Categories
অনলাইন প্রকাশনা

প্রেরণা প্রতীতি

প্রেরণা প্রতীতি
———————— রমিত আজাদ

মাঝে মাঝে জীবনের অর্থ হারিয়ে ফেলি,
মনে হয়,
কি প্রয়োজন এই অবিমৃষ্য অস্তিত্বের?
সূর্যের সাথে জাগো, তারপর সূর্যের মতই
দিনভর খেটে খুটে এক সময় হেলে পড়!

মাঝে মাঝে মেঘ জমে পথে,
নানা কৌশলে সেই মেঘ সরাও।
আর যদি মেঘ হয় বেশী, পুরু আর ঘন,
তখন আর সাধ্যি হবেনা তাকে সরানোর।
শ্রাবণ হয়ে নামবে প্লাবন নোনা জলের
নিস্তরঙ্গ সরোবর দুটি আঁখি ভেঙে।
মানে হয় কোন?

অর্থহীন জীবনটাতে
নিজেকে অপদার্থই মনে হয় বারেবারে!
চাইলেই শেষ করে দিতে পারি স্বকীয় সময়।
অনিরাপদ সড়কে কোন একটি
ভ্রুক্ষেপহীন দ্রুতগামী দানবের নীচে
নির্বিঘ্নে ঝাঁপিয়ে পড়লেই তো হলো।
ঐ প্রস্থান কে ঠেকাবে আর?
প্রজাতন্ত্রের কোন আহাজারি থাকবে না,
স্বল্পমূল্য একটি প্রাণ প্রপঞ্চ ঘিরে।
বড় জোর খুশী হবে প্রাত্যাহিক পত্রিকা,
একটি তাজা শোক সংবাদ পেয়ে।
ব্যাস, হেয়ালীর নাটিকার ওখানেই যবনিকা!

তদুপরি যখন দেখি হঠাৎ তোমাকে,
অথবা আকাশজালে আপলোড করা
তোমার সদ্য তোলা কোন ছবি,
হোক সে জাঁকালো কিংবা আটপৌরে,
অবাধ্য দৃষ্টি নিবদ্ধ হয় স্বর্গীয় সৌন্দর্য্যে!
তখন কেন যেন উবে যায় বুকচাপা সব বাষ্প,
প্রবঞ্চক সমাজের দিকে ছুঁড়ে দেয়া
সব অভিযোগ অভিমান হয় বিলীন।
বিবাগী মন বলে,
তোমাকে দেখার জন্যে হলেও
আরো কিছুটাদিন বেঁচে থাকা প্রয়োজন।

——————————————-

তারিখ: ১৪ই জানুয়ারী, ২০১৯
সময়: মধ্যরাত ১টা ১৪ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.