Categories
অনলাইন প্রকাশনা

তুমি ছুটে এলে!

তুমি ছুটে এলে!
—————— রমিত আজাদ

ভালোবাসা হবে নিশ্চুপ নদী,
সোমেশ্বরী-র জল ছুঁয়ে নীরবে নীরবে,
তারপর অকস্মাৎ হঠকারিতায়
ঝাঁপিয়ে পড়বে
বর্ষার ভরা জল হাওরের বুকে,
বিলিয়ে দেবে তার সবটুকু কায়া।

কলাবতী ছড়াবে রঙ ফুলেল কপোলে,
যান্ত্রিক ফোয়ারার কোল ঘেষে ঘেষে,
বিকেলের খামখেয়ালি রোদ নিংড়ে নিংড়ে,
রাঙাবে প্রিয়র মনষ্কাম সুবাসিত কেশে।

উদাসী মন খুঁজবে কাঞ্চনজঙ্ঘা,
রহস্য ঘেরা পাঁচ পাঁচটি শৃঙ্গ,
পাঁচটি দৌলতকন্যা হিমালয় গিরিশোভার।
তুষারমাখা অঙ্গদের সৌরভী অভিবাদন।

মুক্তঝরা দৃষ্টি তার হরিণ আঁখিতে,
প্রস্ফুটিত তারুণ্যের নার্গিস!
রেশমি ওড়নার বাহারী বুনন হাওয়ায় সঞ্চারী,
রাজকন্যার সলাজ চাউনি করে তন্দ্রাহারা।

শত মানুষের সভায় অকস্মাৎ সাক্ষাৎ,
কয়েক শত উৎসুক উঁকিঝুঁকি,
নির্ঘাৎ ঝুঁকি এড়াতে
ফর্মাল দু একটি বাক্য বিনিময়!
এই চুপি চুপি কথার মাঝে
লুকিয়ে আছে নওরোজী বার্তার ঝড়!!!

প্রত্যাশী আঁধার প্রহেলিকার অরণ্য,
কন্ঠাগত ধরনীর তিক্ত মৃত্তিকাই হোক ফুলশয্যা,
তুমি পুনর্বার উন্মত্ত ঊর্মিমালা হয়ে ওঠো।
চূর্ণ করো তৃষিত সৈকত বিষন্নতার,
হেমন্তের রিক্ততায় নামুক নবান্নের বিলাসিতা!

———————————————————-
তারিখ: ৭ই নভেম্বর, ২০১৮
সময়: বিকাল ৩টা, ২০ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.