Categories
অনলাইন প্রকাশনা

নির্বাসন নিতে পারিনি

নির্বাসন নিতে পারিনি
——————- রমিত আজাদ

তোমাতে আড়ম্বর ছিলো ট্যুমালিনের,
দুরন্ত কোলাহল ছিলো
আমাদের নাতিদীর্ঘ হৃৎ সম্পর্কে।
অনুপাস্য নক্ষত্রের আলোকবর্ষ
মেপে মেপে পার হয় চরাচর।
উদ্বেগী আবেগ সমাপান্তে যখন ধরনী নিঝুম,
দ্বিধান্বিত প্রেমিক হতো চিন্তান্বিত।

দূর দূর অম্বুদ দলবেধে উড়ে যেত অম্বরে,
মায়াবী জোছনায় হতো মাধবী যামিনী যাপন।
হিসেব করে হয়নি যে বেহিসেবী প্রেম,
সেখানেও সমরকন্দ ও বুখারা ভাঙলো,
শ্রাবস্তী বৈশালী হলো ধ্বংসস্তুপ।
অঘোষিত চির ধরলো অহিফেন প্রেমে,
থেমে গেলো স্পন্দিত হৃদয়ের কলরব।

দুজনার নন্দিত কোলাহল থেমে গেলে,
আমি নির্বাসন নিতে চেয়েছিলাম।
সাধিত নির্বানসম মস্তিষ্কের নিস্তরঙ্গ স্থিতি।
কিন্তু বিস্মৃতি চাইলেই বিস্মরণ হয় না।

আজও মাঝ রাতে হই তন্দ্রাচ্যুত,
তোমাতে ভাসি, তোমাতে হাসি,
তোমাতে স্মরি, তোমাতে মরি।
উপাধানে লুক্কায়িত বিহঙ্গের
অঙ্গরূহের সুচাঘাত ফিরে ফিরে বিধে
কেড়ে নেয় দ্বীপান্তরী ঘুম!
সায়রিকা,
আমি নির্বাসন নিতে পারিনি!

———————————————-
তারিখ: ৩রা অক্টোবর, ২০১৮
সময়: দুপুর ৩টা ৪৭ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.