ইউক্রেণের ইন্না (পর্ব – ব)

কিছু গল্প লেখা যায় না – ১
——————————– রমিত আজাদ

ইউক্রেণের ইন্না (পর্ব – ব)

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

মিখাইল গর্বাচভের ছবিটা টেলিভিশনের পর্দা থেকে সরে যাবার পর। আমি ইন্নার দিকে তাকালাম। আসলে সোভিয়েত ইউনিয়ন, কম্যুনিজম, সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ, ব্রেজনেভ, আফগান যুদ্ধ, গর্বাচভ, এই সব কিছু আমার মনে একটা বিশাল জায়গা করে নিয়েছিলো। খুব সম্ভবত সেই সময়ের চলমান বিশ্ব রাজনীতিতেও এই সবকিছুর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। তাই টিভি পর্দায় মিখাইল গর্বাচভের ছবিটা দেখে এলোমেলো অনেক কিছুই মনে পড়লো। এখন আর গর্বাচভ-ও ক্ষমতায় নেই ‘সোভিয়েত ইউনিয়ন’ নামেও কোন রাষ্ট্র নেই। ‘সোভিয়েত ইউনিয়ন’-এর বিনাশ একটি সত্য আমাদেরকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছিলো, একজন মানুষের যেমন জন্ম-বিকাশ-মৃত্যু রয়েছে, একটি সাম্রাজ্যেরও তেমনি জন্ম-বিকাশ-মৃত্যু রয়েছে, যা ইবনে খলদুন তার ‘আল মুকাদ্দিমা’ গ্রন্থে বহু আগেই বলেছিলেন ও ব্যাখ্যাও করেছিলেন। রোম সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে বৃটিশ সাম্রাজ্য হয়ে, সোভিয়েত সাম্রাজ্য পর্যন্ত ঐ একই চিত্র!

ইন্না: উচ্চ শিক্ষা শেষ করার পর কি তুমি এই দেশেই থেকে যেতে চাও?
আমি: নাহ্‌। আমার সেই ইচ্ছা নাই। তাছাড়া, সোভিয়েত ইউনিয়নে চাইলেই থাকা যায় না। ঘাড় ধরে বের করে দেয়। এই যে এতদিন এই দেশে থাকলাম তারপরেও আমাদের অধিকার বলতে কোন কিছু নাই! আমরা এক প্রকার এলিয়েন।
ইন্না: সোভিয়েত ইউনিয়ন বলতে তো এখন আর কিছু নাই।
আমি: না। নাই। ব্যাপক পরিবর্তনও এসেছে সত্যি, কিন্তু তারপরেও পূর্বের কিছু রেশ তো রয়েই গিয়েছে।
ইন্না: ও আচ্ছা। আমি আবার অত কিছু বুঝিনা। আমি সাধারণ মেয়ে। আমেরিকায় কি অবস্থা?
আমি: আমি তো ঐ দেশে যাইনাই কোনদিন, তবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব যারা আছে তাদের কাছ থেকে যেমন শুনি, আমেরিকায় চিত্র-টা বিপরীত। সেখানে যারা দীর্ঘকাল থাকে তাদের একটা রাইট তৈরী হয়। তাই তাদের বেশিরভাগই ঐ দেশে থেকেই যায়। এমনকি আমাদের দেশের ব্যবসায়ী, আমলারাও চায় যে, আমেরিকায় একটা ঘরবাড়ী করে ওখানে পাড়ি জমাতে। সেটা সম্ভবও। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো যে, সোভিয়েত ইউনিয়নের অনেক ভিপুসনিকই (গ্রাজুয়েট) আমেরিকায় স্থায়ী হয়েছে।
ইন্না: ও আচ্ছা। (ওর কন্ঠস্বরে হতাশা ঝরে পড়লো মনে হয়!)

হঠাৎ করে ইন্না ওর গলায় রাখা স্কার্ফ-টা মাথায় তুলে দিলো। আমি কয়েক সেকেন্ড অবাক হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রইলাম! সহসাই পুরো এ্যাপিয়ারেন্সটাই যেন চেইঞ্জ হয়ে গেলো! ওকে খুব পবিত্র মনে হতে লাগলো! দোতলার আফগান ভদ্রমহিলাটি সবসময়ই হিজাব ব্যবহার করেন। তিনি পুরো পরিবার নিয়ে এই ডরমিটরিতেই থাকেন। উনার তরুণী মেয়েটি কখনো হিজাব পড়ে, কখনো পড়েনা। তবে আমি লক্ষ্য করেছি যে, হিজাব পড়লে তাকে একরকম লাগে, আর হিজাব না পড়লে আরেক রকম লাগে! হিজাব পড়লে একটা ইনোসেন্ট বিউটি তৈরী হয়।

আমি: ইন্না। মাথায় স্কার্ফ পড়া তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে!
ইন্না: (রূপের প্রশংসা শুনে লজ্জ্বায় লাল হলো) সোভিয়েত আমলে কিন্তু আমাদের দেশের বেশিরভাগ নারীই মাথা এভাবে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতো।
আমি: হ্যাঁ, আমি দেখেছি, ‘সোভিয়েত নারী’-দের বেশীরভাগ পোস্টারেই নারীদের মাথা ঢাকা থাকতো। এটাকে কম্যুনিস্ট-রা শালীনতার প্রতীক মনে করতো।
ইন্না: কম্যুনিজমের কথা জানি না। তবে খ্রীষ্টান ধর্মে তো নারীদেরকে মাথা ঢেকে রাখতেই বলা হয়েছে। মাথা না ঢেকে তো চার্চে ঢোকা নিষেধ।
আমি: তা, এখন কি তোমরা তোমাদের অর্থোডক্স ক্রিশ্চানিটির পুরাতন ‘সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে ফিরে যেতে চাও?
ইন্না: নয়ন, তোমাকে বলেছি যে, আমি একটা সাধারণ মেয়ে। আমি অত গভীর কথাবার্তা বুঝি না।
আমি: ইন্টারেস্টিং বিষয় কি জানো? ‘সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে হবে’ অথবা ‘কোন একটি সুনির্দিষ্ট দর্শনকে টিকিয়ে রাখতে হবে’ – এই ভাবনাটাই ‘মৌলবাদ’। অথচ প্রগতিশীলদের একাংশ এই শ্লোগানটাই দেয়।
ইন্না: বুঝিনা। ‘মৌলবাদ’ কি বুঝিনা। ‘প্রগতিশীলতা’ কি বুঝিনা। এগুলোতে আমার কোন আগ্রহও নেই।
আমি: (কৌতুক করে) তাহলে কিসে আগ্রহ আছে তোমার?
ইন্না: প্রেম, ভালোবাসায় আগ্রহ আছে আমার। আমি নারী। আমি চাই কোন এক স্বপ্নের পুরুষ আমাকে মন উজাড় করে ভালোবাসুক। ভালোবাসার জন্যে আমি তাকে সব দিতে পারি!


সন্ধ্যা না বিকেল আমার এখন আর মনে নেই। আমি ও আমার বন্ধু ছাসা মিলে রুমে বসে কফি খাচ্ছিলাম আর গল্প করছিলাম। টেলিভিশনটা অন করাই ছিলো। হঠাৎ সেখানে এরোটিকা দেখানো শুরু হলো। এরোটিকা মানে অর্ধনগ্ন নারীদের দেহ প্রদর্শন! আমি আবিষ্কার করলাম যে, প্যাগান কালচারে বিভিন্ন দেবীদের মূর্তিগুলাও তৈরী করা হয় অর্ধনগ্ন দেহ প্রদর্শন করে! সেটা ব্যবিলন থেকে শুরু করে গ্রীস পর্যন্ত সর্বত্রই। আমার মনে সহজাত ভাবেই প্রশ্ন জাগলো, এমন কেন?

ছাসা লাজুক ছেলে। এরোটিকা দেখে সে লাজুক হাসতে লাগলো!
ছাসা: সোভিয়েত আমলে এমনটা ছিলো না। তখন টেলিভিশনের মত পাবলিক মিডিয়া এইসব ব্যাপারে ভীষণ স্ট্রিক্ট ছিলো। নারীদেহ প্রদর্শন সেখানে কিছুতেই এ্যালাউ করা হতো না।
আমি: হুম, আর এখন তো দিনের মধ্যে কয়েকবারই এরোটিকা দেখানো হয়। আর বেশি বেশি করে দেখানো হয় আমেরিকান কমার্শিয়াল ছবিগুলি, যেখানে সেক্স, ভায়োলেন্স আর টাকা ছাড়া আর কোন কাহিনীই নেই!

তারপর ভাবলাম, কিন্তু হোয়াট ওয়াজ দ্যা রিয়েলিটি? এই বিশাল বড় কম্যুনিস্ট দেশটাতে কি নারীদের আদৌ কোন সম্মান ছিলো? কম্যুনিস্ট-রা তো পুরো দেশটাকে পরিণত করেছিলো একটি বৃহৎ পতিতালয়ে। মিখাইল গর্বাচভ সোভিয়েত-এর মানুষকে সেই অভিশাপমুক্ত করেছিলেন। বাংলাদেশে ‘সমাজতন্ত্রের সংগ্রাম চলছেই, চলবে’ এই শ্লোগান দেয়া লোকগুলো কি প্রাকটিকাল সমাজতন্ত্রের কদর্য রূপটা জানে?

একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। গেলো সামারে বসে ছিলাম বাস-স্টপেজে। আমার পাশে বসা ছিলেন একজন বৃদ্ধা। এই দেশে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা মানেই সত্তর-আশি বছর বয়স। আমাদের দেশে উনাদেরকে বাইরে দেখা যায় কম। খুব সম্ভবত বড় পরিবার থাকার কারণে ও ধর্মীয় কারণে, বাংলাদেশের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদেরকে দেখার কেউ না কেউ থাকে। কিন্তু এখানে পরিবারগুলো নিউক্লিয়ার ও খুবই ছোট। দম্পতিদের সন্তান হয় সাধারণত একটি, বেশি হলে দুইটি। অনেক পরিবারেই শেষ বয়সে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদেরকে দেখাশোনা করার আর কেউ থাকে না। এমনও ঘটনা আছে যে, পরিবারে একটিই ছেলে ছিলো, অথচ সে নিহত হয়েছে আফগান যুদ্ধে গিয়ে! ফলে পিতামাতার আর এই দুনিয়ায় কেউই থাকলো না। যাই হোক, এখানে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদেরকে সব নিজেদেরকেই করতে হয়। তাই রাস্তাঘাটে, বাসে, মেট্রোতে সর্বত্রই উনাদেরকে দেখা যায়। সেদিন আমি যখন বাস-স্টপেজে বসে আছি, আমার সামনে একটা বাস এসে থামলো; ওখান থেকে নামলো রূপসী এক তরুণী। তার পরনে ছিলো খাটো পোশাক। সারা রাশিয়া-ইউক্রেণ জুড়েই তরুণীরা পড়ে থাকে এই খাটো আটসাঁট পোশাক। আমি এটাকে তাদের পার্ট অব কালচার বলেই ধরে নিয়েছিলাম। তা সেই বৃদ্ধা আমাকে বললেন, “দেখেছিস? মেয়েটার গায়ের পোশাক দেখেছিস? কেমন খাটো পোশাক পড়া! নির্লজ্জ্বের মত পুরো পাটাই বের করে রেখেছে! আমাদের জমানায়, ঐ পোশাক কোন মেয়ে পড়লে, তার পায়ে বেত্রাঘাত করা হতো!” এই বলে সেই বৃদ্ধা কপালে ও বুকে ক্রুশ আঁকলো। ঐ দাদীমার কথা শুনে তো আমি হতবাক! তার মানে বেশিদিন আগের কথা নয়, পঞ্চাশ ষাট বছর আগেই, এই দেশে খাটো অশালীন পোশাক এ্যালাউ করা হত না! তার মানে কম্যুনিস্ট আমলেই এইসব চালু হয়েছে!

আমাদের দেশের সাধারণ মানুষদের ধারণা যে, কম্যুনিস্ট দেশ সোভিয়েতে সব সাধু-সন্নাসী থাকতো।
মস্কোর লাল দালানে ফেরেশতাদের লীলাখেলা চলতো। আসলে যে ছিলো ঠিক তার উল্টাটা। ধর্মকে দূরে ঠেলে দিয়ে সেখানে উসকে দেয়া হয়েছিলো অবাধ যৌনতা ও ছিনালী, যার ফল ছিলো শত শত ব্রোকেন ফ্যামিলি ও সিঙ্গেল মাদারস।

(উল্লেখ্য যে, আমাদের দেশকেও প্রগতিশীলতার নামে ঐ দিকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে কম্যুনিস্ট ও ব্রাহ্মণরা। সময় থাকতে সাবধান হওয়া দরকার)

ছাসা: আমি শুনেছি যে, এই পৃথিবীর অন্যতম লাভজনক ব্যবসা হলো, নারীদেহের ব্যবসা। নারী দেহ নিয়ে হয়ে থাকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা। সেটা হয় নানা ফর্মে। ব্রথেল, সেক্স বিজনেস তো আছেই। এর বাইরেও সুন্দরী প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে ফ্যাশন শো, এরোটিক শো, সিনেমায় নাচ-গান, এ্যাডাল্ট সিন, মডেলিং, পর্নোগ্রাফী, ইত্যাদি কতকিছুই।
আমি: হ্যাঁ, ঐসব ব্যবসায় নারী একটি পণ্য বই আর কিছু নয়।
ছাসা: আর এই কারণেই ঐসব ব্যবসায়ীরা হিজাব বা শালীন পোষাকের বিরোধিতা করবে এটাই স্বাভাবিক। তারা চায়না যে নারীরা আব্রুর মধ্যে থাকুক। তাহলে তাদের ব্যবসায় ভাটা পড়বে!


আমার মনে পড়ে যে, কোন এক মুহূর্তে আবেগ তাড়িত হয়ে ইন্না বলে ফেলেছিলো যে, খারকোভে আসার আগে ইন্না নাকি তার মাকে আমার কথা বলেছিলো। আর ইন্নার মা বলেছে, “ইন্না, ওর সাথে দেখা করতে খারকোভে যাচ্ছ যাও, তবে তুমি আবার প্রেমে পড়ে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলো না।”

মা-মেয়ে বোধহয় নিজেদের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে খোলাখুলি আলাপ করে থাকে। দুজনাই তো নারী, তাই একে অপরকে বুঝতে পারে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবিরের ছবি ‘সীমানা পেরিয়ে’-তেও এমন একটা দৃশ্য দেখেছিলাম, যেখানে মেয়ে তার মায়ের পুরাতন প্রেমিক-কে দেখেই রিকোগনাইজ করতে পেরেছিলো, এবং বলেছিলো, “আমার কাছে লুকিও না মা। আমি সবই বুঝতে পেরেছি। আমিও তো মেয়ে।”

ইন্না আরো একটা কথা বলেছিলো যে, “আমার আম্মু বলে যে, ছেলেদের সাথে মজা যা করার বিয়ের আগেই করতে হয়। বিয়ের পর আর কোন মজা করার সুযোগ পাবে না। অনেকেই ভাবে যে বিয়ের পর কত মজা হবে! কত যে রোমান্টিক সময় কাটাবো। রোমান্টিক না ছাই! বিয়ের পর প্রথম ছয়মাস যা কিছু, এরপর তো শুরু হয় টাফ লাইফ! রান্না করতে করতে জীবন যায়! সংসারের কষাঘাতে সব রোমান্টিকতা জানালা দিয়ে পালায়!”

একটু নিশ্বাস নেয়ার জন্য রুম থেকে বাইরে বের হলাম, ভাবলাম ডরমিটরির করিডোরে একটু হাটবো। হঠাৎ করিডোরের শেষ মাথায় আমার নজর পড়লো। ওখানে দুটো ছায়ামুর্তি জড়াজড়ি করে দাঁড়িয়ে আছে। থেমে থেমে একে অপরকে চুম্বন করছে! কয়েক সেকেন্ড পরেই আমি ওদেরকে চিনতে পারলাম। রাফায়েল ও তানিয়া। আমি একে নাম দিয়েছি: ‘রাফায়েল আর তানিয়ার প্রেম!’

আমাদের বাংলাদেশের সমাজে এই ধরনের প্রেম প্রকাশ্যে অসম্ভব। আর এই দেশে এটা প্রকাশ্যেই হচ্ছে! এর নাম পরকীয়া প্রেম! তানিয়া রুশ মেয়ে। চোখ ধাঁধানো রূপসী। তার দেহের সংবেদনশীল জায়গাগুলো অতিমাত্রায় স্ফিত। যেকোন পুরুষের জন্যই প্রবল লোভাতুর! তার স্বামী আছে (সন্তান এখনো নাই)। স্বামীর সাথে সে, এই ডরমিটরিতেই থাকে। এদিকে আমাদের ডরমিটরিতেই থাকে ল্যাটিন আমেরিকান ছেলে রাফায়েল। সে অবশ্য বিবাহিত নয়। তা ঐ বিবাহিতা তানিয়ার সাথে হয়েছে তার প্রেম। দ্বিচারিনী তানিয়াও হাবুডুবু খাচ্ছে রাফায়েলের প্রেমে। ডরমিটরির বিভিন্ন ফ্লোরে করিডোরের এমাথা-ওমাথায় প্রেমরত এই যুগলকে প্রায়শঃই দেখা যায়। মাঝেমধ্যে তাদের ফিসফাস কথা ও চুম্বনধ্বনিও শোনা যায় অনতিদূর থেকে।

প্রশ্ন উঠতে পারে যে, তানিয়ার স্বামী কিছু বলে না? উত্তর: না বলে না। কারণ সে মনে করে যে এটা তানিয়ের ব্যাক্তিগত বিষয়। তানিয়া একটা ইন্ডিভিজুয়াল ব্যাক্তি, তার অনেক প্রকার ব্যাক্তি-স্বাধীনতা রয়েছে, পর পুরুষের সাথে প্রেম করে দ্বিচারিনী হওয়াটাও এক প্রকার ব্যাক্তি-স্বাধীনতা!

(চলবে)

গল্পের রচনাতারিখ: ২৯শে সেপ্টেম্বর (বৃহষ্পতিবার), ২০২২ সাল
রচনাসময়: দুপুর ০২টা ২৭মিনিট

Some Stories Cannot be Written – 1
————————————– Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.