Categories
অনলাইন প্রকাশনা

কবিতা ভালোবাসেনা, এমন রমণী-কে যদি ভালোবাসি?

কবিতা ভালোবাসেনা, এমন রমণী-কে যদি ভালোবাসি?
—————————————— রমিত আজাদ

মনে করো কবি
তুমি ভালোবাসলে এক দীপ্তিময় রমণী-কে,
যার চোখে তুমি দেখো নদী,
শৈবলিনী উর্বীধরের।
যার আটপৌরে অধরে দেখো,
তুষার মাখানো গিরিশৃঙ্গের ঠিকরে দেয়া রোশনাই।
তাকে তুমি দিতে চাও কিছু গোলাপবর্ণ স্বপ্ন,
মধ্যরাতে ঘুম থেকে জাগিয়ে শোনাতে চাও কাব্য।

তাকে নিয়ে লিখলে তুমি মন মাতানো কবিতা।
সেই কবিতায় মেতে উঠলো তরঙ্গ,
জেগে উঠলো বন,
চঞ্চল হলো ভ্রমন্ত নীহারিকা অম্বরের।
অজস্র মিথুন অধৈর্য হলো দুরন্ত গোধুলীতে।

কেবল তারই হলোনা ভাবান্তর।
সে যে কবিতা ভালোবাসেনা!
বোঝে না কোন কাব্যরস।
সাহিত্যের উষ্ণতায় তার নেই কোন ব্যগ্রতা।
নক্ষত্র যতই দীপ্তিময় হোক,
পদ্য ছন্দে সে স্পষ্টই নির্লিপ্ত।

তখন কি করবে তুমি কবি?
এক অরণ্য অভিমান নিয়ে, প্রত্যাখ্যান করবে তাকে?
নাকি নীরব হয়ে দেখবে তার সুগন্ধী কেশে ঘাসফুলের নৃত্য?
আর ভাববে, ‘এই নিয়েও তো আরেকটি কবিতা লেখা যায়’!

———————————————————————-

তারিখ: ৭ই নভেম্বর, ২০১৭
সময়: ভোর ৪টা ৫৯ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.