Categories
অনলাইন প্রকাশনা

গিরগিটি রঙ বদলায় জরুরৎ বুঝে

গিরগিটি রঙ বদলায় জরুরৎ বুঝে
———– ড. রমিত আজাদ

তখন মধ্যরাত, অথবা দ্বিপ্রহরও হতে পারে,
সদ্য ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের রেশ কাটেনি তখনও
ভূকম্পনের সাথে সাথে হৃৎকম্পনও প্রবর্ধিত হয় অত্যুগ্র!
তাই সময়ের হিসাবটা তখন অর্থহীন,
যেমন অর্থহীন হয় বিলাসী জীবন, দেহান্তের সন্ধিক্ষণে।

আমার কার্নিশে উপগত হলো এক পরিশ্রান্ত পারাবত,
অনুগত খেচর অতিক্রম করেছে সূদীর্ঘ খগোল,
চরণে তাহার সন্নিবদ্ধ এক ধুসর পত্র,
কি আছে খচিত তথা? চিত্রানুগ সুসংবাদ?
না কি আনকা কোন এক অশনী সংকেত?
নাহ্‌ বার্তাবাহক তা জানেনা।
নিস্ফল প্রশ্ন করা তাকে,
বার্তা বয়ে নেয়াই তার কাজ,
আজ্ঞাবহ ডাক হরকরা অধীশ্বরের।

বার্তা এসেছে তাঁর,
যেমন আশংকা অথবা প্রত্যাশা করেছিলাম তাই,
একশত আশি ডিগ্রী বিপরীত,
এতকালের প্রচারিত প্রজ্ঞাপনার,
বাদাড়ের গিরগিটি রঙ বদলায় জরুরৎ বুঝে।

আপেক্ষিক তত্ত্ব একসময় বুঝতেন কেবল একজন,
এক থেকে তিন, তিন থেকে তিনশত,
আজ তা তিন কোটি ছাড়িয়ে গেছে নির্ঘাত।
তেমনি মেকিয়েভেলীর কূটনীতিও
আজ আর দুরূহ কিছু নয়,
অধীশ্বর আর অধিরাজ্ঞী শুধু নয়,
আম জনতাও বুঝতে পারে সব,
বিষয়টি আপনি বুঝেছেন তো?

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

২ replies on “গিরগিটি রঙ বদলায় জরুরৎ বুঝে”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.