Categories
অনলাইন প্রকাশনা

ক্ষমা করো দ্বিতীয় প্রেম

ক্ষমা করো দ্বিতীয় প্রেম
—————- রমিত আজাদ

ছন্দ যাদুকরের
কেন এত অস্থিরতা বলো?
হাতে ধরা একজনার হাত,
আর বুকে জেগে জেগে ওঠে
আরেকজনার ছবি!!!

এটাও এক ধরণের বিশ্বাসঘাতকতা!
বিক্ষিপ্ত মন খুঁজে পায় না ভাষা!

সত্য-মানবী, মিথ্যা-মানবী,
সত্য-মিথ্যায় মিশ্রিত
মুখ থুবড়ে পড়া এক অস্থির মানব!
চাঁদের আলোয় তুমি, সূর্যের কিরণে তুমি।
অনুগত ভার্যা শয্যায় বিলিয়ে দেয় সবটুকু,
তথাপি মেকি আলোয় ছন্দহীন আমি।

আকন্ঠ শরাবে মশগুল হইনি কখনো,
না সুখের হরষে, না দুখের তামাশায়।
তথাপি ছায়াচিত্র নেশাতুর নয়নে
যেখানেই রাখি চোখ, তোমাকেই শুধু খুঁজি,
যদিও হাতে ধরা অন্য একজনার হাত।
এটাও এক ধরণের বিশ্বাসঘাতকতা!
বিক্ষিপ্ত মন খুঁজে পায় না ভাষা!

বামে ডানে যদি সমান না হয়,
তাকে আর সমীকরণ বলা চলে না!
সমাধানহীন এক অসমতায় নিরর্থক হয় জীবন!
অর্থহীন জীবনে প্রয়োজন ছিলো
একটি স্বেচ্ছা মৃত্যুদন্ডের!
না আমি দেবতা নই,
তাই নিশ্চয়তা নেই অমরত্বের!!!
নিছকই একজন জেদী মানুষ,
ঐ জেদের বশেই নিজেকে জীবিত রেখেছিলাম।

অতঃপর
ভর করলাম দ্বিতীয় প্রেমের উপর!
সবই তো উজাড় করে দিলো সে!
তবুও ভরে না মন।
মন যে পড়ে আছে প্রথম-এর কাছে।
ক্ষমা করো দ্বিতীয় প্রেম!
——————————————-

রচনাতারিখ: ১৯ নয় ১৯
সময়: বিকাল ৫টা ৫০ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.