Categories
অনলাইন প্রকাশনা

এতগুলো প্রশ্নের ভার!

এতগুলো প্রশ্নের ভার!
—– রমিত আজাদ

তোমাকে আমার কিছু প্রশ্ন করার ছিলো,
অনেকদিন যাবৎ জমে থাকা একরাশ প্রশ্নের ভীড়
বনবাসী সন্যাসীদের কেশের মতন
জট পাকিয়ে আছে মনের নিভৃতে।

অলক্ষ্যে সৃষ্ট অসহনীয় ক্লিষ্ট কেশের জট!
সেই জট খোলা বড় প্রয়োজন।
হোক সে মেঘলা আকাশ
নয়তো নিঃশব্দে নেমে আসা
বৈশাখী দুপুর ঘেষে তপ্ত রৌদ্রের খরতাপ।

বুকের ভারটা নামিয়ে ফেলতে চাই।
ক্রীতদাসের বুকের উপর চাপিয়ে দেয়া ভারী পাষাণ
হঠকারী মণিবের মানবাধিকার উল্লঙ্ঘন!
তেমনি ভারী পাথর হয়ে চেপে আছে প্রশ্নগুলো আমার বুকে।

এক এক করে দুই, দুই দুই করে চার,
চার চার করে ষোল, তার সাথে যোগ হবে আরো
কিছু নিষ্করুণ কাঁকুরে বছর।
অনেকগুলো বছরই তো বইলাম এতগুলো প্রশ্নের ভার!
আমৃত্যু বইতে পারবো ভার এতটা শক্তি আমার নেই,
অনেক হয়েছে শক্তিক্ষয় আশঙ্কায়!
ইদানিং শঙ্কিত হই অশুভ সংকেতে,
আতঙ্কে তরঙ্গায়িত ঐ ভারই হয়তো
ত্বরান্বিত করবে আমার অকস্মাৎ অন্তর্ধান!

তারিখ: ১৮ই এপ্রিল, ২০১৭
সময়: রাত ২টা ৪০ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.