Categories
অনলাইন প্রকাশনা

নদীটিরে বলে দিও

নদীটিরে বলে দিও
————————- রমিত আজাদ

নদীটিরে বলে দিও তার সাথে কথা নাই,
তীরে তীরে হেটে হেটে আর কত দূরে যাই?
সখা তার তৃষা নিয়ে জল ছুঁতে চেয়েছে,
অত জল বুকে ধরে নদী কোথা ছুটেছে?

তীর ধরে হেটে হেটে আমি বড় ক্লান্ত,
তাও তীর ভাঙ্গে নাকো নদীটার প্রান্ত।
জলে তার সুগভীর আবেগের হাতছানী,
ঝাঁপ দিলে ঐ জলে হবে ঠিক প্রাণহানী।

ভাবছি কি দেব প্রাণ, অভিমানে অভিমানে?
তাও যদি নদী বোঝে ছুটেছে কে তার পানে।
জলে তার ছায়া পড়ে মোর দেহ আত্মার,
ছায়া দোলে ঢেউ তালে নদীটির সত্তার।

নদী তুমি যাও কোথা এই বেলা ফিরে চাও,
পাশাপাশি চলছি যে এইটুকু টের পাও?
তীর ছেড়ে একদিন ঠিকঠিক দেব ঝাঁপ,

দিক লোকে ধিক্কার, হয় হবে হোক পাপ।

রচনাতারিখ: ০৫ই ফেব্রুয়ারী, ২০২১ সাল
রচনাসময়: দুপুর ০১টা ৪৯ মিনিট (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.