Categories
অনলাইন প্রকাশনা কৌতুক ব্যঙ্গকৌতুক

কিছু এডাল্ট কৌতুক: কারন, কৌতুক মানে হাসি, হাসি মানে সুস্থতা(১৮+)

১. সেন্স অব হিউমার

রাত্রিবেলা। সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলে স্ত্রী স্বামীর গলা জড়িয়ে ধরে বলল, এই বলনা আমার কোন জিনিসটা তোমার খুব ভালো লাগে? আমার সুন্দর চেহারার মুখটা নাকি আমার সেক্সি বডিটা?
স্বামী কিছুক্ষণ স্ত্রীর মুখ ও শরীরের দিকে চোখ বুলিয়ে তারপর বলল, তোমার সেন্স অব হিউমার!

২. মিথ্যুক বউ

১ম বন্ধুঃ দোস্ত, আমার বউটারে আর বিশ্বাস নাই। খালি মিথ্যা কথা কয়। কী যে করি!
২য় বন্ধুঃ কেন, কী হইছে দোস্ত?
১ম বন্ধুঃ আর কইস না। কাল রাতে আমি বাড়ি ছিলাম না। সকালে আইসা দেখি বউ ঘরে নাই। দুপুরে ফিরতেই জিগাইলাম, কই গেছিলা? কয় তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গেছিল।
২য় বন্ধুঃ হুম, তয় বিশ্বাস না করার কী হইল?
১ম বন্ধুঃ আরে তার বোনতো রাতে আমার লগে ছিল।

৩. দৌড়ালে না কেন

ঘোড়দৌড়ে হেরে গেছে একটি ঘোড়া। রেগেমেগে জকিকে পাকড়াও করলেন এক ক্ষুব্ধ সমর্থক।
সমর্থক: তুমি কি এর চেয়ে জোরে দৌড়াতে পারতে না?
জকি: পারতাম।
সমর্থক: তাহলে দৌড়ালে না কেন?
জকি: কারণ, আমাকে ঘোড়ার ওপর বসে থাকতে বলা হয়েছে!

৪. ফুটবল কোচ

মনোবিজ্ঞানের ক্লাস চলছে। শিক্ষক বললেন, ‘ধরো, একটা লোক কিছুক্ষণ চুপচাপ চেয়ারে বসে থাকেন। হঠাৎ লাফিয়ে উঠে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন, লাফালাফি করেন, হাত-পা ছোড়াছুড়ি করেন। কিছুক্ষণ পর আবার বসে পড়েন। এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদের মন্তব্য কী?’
পেছন থেকে এক ছাত্র বলল, ‘তিনি নিশ্চয়ই একজন ফুটবল কোচ।’

৫. আমিও বোকা হব এবং…

শিক্ষক ক্লাসে বলছেন, ‘আজ রাতে যে ফাইনাল খেলা হবে আমি তাতে “এ” দলকে সমর্থন করছি। তোমাদের মধ্যে যারা “এ” দলকে সমর্থন করছ, তারা হাত তোলো।’
শিক্ষার্থীরা ভাবল, স্যারের বিরুদ্ধে মত দেওয়াটা ঠিক হবে না। সবাই হাত তুলল, শুধু পল্টু ছাড়া।
শিক্ষক: (কিছুটা মনঃক্ষুণ্ন হয়ে) পল্টু, তুমি কেন “এ” দলকে সমর্থন করছ না?
পল্টু: কারণ, আমার বাবা ‘বি’ দলকে সমর্থন করেন, আমার মা-ও ‘বি’ দলকে সমর্থন করেন।
শিক্ষক: হুম। তোমার বাবা যদি বোকা হন, তোমার মা যদি বোকা হন, তাহলে তুমিও কি বোকা হবে?
পল্টু: অবশ্যই আমিও বোকা হব এবং ‘এ’ দলকে সমর্থন করব!

৬.কোচের মাথায়

গলফ খেলছিল রাকিব। এমন সময় সেখানে উপস্থিত বন্ধু সজীব।
সজীব: রাখ তোর খেলা। চল, আমরা রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে আসি।
রাকিব: এখন যেতে পারব না। আমাকে ঠিক জায়গায় বলটা ফেলতে হবে। ওই যে দেখ, আমার কোচ দাঁড়িয়ে আছেন।
সজীব: তোর কোচ তো উল্টো দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি দেখবেন না। চল, আমরা চলে যাই।
রাকিব: দেখবেন না বলেই তো খেলছি। আমি চেষ্টা করছি বলটা কোচের মাথায় ফেলতে!

৭. বিখ্যাত দৌড়বিদ

দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে রুস্তম। বন্ধুদের নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে গেল সে। এদিকে রেস্তোরাঁর দারোয়ান তাঁদের প্রবেশপথে আটকে দিল। বলল, ‘দুঃখিত স্যার, আপনি হাফপ্যান্ট পরে এসেছেন। হাফপ্যান্ট পরে আমাদের রেস্তোরাঁয় প্রবেশ নিষেধ।’
রুস্তম: ব্যাটা বুদ্ধু, কত বড় সাহস! আমাকে আটকে দিস! তুই জানিস আমি কে? আমি বিখ্যাত দৌড়বিদ রুস্তম।
দারোয়ান: তাহলে তো ভালোই হলো। এক দৌড়ে বাসা থেকে ফুলপ্যান্টটা পরে আসুন!

৮. কোনার দিকের সিট

অফিসের বস সর্দারজিকে বললেন, ‘সর্দারজি, আমাকে একটা সাহায্য করুন। আমি আর আমার বান্ধবী কাল সিনেমা দেখতে যাব। আপনি কি আজ আমাদের জন্য দুটো টিকিট কেটে রাখতে পারবেন?’
সর্দারজি: নিশ্চয়ই স্যার, আপনি টিকিট পেয়ে যাবেন।
বস: ইয়ে মানে… একটু কোনার দিকের সিটের টিকিট কাটবেন।
পরদিন সর্দারজি সিনেমা হলের দুই কোনার দুটো সিটের টিকিট বসের হাতে তুলে দিলেন!

৯. প্রিয় রং হলুদ

সর্দারজির প্রেমিকা: তোমার হাসি আমার খুব প্রিয়।
সর্দারজি: কেন?
সর্দারজির প্রেমিকা: কারণ, হলুদ আমার প্রিয় রং!

১০. প্রমাণিত

সর্দারজি একবার একটা মশার পাখা ছিঁড়ে ফেললেন। তারপর চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘উড়ে যা মশা, উড়ে যা!’
মশাটা তার জায়গায় অনড় পড়ে রইল।
সর্দারজিকে বেশ সন্তুষ্ট দেখাল। একটা খাতায় তিনি লিখলেন, ‘অতএব, পাখা ছিঁড়ে ফেললে মশা কানে শোনে না। প্রমাণিত।’

১১. হেলমেট কোথায়

সর্দারজি ট্রাফিক পুলিশের চাকরি নিয়েছেন। এক চালককে মাঝপথে আটক করলেন তিনি।
সর্দারজি: এই! তোমার হেলমেট কোথায়?
চালক: আরে বেকুব, ভালো করে দেখো।
সর্দারজি: ভালো করে দেখব আবার কী? স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তুমি হেলমেট পরোনি।
চালক: ওপরে নয়, নিচে দেখো। এটা দুই চাকা নয়, চার চাকার গাড়ি। গর্দভ!

১২. আমার ভয় করে

সর্দারজির স্ত্রী: কী হলো, দরজার সামনে অমন ঠায় দাঁড়িয়ে আছো কেন?
সর্দারজি: বাঘ শিকারে যাব।
সর্দারজির স্ত্রী: তো যাও।
সর্দারজি: কিন্তু দরজার বাইরে একটা কুকুর বসে আছে, আমার ভয় করে!

১৩. এক ঘণ্টা আগে

হাসপাতালের চিকিৎসকের দায়িত্বে আছেন সর্দারজি। হন্তদন্ত হয়ে একদল লোক এল হাসপাতালে। বলল, ‘আমাদের ঝন্টুকে বাঁচান।’ সর্দারজি ঝন্টুকে পরীক্ষা করলেন। বললেন, ‘আমি দুঃখিত। রোগীকে হাসপাতালে আনতে আপনারা বড্ড দেরি করে ফেলেছেন। এক ঘণ্টা আগে নিয়ে আসতে পারলে আমরা একটা কিছু করতে পারতাম।
রোগীর আত্মীয়: আরে বুদ্ধু, ১৫ মিনিট আগে অ্যাকসিডেন্ট হলো, এক ঘণ্টা আগে আনব কী করে?!

১৪. আমাকে স্মরণ করুন

সর্দারজি একটা গাধা বিক্রি করবেন। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে গিয়ে ভাবলেন, একেবারে সাদামাটা ভাষায় না লিখে একটু কাব্যিক ভাষায় লেখা যাক!
অতঃপর সর্দারজি লিখলেন, ‘কারও যদি গাধা প্রয়োজন হয়, আমাকে স্মরণ করুন।’

১৫. গ্যালারিতে গিয়ে বসলেন আম্পায়ার

এক আম্পায়ারের কাণ্ড-কীর্তি মোটেই পছন্দ হচ্ছিল না দর্শকদের। পুরো গ্যালারি থেকেই দুয়োধ্বনি ভেসে আসছিল, ‘এই ব্যাটা আম্পায়ার… ভুয়া… বের হ… আহা, নিশ্চিত আউটটা দিল না…।’
একপর্যায়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে গ্যালারিতে গিয়ে বসলেন আম্পায়ার। পাশ থেকে এক দর্শক বললেন, ‘কী ব্যাপার, আপনিও দর্শক হয়ে গেলেন নাকি?’
আম্পায়ার: না মানে… আপনাদের চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে মনে হলো, এখান থেকেই বোধ হয় খেলাটা ভালো দেখা যায়!

১৬. মনোযোগ নেই

খেলার মাঝপথে এক ফিল্ডারকে বললেন আম্পায়ার, ‘অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ করছি। এখন আর না বলে পারছি না। তুমি ব্যাটসম্যানকে ভেংচি কেটে বিরক্ত করছ কেন?’
ফিল্ডার: আমিও অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ করছি। এখন আর না বলে পারছি না। ক্রিজে কী হচ্ছে, সেদিকে আপনার একেবারেই মনোযোগ নেই!

১৭. আউট হলাম কী করে

ব্যাটসম্যানের কবজির একটু ওপরে বল লেগে ক্যাচ উঠল। ফিল্ডার বল ধরতেই আম্পায়ার এক আঙুল তুলে ঘোষণা দিলেন, আউট!
ব্যাটসম্যান: সে কী! বল তো আমার হাতে লাগেনি! আউট হলাম কী করে?
আম্পায়ার: আগামীকালের খেলার খবর পাতা দেখে নিয়ো!

১৮. বাতাসে উড়ে বেল পড়ে গেছে

বোল্ড!
ব্যাটসম্যান: সে কী! আমি এ আউট মানি না। বল তো উইকেট স্পর্শই করেনি। সম্ভবত বাতাসে উড়ে বেল পড়ে গেছে।
আম্পায়ার: তোমার বাতাসকে বলো, তোমাকেও যেন উড়িয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে ফেলে।

১৯. রাজকার্যে মনোনিবেশ

রাজা নেমেছেন ক্রিকেট খেলতে। অন্য রাজ্যের এক অতিথি হলেন বোলার। বোলার বল ছুড়লেন, বল লাগল রাজার পায়ে। চিৎকার করে উঠলেন বোলার, ‘হাউজ দ্যাট!’
আম্পায়ার: জাহাঁপনা, আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে প্রাসাদের অভ্যন্তরে গিয়ে রাজকার্যে মনোনিবেশ করা আপনার জন্য একান্ত জরুরি।
রাজা: কী বলছ, ঠিক বুঝতে পারছি না। সহজ করে বলো।
আম্পায়ার: জাহাঁপনা আপনি আউট!

২০. হাঁটতে পারবে তো

চিৎকার করে এলবিডব্লিউর আবেদন করল বোলার, ‘হাউজ দ্যাট!’
এদিকে ব্যাটসম্যান তখন পায়ে বল লেগে ব্যথায় কোঁকাচ্ছে। ধীর পায়ে ব্যাটসম্যানের দিকে এগিয়ে গেলেন আম্পায়ার। বললেন, ‘হাঁটতে পারবে তো?’
ব্যাটসম্যান: হুম। রানার লাগবে না। আমি রান করতে পারব।
আম্পায়ার: রান করতে হবে না। হেঁটে হেঁটে প্যাভিলিয়নে ফিরতে পারলেই হবে। তুমি আউট।

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.