপ্ন-সঙ্গিনী,
তোমার উতলা প্রতীক্ষার অবসানে
আমি আসবো।
আমি আসবো আকাশের মেঘ সরিয়ে,
আমি আসবো তুফানের বেগ মাড়িয়ে।
আমি আসবো পাহাড়ের কাঠিন্য মন্থনে,
আমি আসবো পাথারের তরঙ্গ লঙ্ঘনে।

বিরহিনীর অভিমানি আঁখি-জল মুছে দিতে,
দীপ-নেভা সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর,
আমি আসবো নিশ্চয়ই।
মনোরমা, তুমি কি অপেক্ষা করবে বাসনায়?

————————————————-
তারিখ: ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮
সময়: ভোর ৪টা ৫৫ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.