নিঃসঙ্গ কার্নেশন (পর্ব – ২০)

নিঃসঙ্গ কার্নেশন (পর্ব – ২০)
———————————- রমিত আজাদ

মোবাইল টেলিফোন এক যাদুর যন্ত্র!
কয়েকটি সংখ্যা ছোঁয়াতেই, কোথায় যেন বেজে উঠলো আবাহন সংকেত। এক, দুই, তিন বার। তারপর,
কয়েক হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ইথারে ভেসে এলো একটা কন্ঠস্বর,
“হ্যালো।”
সেই পুরাতন কন্ঠস্বর! এই জীবনে কতবার যে কতরূপে আমার কানে বেজেছে ঐ কন্ঠস্বর। খুব ইনোসেন্ট একটা কন্ঠস্বর! যেমনটা ছিলো সেই ছোটবেলায়, এখনো প্রায় তেমনটিই রয়েছে মোনালিসার কন্ঠস্বর!
কন্ঠস্বর নামক মধুর নস্টালজিক সঙ্গীতে কয়েক মুহূর্তের জন্য বোধহয় হারিয়ে গিয়েছিলাম ভাবনামন্ডলে!

মোনালিসা: হ্যালো, কে বলছেন? হ্যালো।
সম্বিত ফিরে পেলাম।
আমি: হ্যালো, মোনালিসা?
মোনালিসা: কে? তুষার ভাই তুমি?
আমি: হ্যাঁ, আমি।
মোনালিসা: মস্কো থেকে?
আমি: হ্যাঁ, প্রায় মস্কো থেকে।
মোনালিসা: প্রায় মস্কো মানে কি?
আমি: মানে একটু বেড়াতে বেড়িয়েছি। মস্কোর পাশেই আছি। এক অপূর্ব নদীতীরে!
মোনালিসা: ও, নদীতীরে। তা নদীতীরে গিয়ে আমার কথা মনে পড়লো?
আমি: না, মানে। মনে তো পড়েই। মানে ……
মোনালিসা: থাক, আর মানে মানে করতে হবে না। কোনদিন তো যোগাযোগ করলে না!
আমি: তোমার চিঠি পেলাম।
মোনালিসা: ঐ চিঠি পেয়েই আমার কথা মনে পড়লো! নিজে থেকে তো কখনো কিছু লিখলেও না।
আমি: না মানে। পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়।
মোনালিসা: সারাজীবন ঐ পড়ালেখাই করলে, আর চারপাশে কোনদিন তাকালে না!
আমি: ভালো আছো?
মোনালিসা: আছি মোটামুটি। শোন, আমি আর দেশে থাকছি না।
আমি: মানে কি?
মোনালিসা: অল্প কয়েকদিনের মধ্যে আমি বাংলাদেশ ছাড়ছি।
কেউ দেশ ছাড়ছি বললে আমার ভালো লাগে না। কি এমন হলো বাংলাদেশে যে, সেখানে থাকা যাবে না? তার উপর মোনালিসা মেয়ে মানুষ। ওর এত দেশ ছাড়ার দরকারটা কি?
আমি: কোথায় যাবে?
মোনালিসা: ইংল্যান্ড।
আমি: কি কাজে?
মোনালিসা: বলবো নে পরে।
আমি: তুমি কি বিয়ে করেছ? স্বামীর সাথে যাচ্ছো?
না। আমি এখনও কোন বিয়ে করিনি। ইংল্যান্ড আমি একাই যাচ্ছি।
আমি: কি কাজে?
মোনালিসা: ওখানে থাকতে যাবো। বাংলাদেশে আর থাকতে চাই না।
আমি: ও।
মোনালিসা: তোমার সাথে আমার কিছু কথা ছিলো।
আমি: কি বিষয়ে?
মোনালিসা: আমি, এখনো বিয়ে করিনি। তোমার সাথে আমার অনেক কথা আছে।
আমি: কি কথা বলবে তো?
মোনালিসা: আজ না। আরেক দিন বলবো। আজ ফোন রাখি, ঠিক আছে?
আমি: ওক্কে, রাখো। ভালো থেকো।
মোনালিসা: তুমিও ভালো থেকো। বাই।

মোবাইলটা পকেটে রেখে একটা আমেরিকান ছবির কাহিনী মনে পড়লো।
খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও যে এমন কাহিনী হতে পারে, তা আমি কোনদিনও ভাবিনি!
নিউ ইয়র্কে বসবাসকারী ভালো চাকুরী করা এক শিক্ষিত সুপুরুষ, তার নিজের গুনাগুন ও চাকুরীর বদৌলতে সংস্পর্শে এসেছেন ধনাঢ্য সমাজের। সেই সুবাদের ধনাঢ্য এক নারীর সাথে তার পরিচয় ও প্রণয় ঘটে। ঐ প্রণয়ে সেই পুরুষের যত না আগ্রহ তার চাইতে বেশী আগ্রহ ছিলো সেই রমণীর। যাহোক, কোন এক ছুটিতে পুরুষটি বেড়াতে গেলো তার নেটিভ গ্রামে, যেখান থেকে সে চলে এসেছিলো অনেক বছর আগে। আর সেই মনোরম সহজ-সরল, পরিবেশে গিয়ে দেখা হলো ছোটবেলার পরিচিত বান্ধবীটির সাথে। নতুন করে আবিষ্কার করলো নির্মল সেই তরুণীকে। তারপর তারা সত্যিকার অর্থেই ভালোবেসে ফেললো দু’জন দুজনকে। স্বর্গীয় অনুভূতির মত কটা দিন তাদের কাটলো সেই অপরূপ নিসর্গে। ছুটি শেষে বিদায়ের আগে নিউ ইয়র্কেবাসী পুরুষটি কথা দিলো গ্রামীন তরুনীটিকে যে, অমুক দিনে এসে তাকে বিয়ে করে নিউ ইয়র্কে। তরুনীটি বিয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলো।

পুরুষটি নিউ ইয়র্কে বিয়ের প্রস্তুতি নেয়। আর তরুনীটি প্রস্তুতি নেয় গ্রামে বসে। হঠাৎ ঝড় এলো। পুরুষটির ধনাঢ্য বান্ধবী একদিন গোপনে উপস্থিত হলো গ্রামের সেই তরুনীটির বাড়ী। তাকে ধমকে বললো, “তুমি আমার বয়ফ্রেন্ড-কে বিয়ে করতে যাচ্ছ। যাক, সেটা তোমাদের ব্যাপার। কিন্তু ভেবে দেখো, ও এখন আর গ্রামের ছেলে নয়। নিউ ইয়র্কের গর্জিয়াস জীবনে সে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তুমি একটা অতি সাধারণ মেয়ে, তুমি তাকে কি দিতে পারবে বলো? আমি শুধু সুন্দরীই নয়, আমি ধনীও। আমি তাকে যতকিছু দিতে পারবো তুমি কি তাকে অতকিছু দিতে পারবে?
সবগুলো কথা ছুড়ির ফলার মত বিদ্ধ করলো অতি সাধারণ নির্মল সেই তরুণীটিকে।

সিনেমার পরবর্তি দৃশ্যে দেখানো হলো যে, ধনাঢ্য নারীটির সাথেই নিউ-ইয়র্কের অভিজাত হোটেলে বিয়ে হয়েছে সুপুরুষটির। গ্রামের মেয়েটি নিঃসঙ্গই রয়ে গেলো ছোট্ট সেই গ্রামে!
তবে ওখানেই সিনেমা শেষ হয়নি, ওটা ছিলো সিনেমার মাঝামাঝি দৃশ্য। ছবির মূল ক্লাইমেক্স দেখানো হয় পরবর্তিতে।


ক্রেস্তের আলাপ

ক্রেস্তের ক্যাফেতে ঢুকতেই একজনার সাথে দেখা হলো তিনি বাংলাদেশী, কিন্তু দেখতে বাঙালীদের মতন নন। উনার সাথে ছিলো একেবারেই কম বয়স্ক এক তরুণী, সে দেখতে আরো অন্য রকম! জীবনে প্রথম উনাদেরকে দেখলাম।
আমি একটু ইতস্তত করে পরিষ্কার বাংলায় বললাম, “আপনার নাম?”
তিনি উত্তর দিলেন, “তি মং”।
এবার আমি বুঝতে পারলাম যে তিনি একজন মার্মা। তরুণীটিকে দেখিয়ে বললাম, “ইনি?”
তি মং: আমার মেয়ে, নাতাশা।
এবার বাকি রহস্যও ভেদ হলো। ভদ্রলোক বাংলাদেশী একজন মার্মা, অনেককাল আগে মস্কোতে এসেছিলেন, তারপর রাশিয়ান কোন নারীকে বিয়ে করে, মস্কোর আশেপাশেই কোথাও আছেন।

আমি: এখানে কি কোন কাজে এসেছেন?
তি মং: হ্যাঁ, আমার মেয়েটাকে এই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করালাম। সামনের সেমিস্টার থেকে ক্লাস করা শুরু করবে।
আমি: ও আচ্ছা। বেশ বেশ।
তারপর মেয়েটাকে বললাম। ওয়েল-ডান, কনগ্রাচুলেশনস!
মেয়েটা: ধন্যবাদ।
দেখলাম মেয়েটা এই দেশে বড় হলেও তুলনামূলকভাবে লাজুক।
আমি: আপনাদের একজনকে আমি চিনতাম। উনার নাম জি জি মং।
তি মং: ও হ্যাঁ। ইউক্রেইন-এ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছিলো। ও এখন কানাডা-তে ট্যাক্সি চালায়।
আমি: কি? কি বললেন? কানাডায় তিনি কি করেন?
তি মং: ট্যাক্সি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে।

আমি বিস্মিত হলাম! ইউক্রেণের ঐ শহরের সাবাই এতকাল ধরে জানে যে, তিনি কানাডা-তে ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে চাকুরী করছেন এবং অনেক হাজার টাকা বেতন পান!

আমাদের সাথে এক কাপ চা খেয়ে তি মং ভাই ও তার মেয়ে চলে গেলো।

আমার পাশে বসা ছিলেন হিমেল ভাই। তিনিও রুশ রমনী বিয়ে করেছেন। তিনি পড়ালেখা শেষ করে, মস্কোর একটা কর্পোরেশনে চাকুরী করেন। তবে কানাডার ইমিগ্রেশন পেয়েছেন, ওখানেই চলে যাবেন ঠিক করেছেন, একবার ঘুরেও এসেছেন। আমাকে আবার হিমেল ভাই মাঝে মাঝে ভর্ৎসনা করেন এই বলে যে, “কানাডার ইমিগ্রেশনের জন্য এ্যাপ্লাই করলা না ক্যান? ভালো হইতো। ভুল তো করলা জীবনে।”
আজ হঠাৎ হিমেল ভাই আমাকে বলেন,
হিমেল ভাই: কানাডায় ইমিগ্রেশন তো পাইলাম। এখানেও অনেকদিন থাকলাম। আসলে বাংলাদেশে থাকলেই ভালো ছিলো। দেশের ওয়েদারটা নিজেদের। দেশের পরিবেশটাও নিজের। কিন্তু কি করমু? বিদেশেই থাকতে হইবো, উপায় নাই শালার বিয়াটা কইরাই ধরা খাইছি!
এজাজ: হিমেল ভাই, এখানকার পুলিশের জ্বালাতন আর ভালো লাগে না। দেখা হলেই শুধু বলে “দোবরি দিন ভাশ ডকুমেন্ট” (গুড ডে আপনার ডকুমেন্ট দেখান)। দেখেন তো বিদেশী বইলা এই দেশে আমাদের দুই পয়সার দামও নাই! সব দেশেই মনে হয় বিদেশীদের এই ট্রিটমেন্ট!
টিটো: আপনি কোথায় গেছুইলেন তুষার ভাই?
আমি: বাংলাদেশ এ্যাম্বেসীতে গিয়েছিলাম।
টিটো: কোন কাজ ছিলো?
আমি: হ্যাঁ, ছিলো একটা কাজ। আর ফাঁকে আবার সবার সাথে একটু দেখা-সাক্ষাৎও করলাম।
নাসিম ভাই: আপনাকে তো আবার উনারা সবাই খুব পছন্দ করেন!
নাসির ভাই: আগে আমাদের এ্যাম্বেসীতে খুব বুরোক্রেসি ছিলো। ইদানিং কিন্তু বেশ ভালো সার্ভিস!
আমি: জ্বী এখনকার কাউন্সিলার স্যার খুব ভালো মানুষ।
টিটো: কমার্শিয়াল কাউন্সিলার স্যারও অনেক ভালো মানুষ।
নাসির ভাই: বাংলাদেশের আমলাদের সাথে তো কথা বলাই মুশকিল! কিন্তু এই দুজন খুবই ভালো মানুষ!
এজাজ: আচ্ছা আমাদের কস্তুরী আপার ভাই না সরকারী চাকুরী করেন?
টিটো: জ্বী কিন্তু ইদানিং সমস্যায় আছেন।
নাসির ভাই: কেন?
টিটো: উনাকে ওএসডি করা হয়েছে!
এজাজ: ওএসডি মানে কি?

আমি: (হাসতে হাসতে বললাম) ওএসডি মানে হলো – ‘ঐ শালারে ধর’।

লেনার সাথে আজ একটু বেশি সময় কাটলো।
শ্বেতাঙ্গ মেয়েদের ডার্ক লিপস্টিকে মানায় না। তাই ওরা খুব ব্রাইট লিপস্টিকের রঙ মাখে। আবার আমাদের উপমাহাদেশের মেয়েরা হয় ব্রাউন, ওদেরকে ব্রাইট লিপস্টিকে বেমানান দেখায়, ওরা মাখে ডার্ক লিপস্টিক। লেনা আজ কেন জানি না, কিছুটা ডার্ক লিপস্টিক মেখে এসেছে।

আমি: আজ হঠাৎ ডার্ক লিপস্টিক মাখলে কেন?
লেনা: মন চাইলো তাই। কেন মানায় নি।
আমি: তুমি খুব সুন্দরী। সব রঙই তোমাকে মানায়। তবে ডার্ক লিপস্টিক তো সাধারণত রুশ মেয়েরা মাখে না।
লেনা: আমার আজকের পোষাকটা লক্ষ্য করেছ? এটা কিন্তু কিছুটা ডার্ক, তাই আজ ম্যাচ করে কিছুটা ডার্ক লিপস্টিক মেখেছি।
কথাটা বলে ও কফির কাপে চুমুক দিলো। কাপটা টেবিলে রাখার পর আমি বললাম,
আমি: দেখো কাপে অনেক রঙ লেগে গিয়েছে।
লেনা: ও। লিপস্টিকটা তেলতেলে সহজেই রঙ অন্য কোথাও লেগে যায়! তোমার কোন রঙের লিপস্টিক ভালো লাগে?
আমি: সবচাইতে ভালো হলো ঐ লিপস্টিক, যেটা খুব স্টেবল, কোথাও ছোঁয়ালে উঠে দাগ লেগে যায় না!!!
লেনা আমার দিকে তাকিয়ে, একটু মুচকি হেসে বললো, “দুষ্ট!”


আনিতা: ‘হেলেন অব ট্রয়’ ম্যুভিটা খুব সুন্দর তাই না? ভালোবাসার জন্য পুরো একটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেলো!
আমি: হ্যাঁ, কিন্তু পুরোটাই মিথ তো!
আনিতা: তখন তো রিলিজিওন মিথ-ই ছিলো।
আমি: মিথ নির্ভর রিলিজিওন এখন আর পৃথিবীর কোন দেশেই নাই। গ্রীকরা এখন আর জিউস, হেরা, আথেনী, এ্যাপলোর পূজা করে না। রোমানরা আর করেনা জুপিটারের পূজা। ঐসব প্যাগান মন্দিরগুলো এখন জাস্ট মিউজিয়াম! মিশরিওরা তাদের ‘সুরেন রাই’ দেব-দেবীদের পূজা আর করে না। ব্যাবিলনীয়রা অনেক আগেই একেশ্বরবাদী হয়েছে।
আনিতা: হুম। তোমরা বাংলাদেশীরাও তো এখন একেশ্বরবাদী। কেবল আমরা বেশীরভাগ ভারতীয়রাই এখনো মিথ নির্ভর বিশ্বাস ধরে রেখেছি।
আমি কিছু না বলে চুপ করে রইলাম।
আনিতা: আচ্ছা এই যে আমি দেশে চলে যাচ্ছি, এই নিয়ে কি তোমার মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া নেই?
আমি: কি রকম প্রতিক্রিয়া?
আনিতা: (ঈষৎ উত্তেজিত হয়ে) তুমি আমার প্রতি কখনো-ই সিরিয়াস ছিলে না, শুধু দেহজ আকর্ষণে আমার সাথে সম্পর্ক রেখেছ।
আমি একেবারেই চুপ করে রইলাম। আমি জানি, ওর অভিযোগ বা অবজার্ভেশন মিথ্যে নয়।

আনিতা: আচ্ছা, আই এ্যাম নট শিওর। দেশে থেকে যেতে পারি আবার চলেও আসতে পারি।
আমি: ইওর ডিসিশন।
আনিতা: আচ্ছা, আমি দেশে গিয়ে তো কয়েক মাস থাকবো-ই। তুমি আবার এখানে কারো সাথে মেলামেশা শুরু করবে না তো?
আমি: কার সাথে কি মেলামেশা করবো?
আনিতা: দেখো তুমি খুব আকর্ষণীয়। দেখা যাবে, আমার অবর্তমানে কোন এক মেয়ে এসে হাজির হবে!
আমি: কই কোন মেয়ে তো নিজে থেকে কখনো কিছু বললো না?
আনিতা: তুমি কি জানো যে, মেয়েদের বেশিরভাগই নিজে থেকে কিছু বলে না। একটু আসা-যাওয়া করে, একটু মুচকি হাসে, একটু কথা বলে,
মাঝে মাঝে সাথে বসে চা-কফি খায়; আসলে মেয়েটা অপেক্ষা করে, কখন ছেলেটা প্রস্তাব দেয়। আর প্রস্তাব দেয়ার সাথে সাথেই সে লুফে নেয়। তোমার মত পুরুষরা বোকা হয়, ইশারা-ইঙ্গিত ধরতে পারে না।

(চলবে)

রচনাতারিখ: ০৮ই আগষ্ট, ২০২০সাল
রচনা সময়: রাত ১২টা ৩৪মিনিট

The Lonely Carnation
——————- Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.