ইউক্রেণের ইন্না (পর্ব – ঞ)

কিছু গল্প লেখা যায় না – ১
——————————– রমিত আজাদ

ইউক্রেণের ইন্না (পর্ব – ঞ)

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

যারা সমাজের ক্ষমতায় থাকে, তারা ক্ষমতা হারাতে চায় না। তাই তারা বরাবরই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাসীনদের পক্ষেই থাকে। মন থেকে না থাকলেও, মুখে মুখে তাদের পক্ষ থেকে কথা বলে। রাষ্ট্রবিদ্যার ক্লাসে কিংবদন্তী কলেজ শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন স্যার পড়িয়েছিলেন, “বড় বড় ব্যবসায়ীরা সব সময় ক্ষমতাসীন দল করে। এতে তাদের ব্যবসায় সুবিধা হয়। দ্রুত ও সহজে লাইসেন্স-পারমিট ইত্যাদি পাওয়া যায়।” এই তীর্যক চর্চাগুলো বিকশিত হতে হতে এখন এমন একটা পর্যায়ে চলে এসেছে যে, যিনি ব্যবসায়ী তিনিই রাজনীতিবিদ, যিনি রাজনীতিবিদ তিনিই ব্যবসায়ী!

সুস্থ দেশে রাজনীতিবিদদের ব্যবসা থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন, যাতে তারা ক্ষমতায় আরোহন করে, এমনকি বিরোধী দলে থেকেও ব্যবসায়ীদেরকে কাউন্টার করতে পারে। অর্থাৎ, ব্যবসায়ীচক্র কার্টেল বা সিন্ডিকেট তৈরী করে যদি দ্রব্যমূল্য, বেতন-মজুরি, ইত্যাদি অবৈধ বা অমানবিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে যে, সমাজের মেজরিটি এতে অমানবিকভাবে এক্সপ্লয়টেড হয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর এর ফলে তারা ব্যবসায়ীরা সীমাহীন মুনাফা অর্জন করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলতে শুরু করে; তাহলে যেন রাজনীতিবিদরা এর পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু যিনি ব্যবসায়ী তিনিই রাজনীতিবিদ, যিনি রাজনীতিবিদ তিনিই ব্যবসায়ী, এই পরিস্থিতি হলে, এরা মিলেঝিলে দেশের আপামর জনগণকে এমনভাবে এক্সপ্লয়েট করা শুরু করে যে তার আর প্রতিকার করার কেউ থাকে না। তখন রাষ্ট্রযন্ত্রই রাস্ট্রের জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে শুরু করে!

সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতে প্রাইভেট মানে ব্যাক্তি-মালিকানাধীন ব্যবসা-বাণিজ্য ছিলো না। তবে সেখানে ছিলো আরেক ইন্টারেস্টিং বিষয়: আমলা এবং রাজনীতিবিদ এটাও দুইটি ভিন্ন ভিন্ন পেশাজীবি গোষ্ঠি। রাজনীতিবিদ-দের একাংশ নির্বাচিত হয়ে জনপ্রতিনিধি হিসাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহন করবে, তারপর তাদের নির্ধারিত নীতিমালা-কে আমলারা এক্সিকিউট করবেন, এটাই হলো সুস্থ রাষ্ট্রীয় চর্চা। কিন্তু সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতে যা ঘটেছিলো তা হলো, যিনি রাজনীতিবিদ তিনিই আমলা, আবার যিনি আমলা তিনিই রাজনীতিবিদ! ফলে আমলাতন্ত্র এমনভাবে জাকিয়ে বসেছিলো যে, এর থেকে আর কোন পরিত্রাণ জনগণের মিলছিলো না।

আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সে পড়ি, তখন আমার একজন শিক্ষক ছিলেন যিনি ফিজিক্স পড়াতেন। উনার নামের প্রথম অংশটা ছিলো ‘জুরাব’। পড়ালেখায় ভালো হওয়ার কারণে তিনি আমাকে বিশেষ স্নেহ করতেন। আমাকে একবার সিনিয়র এক স্টুডেন্ট বললেন, “সুযোগ নাও না কেন?” আমি বললাম, “কিসের সুযোগ?” তিনি বললেন, “জুরাব শিক্ষক তো তোমাকে বিশেষ পছন্দ করেন। তুমি কি জানো, সে কে?” আমি বললাম, “তিনি আমাদের শিক্ষক, এর বেশি তো আর কিছু জানিনা।”
তিনি: হাঃ হাঃ হাঃ। তিনি তো এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্যুনিস্ট পার্টির একজন বিশিষ্ট নেতা। বেশ পাওয়ারফুল মানুষ! তিনি চাইলে অনেক কিছুই করতে পারেন!
আমি: বিষয়টা কি?
তিনি: আরে এই দেশের সিস্টেম-ই এই। সবখানেই একজন কম্যুনিস্ট পার্টির নেতা বসিয়ে রাখে যাতে সে, ঐ জায়গাটাকে পার্টির নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
আমি: যতদূর জানি যে এটা আমলাদের কাজ।
তিনি: এই দেশে যিনি পার্টিনেতা তিনিই আমলা।
তখন আমার মনে পড়লো যে, জুরাব স্যার একবার “আমার পার্টি মিটিং আছে। তাড়াতাড়ি যেতে হবে।” এই বলে তড়িঘড়ি করে ক্লাস থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।
সেই সিনিয়র স্টুডেন্ট-এর কথায় বুঝেছিলাম যে, গণতন্ত্রহীন একদলীয় শাসনতন্ত্রের দেশে পার্টি নেতাদের অনেক ক্ষমতা! সেই ক্ষমতা এনজয় করার জন্যে অনেক স্কলারও পার্টিনেতা হয়ে ওঠেন! আর পার্টিনেতারাও হয়ে ওঠেন আমলা!

গত বিংশ শতাব্দির রাজনীতিতে সবচেয়ে বিস্ময়কর ও চমকপ্রদ ঘটনার উল্লেখ করতে বলা হলে মনে হয়, সবাই কম্যুনিজম তথা মার্কসবাদের উত্থান-পতনকেই উল্লেখ করবেন। কেননা, এর উত্থান যেমন বিস্ময়কর, ঠিক তেমনিভাবে এর পতনও বিস্ময়কর | সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মার্কসবাদী কম্যুনিস্টরা যখন ক্ষমতা দখল করে, তখন থেকে সত্তর দশক পর্যন্ত তামাম দুনিয়ায় মার্কসবাদ-কম্যুনিজম তথা সমাজতন্ত্রের প্রভাব ছিল
অনস্বীকার্য্য। বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর ইউরোপ, এশিয়া, দক্ষিন আমেরিকা ও আফ্রিকায় একে একে অনেক দেশেই মার্কসবাদী-কম্যুনিষ্টরা ক্ষমতা দখল করে; এবং যেসব দেশে তারা ক্ষমতা দখল করতে পারেনি যেসব দেশে তারা ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিলো। তখন সারা বিশ্বের বামপন্থী বুদ্ধিজীবীরা এই মতাদর্শকে মানবাধিকারের বিজয়, শোষণ-নিপিড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে কৃষক-শ্রমিক তথা মেহনতি মানুষের বিজয়, মানবের মৌলিক চাহিদা পূরণের বিজয়, প্রগতিশীলতার বিজয়, রাষ্ট্র কর্তৃক সমাজের পরিচালনা, সমাজের বৃহৎ জনগোষ্ঠী শোষিত সর্বহারাদের রাজত্ব বা শাসন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি চটকদার সব নামে প্রচার করত। একইসাথে তাদের বিরুদ্ধপক্ষকে সর্বদা শোষক, বুর্জোয়া, সাম্রাজ্যবাদী, প্রতিক্রিয়াশীল, মৌলবাদী ইত্যাদি নামে অপবাদ দিত। এটাই ছিলো তাদের রাজনৈতিক স্ট্র‍্যাটেজি ও কর্মকাণ্ড।

তাদের প্রচারণা ছিল এই যে, একদিন পূর্ব-ইউরোপের মত সমগ্র পৃথিবী জুড়ে কম্যুনিজম কায়েম হবে, ধর্মবিশ্বাস ঠাঁই নেবে ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে। থাকবে না কোন ব্যক্তি মালিকানা-র নিশানা। কম্যুনিস্ট পার্টি শাসিত রাস্ট্রই হবে সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী। অথচ মহাকালের নির্মম পরিহাস, আজ কম্যুনিজম তথা মার্কসবাদই ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত । ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে (বর্তমান রাশিয়া) শুরু হয়ে সমগ্র পূর্ব ইউরোপে কম্যুনিষ্ট সরকারগুলোর ধারাবাহিক পতন ঘটেছে অল্প কয়েকটি বছরের মধ্যে।

কম্যুনিষ্ট বিশ্বের প্রতীক ‘বার্লিন প্রাচীর’-রের একপাশে (পশ্চিমপাশে) লেখা ছিলো কবিতা-গান, আঁকা ছিলো মায়াবী ছবি। আরেকপাশে ছিলো ট্যাংক ও মেশিনগান। পরিশেষে ট্যাংক-মেশিনগান পরাজিত হলো, জয় হলো ছবি, কবিতা ও গানের। ধ্বসে গেলো বার্লিন প্রাচীর! হলো ইতিহাসের অলীক স্বপ্নভঙ্গ! মার্কসবাদ ধর্মকে আফিমের সাথে তুলনা করেছিল, অথচ আখেরে বোঝা গেলো যে কম্যুনিজম-ই ভয়ংকর আফিম! পরিশেষে কম্যুনিজম নামক আফিম থেকে মানুষের মুক্তি মিললো।


আমি: ইন্না, তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?
ইন্না: (হি হি করে হেসে বললো) শোনো সরল ছেলে; কোন এক পুরুষের যদি কোনকালে কোন গার্লফ্রেন্ড নাও থাকে, সে সবসময় গর্বভরে বলে বেড়াবো যে, তার জীবনে অনেক অনেক গার্লফ্রেন্ড ছিলো! কত মেয়েকে যে সে কত কিছু করেছে! আর মেয়েদের ক্ষেত্রে হয় ঠিক তার উল্টাটা; একটা মেয়ের শতটা বয়ফ্রেন্ড থাকলেও সে সবসময় অবনত লাজুক ভঙ্গিতে বলবে যে, তার কোনকালেই কোন বয়ফ্রেন্ড ছিলো না।

এই কথা শুনে আমি একটা বেশ ধাক্কা খেলাম।
এই মেয়েটি ভারী আলোচনা পছন্দ করেনা। বোঝে বলেও মনে হয় না। রূপ আছে মনোহর, কিন্তু মেধা খুব একটা আছে বলে মনে হয় না। মাঝে মাঝে কথার ফাঁকে ফাঁকে দুই-একটা গালিও দিয়ে বসে। আমাদের দেশে যাকে আমরা মুখ খারাপ করা বলি! মুখ খারাপ করা মেয়েদেরকে আমার ভালো লাগে না। আনকালচারড মনে হয়। আবার অনেক ছেলেকে দেখেছি যে, ঐ মুখ খারাপ করা মেয়েদেরকেই প্রেফার করে। বলে যে, মেয়েদের মুখে গালি-বচন শুনলে ঐ মেয়েকে নাকি খুব সেক্সি মনে হয়!

ভাবলাম, ওর সাথে একটু ভারী আলোচনা করি। এতে ওর একটু পীড়া লাগবে তাই ভেবেই ঐ সিদ্ধান্ত নিলাম। মাঝে মাঝে ছেলেরা মেয়েদেরকে কষ্ট দিয়ে মনে আনন্দ পায়! এটা এক ধরনের স্যাডিজম!

বললাম, “ইন্না। সমাজতন্ত্রের পরাজয় ঘটেছে কার কাছে জানো?”
ইন্না চোখ পিটপিট করে আমার দিকে তাকালো। বললো, “কি? কি বিষয়ে বললে?”
আমি: ঐ যে জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে বলছিলাম আর কি!
ইন্না: জাতীয়তাবাদীদের-কে তুমি চেনো?
ওর কথায় বেশ শ্লেষ ঝরে পড়লো। আমি একটু অবাকই হলাম। স্কুল জীবনে আমার জার্মান রাজনীতিবিদ হিটলার ও তার মতাদর্শকে ভালোই মনে হতো। ভাবতাম লোকটা তো বেশ বড় মাপের জাতীয়তাবাদী, মানে প্যাট্রিয়ট ছিলো! তখন আমি ‘জাতীয়তাবাদ’ ও ‘ প্যাট্রিয়টিজম’-কে সমার্থক মনে করতাম। তবে সোভিয়েত ইউনিয়নে আসার পর ভিন্ন মত জানতে পারলাম। ফ্যাসিবাদ-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জাতি হিটলার ও তার মতাদর্শের বিরোধী তো হবেই। তখন-ই বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শগুলো নিয়ে আমার মধ্যে বেশ একটা ধুম্রজালের সৃষ্টি হলো!

আমি: না, ইন্না। জাতীয়তাবাদীদের সম্বন্ধে আমার ভালো জানা নাই, তুমিই বলো। (আমার সামান্য জানা থাকলেও আমি ওর মতামত জানতে চাইছিলাম)
ইন্না: আমার বাবার দেশ জর্জিয়ায় যা ঘটেছিলো সেটা বলছি।
আমি: বলো।
ইন্না: সমাজতন্ত্রের পতন হলো, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলো। আর তখনই ঘটলো ঘটনা। একদল লোক জর্জিয়ায় বসবাসকারী অজর্জিয়ানদেরকে তাদের নিজ ঘর থেকে বের করে দিয়ে ভিটামাটি ছাড়া করলো! তখন আমাদের কিছু আত্মীয়-স্বজনও ঘরছাড়া হয়েছিলো।
আমি: বলো কি?
ইন্না: হ্যাঁ, যারা এই ব্রুটাল কাজটা করেছে, ওদেরকে ‘নাৎসম্যান’ বলে।
আমি: ‘নাৎসম্যান’ কি?
ইন্না: নাৎসীজম বোঝ?
আমি: হিটলারের নাৎসীজম?
ইন্না: হ্যাঁ। ‘নাৎসীওন’ শব্দের মানে বোঝ?
আমি: না।
ইন্না: ওটা জার্মান শব্দ। ওর অর্থ ন্যাশন।
আমি: ও আচ্ছা, ন্যাশন। (মনে মনে ভাবলাম। ‘ন্যাশনালিজম’ তাহলে ঐ নাৎসীজম-ই! তাহলে ‘উগ্র-জাতীয়তাবাদ’ ও ‘মেষ-প্রকৃতির জাতীয়তাবাদ’ এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি? দেখি আরো ভালো করে পড়তে হবে।)
আমি: যারা অজর্জিয়ানদেরকে ভিটামাটি ছাড়া করেছিলো, তারা কি জর্জিয়ান ছিলো?
ইন্না: জ্বীনা, তারা রাশিয়ান-ই ছিলো!
ওর কথা শুনে আমি তো অবাক! খোদ জর্জিয়ায় রাশিয়ানরা অজর্জিয়ানদেরকে ভিটামাটি ছাড়া করলো! এটা কিভাবে সম্ভব?
আমি ইন্নাকে প্রশ্নটা করলাম।
ইন্না: শোনো নয়ন। পৃথিবীটা হলো ‘জোর যার মুল্লুক তার’! পুরো সোভিয়েত জুড়ে এখনও রাশিয়ানরাই বেশি শক্তিশালী। জর্জিয়াতেও তাই। তোমার মনে হতে পারে যে জর্জিয়া তো এখন স্বাধীন রাষ্ট্র, তো ওখানে জর্জিয়ানরাই পাওয়ারে।
আমি: থিওরেটিকালী তাই তো হওয়ার কথা।
ইন্না: ঘোড়ার ডিম! তুমি জানো না। সবখানেই রাশিয়ানরা প্রভাবশালী। আর রাশিয়ানদের যে অংশটা অর্থলোভী, সম্পদলোভী তারাই নানাবিধ গোলযোগ সৃষ্টি করে অপরের সম্পদ কুক্ষিগত করেছে!

মনে পড়লো, কোন এক বন্ধু আমাকে একবার বলেছিলেন যে, ‘বিপ্লবের পর প্রতিবিপ্লব আসে’; আবার আরেক বন্ধু বলেছিলেন যে, ‘প্রতিবিপ্লবের পর বিপ্লব আসে’। কথা তো ঘুরেফিরে ঐই। কোন একটা রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর, পাল্টা আবার আরেকটা ঢেউ আসে। যে সকল রাজনীতিবিদরা জ্ঞানী ও সচেতন, তারা আগে থেকেই পাল্টা ঢেউয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। আর যে সকল রাজনীতিবিদরা জ্ঞানী অথবা সচেতন নন, অথবা তাদের সদিচ্ছার অভাব থাকলে তারা সেই পাল্টা ঢেউ মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত থাকেন না!

(চলবে)


রচনাতারিখ: ২২শে আগস্ট (সোমবার), ২০২২ সাল
রচনাসময়: বিকা ০৪টা ৪৩মিনিট

Some Stories Cannot be Written – 1
————————————– Ramit Azad

পূর্বের পর্বের লিংক:

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.