নিঃসঙ্গ কার্নেশন (পর্ব – ১০)

নিঃসঙ্গ কার্নেশন (পর্ব – ১০)
—————————- রমিত আজাদ

নাসির ভাই একটা কৌতুক শোনালেন, “বুঝলেন তুষার ভাই আর নাসিম ভাই, কৌতুকটা হলো,
‘গ্রীস্মকালের সন্ধ্যায় গানের মাস্টার মেয়েটাকে গান শিখাচ্ছিলো। তা বাংলাদেশ তো বোঝেনই, গ্রীস্মকালে ঘন ঘন লোড শেডিং হয়। হঠাৎ কারেন্ট চলে গিয়ে ঘর-বাইর সব অন্ধকার হয়ে গেলো। রান্নাঘর থেকে মেয়েটির মা চিৎকার দিয়ে উঠলেন, “মাস্টার সাহেব, তবলা যেন বন্ধ না হয়!”
আমরা সবাই হো হো করে হেসে উঠলাম।
নাসির ভাই অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেও আজ এসেছেন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেতে আড্ডা দিতে। মাই ডিয়ার মানুষ, উনাকে ঘিরে সবাই বসেছে। গল্পসল্প হচ্ছে।
নাসিম ভাই: (চোখ টিপে বললেন) তা হঠাৎ গ্রীস্মকাল নিয়ে কৌতুক কেন?
আমি: গ্রীস্মকাল বলেই তো নাসির ভাই, এই কাঁচের দেয়ালের ক্যাফেতে ছুটে এলেন।
টিটো: তা আর বলতে! নাসির ভাই চোখ হলো ঈগল পাখীর চোখ। এই ক্যাফের কাঁচের দেয়াল ভেদ করে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের হাফ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত দেখা যায়।
আমি: ভাইয়েরা আমার, এই মস্কোতে গ্রীস্মকাল মানেই রোদ, রোদ মানেই আলো, আলো মানেই, উষ্ণতা, ……….।
নাসিম ভাই: উষ্ণতা মানেই গরম, গরম মানেই রুশ রূপসীদের গরমে অস্থির হয়ে কাপড় কম,
টিটো: আর কাপড় কম মানেই, খোলা শরীর বেশি, মানে আমাদের মাথা গরম!
নাসিম ভাই: বাইরেও গরম, ভিতরেও গরম, সবাই তো বোম্ব হয়ে ঘোরে। যে কোন সময় বার্স্ট হতে পারে।
টিটো: বার্স্ট কি আর হয় না? এত গরমে বার্স্ট না হয়ে পারে?
নাসির ভাই: এই যে ধরেন আমাদের আবুল ভাই। তিনি এখানে আমাদের মধ্যে সব চাইতে সিনিয়র! সালাম আবুল ভাই।
আবুল ভাই একজন সহজ-সরল মানুষ। সালাম পেয়ে তিনি বেজায় খুশী হলেন। নাসির ভাই বলে চললেন।
“আবুল ভাই বিয়ে করেছেন।” এটা শুনে আবুল ভাই এক গাল হাসলেন।
নাসির ভাই: তিনি এক মেয়ের বাপও হয়েছেন।
এই কথা শুনে আবুল ভাই দাঁত আরো বড় করে হাসলেন।
নাসির ভাই: তারপরেও তো তিনি সমার টাইমে এই কাঁচের দেয়ালের ক্যাঁফেতে বসে থাকেন!
এবার আবুল ভাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেন! নাসির ভাই যে কথা টেনে ঐলাইনে নিয়ে যাবেন, এটা তিনি ভাবেন নি। তবে তিনিও ছাড়লেন না, বললেন
আবুল ভাই: নাসির, তোমার কি ধারণা আমি বুড়ো হয়ে গিয়েছি? হ্যাঁ, বলো বুড়ো হয়ে গিয়েছি? তুমি রবিশংকরের কাহিনী শোন নাই? বিল ক্লিনটনের কাহিনী শোন নাই?

আমরা সবাই হো হো করে হেসে উঠলাম।
আসলে মস্কো বা রাশিয়াতে সারা বছর প্রচন্ড ঠান্ডা। মে মাসের মাঝ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত তিন/সাড়ে তিন মাস গরমকাল থাকে। এই সময়টায় সবাই প্রাকৃতিকভাবেই আনন্দে আত্মহারা থাকে! এখানকার টিন এজড আর ইয়াং মেয়েদের ফিলোসফি হলো, ‘আমার শরীরে সৌন্দর্য্য থাকলে আমি দেখাবো না কেন?’ তাই এই সময়টায় তারা বেশ খোলামেলা পোষাকেই চলাচল করে। এই খোলামেলাটা প্রতি বছর শুধু বাড়ছেই! আর বীচ বা নদীতীরে গেলে তো কথাই নাই! এই সময়টাতে পুরুষের চোখের এন্টারটেইনমেন্ট ভালোই হয়!

আমি: ভাইয়েরা আমার। আপনাদের সঙ্গ আমার ভালো-ই লাগে। তবে কিনা
নাসিম ভাই: তবে কিনা, আনিতা রাণীর সঙ্গ আরো বেশী ভালো লাগে হ্যায়।
সবাই কোরাসে হাসলো।
আমি: কথার শেষে ‘হ্যায়’ লাগালেন কেন?
নাসিম ভাই: একটু ইন্ডিয়ান সুর নিয়ে আসলাম আর কি!
আমি: যাই হোক। কথা শেষ করতে দিলেন না। আমি বলতে চাইছিলাম, আমাকে একটু যেতে হবে।

সবাই হৈ হৈ করে উঠলো। “আরে এটা কেমন কথা। এত তাড়াতাড়ি উঠবেন কেন? আপনি না থাকলে জমে নাকি? আজ নাসির ভাই এসেছেন, আরেকটু বসেন না।”

আমি: ভাইয়েরা। আমারও যেতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু আমাকে ক্লাস নিতে হবে। ছাত্রছাত্রীরা অপেক্ষা করছে।
নাসির ভাই; ক্লাস নেয়া শুরু করেছেন?
আমি: হ্যাঁ, ক্লাস নিচ্ছি তো অলরেডী, সামনে তো ওদের পরীক্ষা।
নাসির ভাই: এই বিল্ডিংয়েই।
আমি: না আমার ফ্যাকাল্টিতে। এখন মেট্রো শাবলোভস্কায়াতে যেতে হবে।
নাসির ভাই: তাহলে আমিও উঠি। আমারও ঐদেকেই যেতে হবে। তুষার ভাইয়ের সাথে একসাথে যাই।
সবার মনটা খারাপ হয়ে গেলো, “ভাই আজ এত তাড়াতাড়ি আড্ডাটা ভাঙবে ভাবি নাই।”
আমি: ভাই টিটো তোমাকে যেই কাজটা দিয়েছি। ওটা কিন্তু করতেই হবে।
টিটো: আরে, আপনি কোন চিন্তা করবেন না। আমি জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করবো।
নাসিম ভাই: কি কাজ?
টিটো: আর বলবেন না। আনিতা আপা তো জীবন-মরণ সমস্যায় পড়েছেন।
এবার নড়েচড়ে বসলেন নাসিম ভাই, “কি ব্যাপার কি হলো আবার? আমাকে বলেন নাই কেন তুষার ভাই? আমরা কি নাই? আপনার একটা সমস্যা মানে তো আমাদেরই সমস্যা।”
আমি: না ঠিক আমার সমস্যা না। আনিতার সমস্যা।
নাসিম ভাই: কথা ঐ একই। আনিতা তো আমাদের দূরের কেউ না।

এই একটা বিষয় আছে বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে। কারো সমস্যা হলে সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে সাহায্য করার জন্য। বাংলাদেশী এই হৃদয়টা আছে বলেই, দেশটা এখনো বেঁচে আছে!

আমি: টিটো উনাদের একটু বুঝিয়ে বলো। আমি ক্লাস নিয়েই আবার চলে আসবো। আজ প্রব্লেমটা সল্ভ করতেই হবে।

ফ্যাকাল্টিতে গিয়ে দেখলাম লেনা বসে আছে।
লেনা: তুমি এলে? চলো নিচে যাই।
আমি: কফি খাবো, তবে আজ তোমাকে বেশি সময় দিতে পারবো না।
লেনা: কেন?
আমি: আধঘন্টা বড়জোড়। তারপর আমার ক্লাস আছে।
লেনা: ক্লাস নেয়া শুরু করেছ নাকি?
আমি: হ্যাঁ। এটাতো এখানকার নিয়মই। পিএইচডি করলে ক্লাস নিতে হবে। তোমাকেই ক্লাস নিতে হবে নেক্সট সেমিস্টার থেকে।
লেনা: ওক্কে। কিন্তু আমাকে সময় দিতে না পারার কি আছে?
আমি: বারে? ক্লাস নিতে হবে না?
লেনা: আমিও এ্যাটেন্ড করবো তোমার ক্লাসে। কি এলাউ করবে না?
আমি হেসে ফেলে বললাম, “তুমি যাবে ক্লাসে?”
লেনা: আলবৎ যাবো।

আমি লক্ষ্য করলাম, সামার হলেও লেনা কোন উগ্র পোষাক পড়েনি। আমি যতদূর দেখেছি, মেয়েটা যথেষ্ট শালীন ও ভদ্র! আমার বারবার শুধু মনে হয়, এত চমৎকার একটা বৌ-কে পরিত্যাগ করে কোন স্বামী? কেন? অবশ্য লেনাকে বিষয়টা কখনো জিজ্ঞাসা করিনি। পুরনো কাসন্দি ঘেটে ওর মনে কোন কষ্ট দিতে চাইনা আমি।

ক্লাসের শুরুতে স্টুডেন্ট থাকে কম। তারপর মিনিট পনেরর মধ্যে সবাই চলে আসে। ছাত্রছাত্রিরা সবাই ফোর্থ ইয়ারের। ওদেরকে আমি পড়াচ্ছি আমার প্রিয় সাবজেক্ট ‘কোয়ান্টাম মেকানিক্স’। ওরা প্রথম ক্লাসে আমাকে দেখে থতমত খেয়েছিলো, এত অল্প বয়সী একজন বিদেশী তাদেরকে ঐ বাঘা সাবজেক্ট পড়াবে!? তবে প্রথম ক্লাসেই আমি ওদেরকে ইমপ্রেসড করতে পেরেছিলাম। আমি শুরুতেই বলেছিলাম, দেখো ভাইয়েরা, রুশ ভাষা আমার মাতৃভাষা নয়, তাই আমার কথায় কিছু গ্রামাটিকাল মিসটেক থাকতেই পারে। কিন্তু আমি পাঁচটি ভাষায় কথা বলতে পারি, তাই আমার এক্সপ্রেশনে কোন সমস্যা পাবে না। আর আমার সাবজেকটিভ নলেজ খারাপ না। আশা করি তোমাদের পড়ানোর মত লেখাপড়া আমার আছে। শুরু করেছিলাম ‘কোয়ান্টাম মেকানিক্স’-এর হিস্টোরিকাল ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে। ওরা সবাই হাঁ হয়ে শুনেছিলো আমার কথা। তারপর শুরু হয়েছিলো প্রশ্নের ফুলঝুরি, “কেন আল হাইয়াম বিজ্ঞান ইনট্রোডিউস করলেন?” “কোরানে এই বিষয়ে কি লেখা আছে?” “আলো নিয়ে আল হাইয়াম-এর এত আগ্রহ ছিলো কেন?” “কেন আল-হাইয়াম আলোকে কণিকার স্রোত বলেছিলেন?” “নিউটন কেন আল-হাইয়ামের সাথে একমত ছিলেন?” “নিউটনিয়ান মেকানিক্সের সীমাবদ্ধতা কোথায়?” “ম্যাক্স প্লান শিক্ষকের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কেন ফিজিক্স নিয়ে পড়ালেখা করেছিলেন?” আইনস্টাইন সত্যিই কি কাজগুলো করেছিলেন, নাকি সবই উনার স্ত্রী মিলেভা মেরিক-এর কাজ, যা আইনস্টাইন নিজের নামে চালিয়েছিলেন।” “থিওরী অব গ্রাভিটেশন নিয়ে কি নিউটনই প্রথম কাজ করেছিলেন, নাকি কয়েকশত বছর আগে, আল-বেরুণী মহাকর্ষ নিয়ে কাজ করেছিলেন?” “কো-অর্ডিনেট জিওমেট্রি কার প্রথম ইনট্রোডিউস করা, রেনে দেকার্ত নাকি ওমার খৈয়াম?”

আমি একে একে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম। তারা মুগ্ধ হয়ে শুনেছিলো। তারপর পরবর্তি ক্লাসগুলোতে তারা বলেছিলো, “ঐ সব ক্ষুদ্র কণিকাগুলো কি সত্যিই আছে? নাকি ‘কোয়ান্টাম মেকানিক্স’ একটা বৈজ্ঞানিক রূপকথা?” আমি বলেছিলাম, “পুরো বিজ্ঞানটাই একটা অদ্ভুত সুন্দর কবিতা! তাইতো ইবনে সিনা, ওমার খৈয়াম থেকে শুরু করে অতীশ দিপংকর হয়ে ম্যাক্সওয়েল, শ্রোডিংগার পর্যন্ত অনেক বিজ্ঞানীই কবিতা লিখেছিলেন। আসলে ‘কোয়ান্টাম মেকানিক্স’ এমন একটা সাবজেক্ট বা উপন্যাস যার চরিত্রগুলাকে চর্মচক্ষে দেখা যাবে না, চর্মচক্ষের পর্দা সরিয়ে ভাবের দেশে যেতে হবে, ভাবের দৃষ্টিতেই কেবল ইলেকট্রন, প্রোটন, মেজন, ফোটন-দের দেখা যাবে।”

ওরা বললো, “তাহলে তো এটা আধ্যাত্মিকতার সজামিল!” আমি বললাম, “হ্যাঁ, তাই। বিজ্ঞানের সবচাইতে উঁচুতলাটা আধ্যাত্মিকতাই।” ওদেরকে বোর-আইনস্টাইন ডিবেট-টা পড়তে বললাম।

আজ ক্লাসরুমে ঢুকলাম লেনাকে সাথে নিয়ে। সবাই হা করে তাকিয়ে রইলো। কিন্তু কেউ কিছু বললো না। এটা রুশীদের কালচার ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে কেউ কখনো কোন প্রশ্ন করবে না। লেনা একেবারে প্রথম ডেস্কে আমার খুব কাছাকাছি বসলো। আমি পড়ানো শুরু করলাম। মাঝখানে একটা প্রশ্ন দিলাম, নাতাশা নামে একটা মেয়ে প্রশ্নটার উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলো। ওর দিকে তাকাতেই আমার চোখ থমকে গেলো, খুব লো কাট জামা পড়েছে মেয়েটা। ওর সুডৌল স্তনদুটোর অর্ধেকটাই দেখা যাচ্ছে! যাহোক, উত্তরটা পুরোপুরি সঠিক না হওয়ায়, লেনা পার্টিসিপেট করলো। একেবারে বোর্ডে গিয়ে সবাইকে উত্তরটা বুঝিয়ে দিলো। বুঝলাম লেনার পড়ালেখা যথেষ্ট ভালো, মেধাবী মেয়েটা! একেতো লেনা রূপসী, তার উপর ওর পোষাকের ম্যাচিং ও জৌলুস দেখে সবাই হা হয়ে গেলো। ছেলেরা দেখলাম বারবার মুখ চাওয়াচাওয়ি করছে। এরপর আমি বললাম, “ওকে টেন মিনিটস ব্রেক। সবাই হৈ হৈ করে বের হয়ে গেলো। লেনা রয়ে গেলো। আমিও আর বের হলাম না। লেনা আমার সাথে গল্প করতে শুরু করলো।

আট মিনিটের মাথায় ইগর নামে একটা ছেলে ক্লাসরুমের দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকেই আবার বেরিয়ে গেলো। করিডোরে শোনা গেলো ওর ক্লাসমেট কেউ ওকে কৌতুক করে বলছে, “এটা তুই কি করলি ইগর? উনারা দুইজন ওখানে, আর তুই কিনা বেহায়ার মত ফট করে রুমে ঢুকে গেলি? একটু নক করে তো ঢুকতে পারতি!”
আমি ওর কথা শুনে লজ্জ্বা পেয়ে গেলাম। ওরা তাহলে ধরেই নিয়েছে যে, লেনা আমার গার্লফ্রেন্ড! আমি লেনার দিকে আর তাকালাম না।

ক্লাস শেষ করেই ডরমিটরিতে ফিরে গেলাম। আনিতা ভীষণ বিপদে আছে ওকে হেল্প করতেই হবে।

আনিতা ওর রুমে বসে কাঁদছে। আমাকে দেখে বললো,
আনিতা: বিপদে পড়লে মানুষ চেনা যায়!
আমি: কি হলো?
আনিতা: আমার থিসিস পেপার গায়েব। আমার ডিফেন্স অনিশ্চিত। আমার এই সেমিস্টারে পাশ করা হবে কিনা জানি না। আর আমার কিছু দেশি ছেলেমেয়েরা কি বলে জানো?
আমি: কি বলে?
আনিতা: মনে হলো ওরা এতে খুব খুশী হয়েছে। সবাই এ ওকে বলে বেড়াচ্ছে, ‘হয়েছে কাজের কাজ। ওর থিসিস পেপার গায়েব! হা হা হা, ওর আর ডিফেন্স করা হবে না।’ আজ চিনলাম অনেক মানুষকে।
আমি: চিন্তা করো না লক্ষীটি। আমি টিটো-কে বলেছি। ও দৌড়াদৌড়ি করছে। ওর কানেকশন ভালো, ভিক্টরকে ঠিকই খুঁজে বের করবে। এদিকে নাসিম ভাই কাজে নেমেছেন, আমাকে জানিয়েছেন, থিসিস পেপারটা পেলে উনি এক রাতেই কম্পোজ করে দেবেন। উনার রুমে কম্পিউটার প্রন্টার সবই আছে।
আনিতা আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে বললো, “তোমরা বাংলাদেশীরা এত ভালো কেন বলতো?”

(চলবে)


রচনাতারিখ: ২৮শে জুলাই, ২০২০ সাল
রচনা সময়: রাত ১০টা ০১মিনিট

Lonely Carnation
——————- Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.