Categories
অনলাইন প্রকাশনা

ঘোর বরষায় উন্মনা মন

ঘোর বরষায় উন্মনা মন
—————— রমিত আজাদ

আকাশ ভেঙে জল ঝরেছে,
নদীর ঢেউয়ে দোল।
নয়ন ফেটে ঢল নেমেছে,
কাঁদায় স্মৃতির রোল!

বারিধারা অশ্রুসম
বলছে মনের কথা।
মেঘের ছায়া রং-তুলিতে
আঁকছে হৃদয় ব্যাথা!

কষ্ট কাকে বলে?
বল, কষ্ট কাকে বলে?
পর মানুষে কষ্ট দিলে
দেই ফেলে তা জলে!!!

পরের কথায় কি আসে যায়?
পরের কথার দামটা কি?
পর তো আমার আপন না হায়!
পরের মতির কি গতি?

বুঝবে তখন, কষ্ট কেমন,
আপন মানুষ পর হলে।
আপন জনে কষ্ট দিলে
বোঝ, কষ্ট কাকে বলে!!!

আমি যদি পক্ষী হতাম,
উড়ে যেতাম রাতে,
ভোরের আগে খুঁজে নিতাম
কোন ঠিকানায় থাকে।
ব্যাথার সুরে জিজ্ঞাসিতাম,
“কেমনে গেলে ভুলে?”
লাজ হারিয়ে মনের কথা
খুলে দিতাম বলে!

অচীন মানুষ বাঁধন বেধে
বন্দী হতে চায়,
হৃদয় দিয়ে বর্ষা দেখে,
দিলের অতলায়!!!

অভ্র উড়ে আকাশ জুড়ে,
মেলছে ডানা পাখী।
ঘোর বরষায় উন্মনা মন,
কাঁদছে নীরব আঁখি!!!
———————————–

রচনা তারিখ: ৯ই জুলাই, ২০১৯
সময়: ৩টা ১৯ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.