Categories
অনলাইন প্রকাশনা

ক্ষুধাপেটে লক-ডাউন

ক্ষুধাপেটে লক-ডাউন
—————————– রমিত আজাদ

লিটু আর বিটু যায় লক-ডাউন দেখতে,
সেলফিতে ফটো খিচে আপলোড মারতে!
পথে যেতে পথশিশু হাত পেতে আটকায়,
ক্ষুধা ভুখা শিশুদের পেটে আজ ভাত নাই!

ভরপেটে খেয়ে বিটু ঢেক তুলে হাটছে,
এক কাপ চা তিয়াসে ইতিউতি ঘাটছে।
লক-ডাউন দিনকালে চা দোকান খোলা নাই!
আয়েশেতে বসে তায়, গপ্‌ মারা যুৎ নাই!

লিটু ভাবে, লক-ডাউন, ওরা কেন রাস্তায়?!
শ্রমিকেরা ছেলে-বুড়ো ত্রাণ চায় সস্তায়!
একদম অসচেতন লক-ডাউন বোঝে না!
ঘরে বসে কেন তারা মুড়ি-চিড়ে ভাজে না?

তুলে নিলো ফটো বিটু, হাঁদারাম শ্রমিকের;
লিটু দেখে কোয়ালিটি, জাস্ট তোলা ফটোদের।
ক্যামেরাতে ধরা খেলো শ্রমিকেরা বাইরে,
পথেঘাটে ঘুরে ঘুরে ভাত তারা চায় রে!
বুঝে নিলো শ্রমিকেরা লক-ডাউন মানে না।

লিখে দেবে ফেইসবুকে লোক তারা ভালো না।

রচনাতারিখ: ২৬শে এপ্রিল, ২০২০ সাল
সময়: রাত ০৩টা ৪০ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.