Categories
অনলাইন প্রকাশনা

এই ছেলে লেখাপড়া ছাড়া আর কিছু বোঝ?

এই ছেলে লেখাপড়া ছাড়া আর কিছু বোঝ?
——————————— রমিত আজাদ

বুঝলাম তুমি পড়ুয়া পণ্ডিত,
বইয়ের অঙ্গে হারিয়েছ সম্বিত।
নিউটন হতে চাও, মহাকর্ষের জনক?
মনহীন প্রেমহীন এক নীরস গবেষক!
আমি কিন্তু খৈয়াম চাই,
যে মন ভরে লিখবে সরেস রুবাই,
কেবলই আমাকে নিয়ে দুর্বার,
প্রেমের উপাখ্যান মাধবীলতার।

বই থেকে মুখ তোল মূর্খ,
একটু চারপাশে দৃষ্টি মেলো দীর্ঘ।
আমার এই আকাশ চোখে তাকাও,
নীড় খুঁজে পাবে, যেমনটি চাও।
তুমি জ্ঞানের ক্ষুধার্ত,
আর আমি প্রেমের তৃষ্ণার্ত!

আমি সুন্দর, আমি মিষ্টি,
আমি মধুর, আমি দৃষ্টি।
কতজনই তো মন হারালো!
তৃষ্ণার্ত হলো, প্রণয় সুধালো।
শুধু তুমিই নিস্পন্দ নিরুত্তাপ!
গোপন জ্বালা, না যায় বলা!
তীব্র খরতাপ!

আমার লুকানো আঁখিজল মুছে
কাজল মাখা মায়াবী দু’টি
চোখে চোখ রাখো একবার,
দেখ পৃথিবীতে কত সুখ!
আমার আঁখিতে আকুল হয়ে
দেখবে আলোর মুখ।

ভালোলাগা বোঝ?
তোমার ঐ বইগুলোতে অনুরাগ শেখায় না?
বলে না, আকাশ কেনো দিগন্তে মিলায়?
নদী কেন সাগর পানে ছুটে যায়?
কেমন করে বেঁধে যায় দুইটা জীবন!

ওভাবে চিরকাল বইয়ে মুখ গুজে
যদি করো দিন গুজরান,
হয়তোবা হবে খলদুন, অথবা নিউটন।
খৈয়াম হওয়া হবেনা তোমার,
না হবে ইবনে সিনা কবিতার।
অজান্তেই হারাবে আপন রত্ন,
কলি থেকে ফুটে উঠে ফুল
বিকশিত হবেনা তো তব স্বপ্ন।

তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
সময়: রাত ১১টা ৫ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.