Categories
অনলাইন প্রকাশনা

কষ্টের মাঝরাতগুলো

কষ্টের মাঝরাতগুলো
—————- রমিত আজাদ

আমি সেই,
যে তোমাকে
এখনো খুঁজে বেড়াই নির্ঘুম মাঝরাতে
ফেইসবুকে, আকাশজালে!
অলৌকিক জোৎস্নায় ভাসা
হাজারো জোনাকীর ডাকে
গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী হতে পারিনি গৃহের টানে।
শুধু মাঝে মাঝে তৃষ্ণা মেটাতে পড়ি
অন্তর্জালে ছড়ানো ছিটানো
তোমার কাশফুল স্পর্শ কবিতাগুলো।
এক একটি কবিতা যেন
তোমার এক একটি অদৃশ্য ছোঁয়া!

আমি সেই,
পুরনো রোজনামচার পাতা খুলে
যার হৃদয়ে এখনো ক্ষীণ আশা জাগে,
তোমার সাথে আরেকটিবার কথা বলার।
অন্ততপক্ষে এটুকু জানার জন্য,
‘তুমি কেমন আছো?’

স্বপ্নবিলাসী জীবনের
ছন্দরাগ ছিলো কাব্যময়তায়,
যেদিন তুমি ছিলে পাশে।
যেদিন আমার উন্মত্ত হাতে
লুকোচুরি খেলতো তোমার সলাজ হাত;
জীবনকে এতটুকুও অর্থহীন মনে হয়নি।
তোমার প্রিয়ফুল কেশে পেতাম
পাহাড়ী লিলির মাতাল মহুয়া গন্ধ!
অস্থির ঠোঁট চাইলে উষ্ণতা,
এগিয়ে দিতে পেলব অধর!
হেমন্ত, বসন্ত, শরতের সব রঙ ছড়িয়ে যেত
বৃষ্টিস্নাত নির্জনতার অলৌকিক অন্তরঙ্গতায়!

যদিও আজ উঠোনের ভরা রোদে খেলে
ধুলিমাখা গুটিকয় শিশু,
মেঝেতে শুকায় ধান।
সব্জীর ক্ষেতে হাসে সীমের বেগুনী ফুল,
মায়ের পাখার নীচে ওম নেয়
ডিম ফুঁটে বেড়নো দুদিনের মুরগীর ছানারা।
ভরা সংসারে ধরা দেয় অপার বিস্ময়!

তবুও কেন যেন মাঝে মাঝে ছুটে যায় মন!
আলমারীর গোপন কুঠুরীতে
এখনো তোমার চিঠি রাখা আছে!!!

————————————————–
তারিখ: ৩রা ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
সময়: ভোর ৪টা ১০ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.