Categories
অনলাইন প্রকাশনা

প্রণয়ের পরশন

প্রণয়ের পরশন
—————————– রমিত আজাদ

দুই হাতে আবেগেতে খুলেছি যে বস্ত্র,
আমাকেই সুখ দিতে, হয়েছে সে নগ্ন।
মন থেকে আমাকে সে আপনার ভেবেছে,
কায়া ভরা সুখ নিয়ে কেঁপে কেঁপে উঠেছে!

জানিনাতো, ছিলো কি তা আইনত পরিণয়?
তবে ঠিক জানি আমি, ছিলো না তা অভিনয়।
সুখ নিয়ে সুখ দিয়ে, করেছি কি মহাপাপ?
কই তুমি করোনি তো এতটুকু প্রতিবাদ!

তাও আমি বলেছিতো, “অনুমতি নেব কি?”
উত্তরে বলেছিলে, “প্রয়োজন আছে কি?”
বলেছিলে তুমি তায়, “দুইজন, কি আপন!
আর মোরা নই পর, তুমি আমি একমন।”

যেই সুখ, যে আবেশ ছিলো তব চোখে-মুখে,
বৃষ্টির ধারা যেন ঝরেছিলো নীলিমাতে!
বৈশাখী ঝড় যেন ছেয়েছিলো দু’নয়ন,
সবটুকু ছিলো সে তো ভালোবাসা পরশন।

সেই রাতে, সেই প্রাতে দু’জনার তর্জন!
আষাঢ়ের মেঘে যেন বজ্রের গর্জন!
বিজলীর চমকানি নির্জনে চুপচাপ,
নিউরনে সুর তুলি, রাগিনীর বৈভব।

অশনিতে যদি বাজে বিপদের ডঙ্কা,
প্রণয়ের সেনা আমি, করিনাতো শঙ্কা।
কই তুমি করোনি তো এতটুকু প্রতিবাদ!
সুখ নিয়ে সুখ দিয়ে, করেছি কি মহাপাপ?

সুর হলে অবসান, চোখে চোখে আলাপন,
মাঝে মাঝে বাকহীন মৃদু মৃদু পরশন।
স্বর্গটা আছে কোথা, কভু তাকে দেখিনি,

সেদিনের সুর ছিলো স্বর্গীয় রাগিনী!

রচনাতারিখ: ১৬ই এপ্রিল, ২০২১ সাল
রচনাসময়: রাত ০২টা ৪৭ মিনিট

The Love Touch
———————– Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.