Categories
অনলাইন প্রকাশনা

খোশ আমদেদ রমজান

খোশ আমদেদ রমজান
———————————– রমিত আজাদ

ছিলো অন্ধকারের বন্ধ দূয়ারে অন্ধ মানবজাতি,
সেই আঁধারে জ্বালিলেন তিনি নবীন জ্ঞানের ভাতি।
হেরার গুহায় মহামানবের মহান ভাবের ধ্যান,
উম্মী নবীর নূরাণী চরণে লুটিয়া পড়িলো জ্ঞান।

দানিলেন তিনি জীবন বিধান, তাওহীদ ও খিলাফত,
শেরেকী ঘুচিয়ে বান্দা শিখিলো, রবের দেখানো পথ।
জাহেলিয়া যুগে গুণাহ্‌গার ছিলো পাপাচারে নিশিদিন,
সেই বিনাশীরে দেখাইলো তব, ‘সিরাতুল মুস্তাকিম’।

মরুর সাধক দানিলো নয়নে, তামজীদী নয়া জ্যোতি,
জিন্দেগী তাতে হবে রোশনাই, মুছিয়া সকল ক্ষতি!
যদি নাও মানি তাহার বিধান, দানিলেন যাহা প্রভু,
দ্যুলোক-ভুলোকে মিলিবে উপল, রহিবেনা দুখ্‌ কভু।

পাঁচটি ফরজের অন্যতম সিয়াম সাধনা ভাই,
হিজরী তারিখে আসিলো ফিরিয়া মাহে রমজান তাই।
আশমানে তব দেখিলো হেলাল জাহান-ই-মুসলমান,
খোশ খবরেতে দুলিলো হৃদয়, নাচিয়া উঠিলো প্রাণ!

আবার মিলিলো সুযোগ সবারই কুড়াইতে ফজিলত,
সওয়াব হাসিলে করিবে মোমীন বন্দেগী ইবাদত।
উম্মত তাঁর কাঁদিবে দুচোখে চাহিয়াতে শাফায়াত,
সেহেরী হইতে ইফতার তক শুনিবে দ্বীনের ডাক।

যাকাত ফিৎরা গরীবেরে দিবে, নিজে থাকি অনাহার;
ক্বদরের রাতে, সিজদা রুকুতে লুটাইবে গুণাহ্‌গার।
কাটিবে মোমিনের একটি মাহিনা শুদ্ধ করিতে প্রাণ,

পাইতে নাজাত তুলিবো দুহাত, খোশ আমদেদ রমজান!

রচনাতারিখ: ১৪ই এপ্রিল, ২০২১ সাল
রচনাসময়: রাত ১২টা ৫৬ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.