Categories
অনলাইন প্রকাশনা

কার জমীনে ঘর বান্ধাইছো?

কার জমীনে ঘর বান্ধাইছো?
——————————————- রমিত আজাদ

কার জমীনে ঘর বান্ধাইছো? কার গাছেরই কাঠ দিয়া?
কার খ্যাতেরই খর বিছাইয়া চাল বানাইয়াছো ঘর ছাইয়া?
কার ঝাঁড়েরই বাঁশ কাটিয়া বানছো বেড়া, সাইড নিয়া,
হিসাব কইরা ভিটার মাটি, ডাইকো তারে মন দিয়া!

যার ত্যালে তায় জ্বালছো পিদিম, পাইছো আলো আন্ধারে,
তার শোকরে হইয়ো গুজার, আমরা যাহার বান্দারে!
যার গাছেরই ফল খাইয়াছো, মাখছো ভাতে সবজীরে,
তার জিকিরে দিল ভিজাইয়ো, তুইলা দুইখান কবজি রে!

নাচলো অলি দিনের শোভায়, রাইতে জ্বোনাক ঝলমলায়,
মৎস্য শামুক সায়র জুড়ে ঢেউয়ের তালে ছলছলায়।
যার ফুলে তায় ছুটলো সুবাস তোমার ভিটার শান্ত বায়,
চাঁদ সূরুয আর লক্ষ তারায়, তার মহিমায় গুণগুণায়!

ধার কইরা তার জায়গা-জমিন, ঋণ নিয়া তার মাল-দৌলত,
দেহের ভিতর জান বাঁচাইলা, চইরা খাইলা এই জগত।
সাত মহলা বাদশাহী তাজ, করবে না কেউ অসীম ভোগ,

একদিনেই তা ধ্বইসা দিবেন, শেষ বিচারের বিচারক।

রচনাতারিখ: ১৯শে নভেম্বর, ২০২০ সাল
রচনাসময়: রাত ০২টা ১১ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.