অনলাইন প্রকাশনা
বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ২০১ থেকে ৩৩০(১৮+)

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ২০১ থেকে ৩৩০(১৮+)

২০১)

চারটি ইনসিওরেন্স কোম্পানির মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা চলছে। প্রথমটা তাদের স্লোগান ঠিক করলো – “Coverage from the cradle to the grave.”

দ্বিতীয়টি ঠিক এক কাঠি এগিয়ে বলল – “Coverage from the womb to the tomb.”

তৃতীয়টি আরেক কাঠি সরেস, বলল – “Coverage from the sperm to the worm.”

চতুর্থ কোম্পানিটি অনেক ভাবলো। ভেবে ভেবে কিছু না পেয়ে এক সময় ক্ষান্ত দিতে চাইলো। কিন্তু শেষ মুহুর্তে তারা একটা স্লোগান পেয়ে গেল – “Coverage from the erection to the resurrection.”

২০২)

চারজন লোক একটি বার এ বসে গল্প করছিলেন। হঠাৎ করে একজন উঠে ওয়াশরুম এ চলে গেল, অন্য তিনজন তখনও গল্প করতে ব্যস্ত ছিল। একসময় তারা তাদের ছেলেদের সম্বন্ধে কথা বলা শুরু করল, “সত্যি বলতে কি, আমি একটু চিন্তায়ই ছিলাম যখন আমার ছেলে বলল সে একটা গাড়ির দোকানে গাড়ি ধোয়ার কাজ করবে। কিন্তু জলদি সে সেলসম্যান হিসেবে প্রোমোশন পেল এবং এত টাকার মালিক হল যে পুরো দোকানটাই কিনে ফেলল। এখন সে অনেক ধনী এবং তার বন্ধুকে জন্মদিনে একটি মার্সিডিজ গিফট করেছে।”

দ্বিতীয় জন মাথা দোলাল তারপর বলল, “আমি আমার ছেলের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে কখনই নিশ্চিত ছিলাম না এমনকি যখন সে তার নিজস্ব রিয়াল এস্টেট কোম্পানি খুলে। কিন্তু এখন তার ভাগ্য খুলে গেছে। এইতো কিছুদিন আগে সে তার বন্ধুর জন্মদিনে একটা ভিলা তাকে গিফট করল।”

তৃতীয় ব্যাক্তি বলল, “আমার ছেলে শেয়ার বাজারে তার সবকিছু ইনভেস্ট করে আর ভাগ্যগুনে ত্রিশ কোটি টাকার মালিক হয়ে যায়। এখন সে কারিবিয়ানে নিজের দ্বীপ কিনে সেখানেই থাকে। এইতো সেদিন সে তার বন্ধুকে পনের লাখ টাকার শেয়ার গিফট করল।”

ইতোমধ্যে চতুর্থ লোক ওয়াশরুম থেকে ফিরে এসে শুনল অনন্যারা তাদের ছেলেদের সম্বন্ধে গল্প করছে। তখন সেও বলতে শুরু করল, “আমার স্বীকার করতেই হবে আমার ছেলে একটা অপদার্থ। সে পনের বছর আগে একটা জিমে কাজ শুরু করে আর এখন পর্যন্ত সেখানেই আছে। কিছুদিন আগে জানতে পারলাম যে আমার ছেলে সমকামী আর তার অনেকগুলো ছেলেবন্ধু (!) ও আছে।”

এটুকু শুনে বাকিরা তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে তার দিকে তাকাল। কিন্তু সে বলতে থাকল, “ভালোর মধ্যে শুধু এই যে কিছুদিন আগে তার জন্মদিন ছিল আর সে একটি মার্সিডিজ, একটা ভিলা আর পনের লাখ টাকার শেয়ার গিফট পেয়েছে।”

২০৩)

দুপুরে বাসায় কেউ নেই। এক ভদ্র মহিলা কাপড় চোপড় খুলে গোসল করছেন। এমন সময় বাসার কলিং বেল বাজল। মহিলা ভাবলো, এমন দুপুর বেলায় কারও আসার কথা নয়। নিশ্চয় ফকির এসেছে। শরীর ভিজিয়েছি আবার কাপড় পড়বো? আচ্ছা কাপড় ছাড়াই লুকিং গ্লাস দিয়ে দেখি কে? যদি ফকির হয় তাহলে ভিতর থেকেই না করে দিবো ভিক্ষা দেওয়া যাবেনা। মহিলা দরজার ফুটা দিয়ে দেখেন, ফকির নয়, এসেছে পাশের বাসার অন্ধ ছেলে রাজু। মহিলা ভাবলেন, কাপড় গায়ে নেই, অন্ধ রাজুর সাথে দরজা খুলে কথা বললেও সমস্যা কি? ও তো আর দেখবেনা আমি ….। দরজা খুলে-

মহিলাঃ কি ব্যাপার রাজু তুমি এই দুপুর বেলায়, আবার তোমার হাতে মিষ্টিও দেখছি?

অন্ধ রাজুঃ জী খালাম্মা, এই মিষ্টিগুলো রাখেন, আম্মা পাঠিয়েছে।

মহিলাঃ কি কারণে মিষ্টি রাজু?

অন্ধ রাজুঃ খালাম্মা, আমি আজ সকাল থেকে দেখতে পাচ্ছি।

২০৪)

চার কাউবয় একসাথে আগুনের পাশে গোল হয়ে বসে আলোচনা করছে, সবচে’ দ্রুত কোন জিনিস।

প্রথমজন বলছে, ‘চিন্তা, বুঝলে? হাতে কাঁটার খোঁচা খেলে, কিংবা তামাকের ছ্যাঁকা খেলে কী হয়? সেটা চিন্তা হয়ে সাথে সাথে মাথায় ঘা দ্যায়!’

দ্বিতীয়জন বলছে, ‘আরে না। চোখের পাতা ফেলা হচ্ছে সবচে দ্রুত। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই আবার সব আগের মতো দেখা যায়।’

তৃতীয়জন বলছে, ‘উঁহু, আলো। দ্যাখো না, সুইচ টিপতেই ঘর থেকে কিভাবে অন্ধকার সরে যায়?’

চতুর্থজন বলছে, ‘ঘেঁচু। সবচে দ্রুত হচ্ছে ডায়রিয়া।’

বাকিরা ঘাবড়ে গেলো, ‘কিভাবে, কিভাবে?’

‘গেলোবার মেক্সিকোতে গরু বিক্রির সময় ওদের তরকারি খেয়েছিলাম, বুঝলে? ব্যাটারা এতো ঝাল খায়! রাতের বেলা হোটেলের বিছানায় শুয়ে আছি, হঠাৎ পেটটা কেমন যেন করে উঠলো। তারপর আমি কোন চিন্তাও করতে পারলাম না, চোখের পাতিও ফেলতে পারলাম না, এমনকি ঘরের সুইচও টিপতে পারলাম না, তার আগেই …।’

২০৫)

এক শহুরে ভদ্রলোক একটি ফার্মহাউজ কেনার জন্য গেলো। মালিকের সাথে ফার্মহাউজ দেখতে দেখতে হঠাৎ তার নজরে পড়লো একটা বড় মৌচাক। মৌমাছিকে সে কতটা ভয় পায় তা সে মালিককে জানালো। মালিক বললো, এগুলো একটুও কামড়ায় না। কিন্তু তাতে শহুরে ভদ্রলোকের মন ভরলো না।

শেষমেষ মালিক তাকে প্রস্তাব দিলো, আপনি সব কাপড় খুলে এই গাছের সাথে দাঁড়াবেন আর আমি আপনাকে বেঁধে দিবো। এক ঘন্টার মধ্যে যদি কোন মৌমাছি আপনাকে কামড়ায় তাহলে এই ফার্মহাউজ আপনার জন্য ফ্রি। আর না কামড়ালে আপনি কিনবেন।

প্রস্তাবটা ক্রেতা ভদ্রলোকের পছন্দ হলো। ফ্রি ফার্মহাউজ পাবার জন্য রিস্কটা নেয়া যায়। শর্তমতো তাকে মৌমাছির চাকের নিচে গাছে বেঁধে মালিক চলে গেলো।

এক ঘন্টা পর মালিক ভয়ে ভয়ে ফিরে এলো, না জানি কোন মৌমাছি ক্রেতা ভদ্রলোককে কামড়ে দেয়।

ভদ্রলোক যেমন ছিলেন তেমনই বাঁধা ছিলো। মালিক তাকে জিজ্ঞেস করলো, কোন মৌমাছি কি আপনাকে কামড়েছে?

ভদ্রলোক বললো, না, কোন মৌমাছি আমাকে স্পর্শও করেনি। কিন্তু ঐ বাছুরটার কি কোন মা নেই?

২০৬)

একটা কথা বলা টিয়া পাখি প্রতিদিন টিনা’কে দেখলেই ডাকাডাকি শুরু করে দিত, “আপা, আপা, আপা”। টিনাতো খুশিতে গদগদ হয়ে যেই পাখিটার কাছে যেত, অমনি পাখিটা সুর পাল্টিয়ে বলতে শুরু করতো, “বিশ্রী, বিশ্রী”। টিনাতো রাগে ফেটে পড়লো। দোকানদারকে বেশ হুমকি দিয়ে আসলো। বেচারা নতজানু হয়ে মাফ চাইলো। পরদিন, একি ঘটনা। এবার টিনা আরো রেগে গেলো। বল্লো, এই টিয়া পাখিটার কোন ব্যাবস্থা না করতে পারলে পাড়া থেকে দোকানদারকে বিদায় করবে। তো তার পরদিন, টিনা আবারো হেটে যাচ্ছে। যথারীতি পাখিটা ডাক দিলো, “আপা, আপা”। কি জানি কি মনে করে আরেকবার টিনা কাছে এলো। পাখিটা আর কিছু বলেনা। টিনা জিজ্ঞেস করলো, “কি?”। তখন পাখিটা বল্লো, “বুঝতেই তো পারছেন!”

২০৭)

আরাম খান এর শাশুড়ি একবার ঠিক করলো, তার দুই জামাই এর কে তাকে বেশি ভালোবাসে সেটা পরীক্ষা করবে।

১ম দিন সে ১ম জামাই এর সামনে নদীতে লাফ দিলো, আর ডুবে যেতে লাগলো,দেখতে জামাই তাকে বাঁচায় কিনা।

১ম জামাই নদীতে লাফ দিয়ে তাকে বাঁচালো

শাশুড়ি তাকে খুশি হয়ে ১ম জামাই কে Karizma বাইক গিফট করলো।

পরের দিন সে ২য় জামাই(আরাম খান) এর সামনে নদীতে লাফ দিলো, একি পরীক্ষা করার জন্য।

কিন্তু এই জামাই শাশুড়ি কে দেখতে পারতো না, তাই সে বাঁচালো না। শাশুড়ি মারা গেলো।

কিন্তু পরের দিন দেখা গেলো ২য় জামাই BMW গাড়ি নিয়ে ঘুরছে।

১ম জামাই অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, এটা কোথায় পেলে?

আরাম খান হেসে জবাব দিলো, “আমার শ্বশুর খুশি হয়ে এটা গিফট করেছে”

২০৮)

এক লোক সুইস ব্যাঙ্কে প্রতিদিন হাজার হাজার ডলার জমা দেয়…

মানেজারের একদিন সন্দেহ হল, ভদ্রলোককে ডেকে পাঠালেন…

ম্যানেজার – আপনি প্রতিদিন এত টাকা জমা করেন, আপনার আয়ের উতস কী,

লোকটি – ভাই আমি একজন জুয়াড়ী, আমি বাজী ধরে টাকা রোজগার করি…

ম্যানেজার – কী বলেন! বাজী ধরে এত টাকা… এ অসম্ভব! নিশ্চই আপনার কোনো দুই নম্বরী ব্যবসা আছে…

লোকটি – নারে ভাই আমি সত্য বলছি। আচ্ছা চলেন আপনার সাথেই একটা বাজী হয়ে যাক…

ম্যানেজার – কী বাজী…??!!!

লোকটি – এক সপ্তাহ পরে আমি যখন আসব তখন আপনার একটা বিচী থাকবে আরেকটা নাই, ১০,০০০ ডলার বাজী…

ম্যানেজার একটু ভয় পেলো, কী জানি জুয়াড়ী মানুষ, রাস্তায় বের হলে যদি বিচী কেটে নেয়… তারপর কী একটু ভেবে সে রাজী হল…

লোকটি চলে যাবার পর ম্যানেজার তার সিকিউরিটি ডাবল করল, বাসায় ফোন করে বলল এক সপ্তাহের জন্য বাইরে যাচ্ছে, বাসায় ফিরবে না… এক সপ্তাহ সে ব্যাঙ্কেই কাটিয়ে দিলো…

এক সপ্তাহ পর … সেই লোকটি এল সাথে এক চীনা ভদ্রলোক, ম্যানেজার পকেটে হাত ঢুকিয়ে একবার দেখে নিলো… নাহ ঠিক আছে…লোকটি বলল

লোকটি – সব ঠিক আছে?

ম্যানেজার – হ্যা দুইটাই তো আছে…

লোকটি – আচ্ছা (চীনা লোককে দেখিয়ে) ইনি পরীক্ষা করে দেখবেন… আপনারা দুজন বাথরুমে যান…

বাথরুমে গিয়ে চীনা লোক ম্যানেজারের বিচী ধরে পরীক্ষা করে ফিরে এসে জানালো দুইটা বিচী আছে…

তো সেই লোক মানেজারকে ১০,০০০ ডলার দিয়ে বিদায় হল।

আধা ঘন্টা পর সেই লোক ১০,০০০ ডলার জমা দিতে এলো…!! ম্যানেজার তাকে ডেকে বললেন

ম্যানেজার – কী ব্যপার আপনি না এই মাত্র আমার কাছে বাজীতে হারলেন…!!

লোকটি – হুম তা ঠিক আছে, কিন্তু আমি ঐ চীনা ভদ্রলোকের সাথে বাজী ধরেছিলাম যে সুইস ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের বিচী হাতানোর ব্যবস্থা করে দিব ২০,০০০ ডলার…!!

২০৯)

এক ৬০ বছর মহিলা তার বেড রুম এ অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি দরজা খুলে ঢুকে দেখেন তার ৪০ বছর বয়সী মেয়ে vibrator ব্যবহার করছে।

“কি করছো মা?” মহিলা জিজ্ঞাস করলেন।

মেয়ে কাদো কাদো হয়ে বললঃ “মা, আমার বয়স ৪০ বছর হয়ে পড়ছে এবং আমি এতই কুৎসিত যে আমাকে কোন ছেলেই বিয়ে করতে চায় না। আমি একজন স্বামীর অভাব বোধ করছি। তাই এটাকে দিয়েই স্বামীর শূন্যতা পূরন করছি।“

মা তখন মাথা নিচু করে রুম থেকে বেড় হয়ে গেল।

পরদিন বাবা অদ্ভুত শব্দ শুনে রুম এ ঢুকে দেখেন তার ৪০ বছর বয়সী মেয়ে vibrator ব্যবহার করছে।

“কি করছো মা?” লোকটা জিজ্ঞাস করলেন।

এবারো মেয়ে কাদো কাদো হয়ে বললঃ “বাবা, আমার বয়স ৪০ বছর হয়ে পড়ছে এবং আমি এতই কুৎসিত যে আমাকে কোন ছেলেই বিয়ে করতে চায় না। আমি একজন স্বামীর অভাব বোধ করছি। তাই এটাকে দিয়েই স্বামীর শূন্যতা পূরন করছি।“

বাবা তখন মাথা নিচু করে রুম থেকে বেড় হয়ে গেল।

পরদিন মহিলা দেখতে পেল তার স্বামী এক হাতে বিয়ার আর এক হাতে vibrator নিয়ে টিভি দেখছে। মহিলা জিজ্ঞাসা করলো কি করছো?

লোকটা বললঃ আমি বিয়ার খাচ্ছি আর আমার মেয়ে জামাইকে নিয়ে টিভি দেখছি।

২১০)

দুই গর্ভবতী মহিলা সকালে হাঁটতে বেরিয়েছে। হাঁটতে হাঁটতে তারা গল্প করছে কার কি বাচ্চা হতে পারে। তো এক মহিলা বলছে জানো আমি না গর্ভবতী হবার পর খুব শুকিয়ে গেছি, কিছুই খেতে পারছি না। এসব দেখে আমার শ্বাশুড়ি বলেছেন আমার নাকি ছেলে হবে।

অন্যজন বললো তার লক্ষণ দেখে নাকি সবাই বলছে মেয়ে হবে।

তো অনেক ক্ষণ ধরেই তাদের পাশে দিয়ে ছোট্ট বল্টু মিয়া দৌড়াচ্ছিলো।

হঠাৎ সে বলে উঠলো, আন্টি আন্টি আমার না হাতি হবে।

মহিলা দুজন থমকে দাঁড়ালেন।

তারা জিজ্ঞেস করলো কিভাবে বুঝলে?

ছোট্ট বল্টু মিয়া তখন প্যান্ট খুলে দেখিয়ে বললো ………দেখেন না শুঁড়টা বেরিয়ে আছে!!!

২১১)

ক্রিসমাস পার্টিতে অনেক মাস্তি আর হুল্লোড় করার পরদিন জন প্রচন্ড মাথাব্যথা নিয়ে জাগলো। গতরাতের কথা তার কিছুই মনে ছিলো না। নিচে গিয়ে সে দেখলো তার স্ত্রী কফি বানাচ্ছে।

– গত রাতে আমি খারাপ কিছু করিনি তো? জানতে চাইলো জন।

– তেমন কিছু না, তবে তোমার বসকে সবার সামনে গালিগালাজ করেছো।

– ওই ব্যাটার মুখে আমি পেশাব করি, শয়তান একটা! জন গালি দিয়ে উঠলো।

– তুমি তাই করেছো, ফলস্বরূপ তোমাকে চাকরি থেকে বের করে দিয়েছে। স্ত্রী বললো।

– ফাক হিম! আবারো গালি দিলো জন।

– আমি তাই করেছি, ফলস্বরূপ সোমবার থেকে তুমি আবার চাকরিতে জয়েন করছো।

২১২)

রিয়াদ সাহেবের কান দুটি কাটা পড়েছে বহু আগে। তিনি একটা টিভি চ্যানেল চালান। টিভিতে খবরের জন্যে একজন রিপোর্টার খুঁজছেন তিনি।

ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি, ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

প্রার্থী একগাল হেসে বললো, ‘নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!’

দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

দ্বিতীয় প্রার্থী খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!’

তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

এবার প্রার্থী বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।’

রিয়াদ সাহেব খুশি হয়ে বললেন, ‘বাহ, আপনি তো বেশ — তা কিভাবে বুঝলেন?’

‘সোজা। আপনি চশমা পরবেন কিভাবে, আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

২১৩)

এক লোক ক্যালিফোর্নিয়া উপকূল ধরে সাইকেল চালাচ্ছিল। এমন সময় হঠাৎ সে ঈশ্বরের কন্ঠ শুনতে পেল। ঈশ্বর তাকে বলল তুমি এই মুহূর্তে একটি ইচ্ছার কথা বল, আমি তা পূরণ করব। সাইকেল চালক কিছুক্ষণ ভেবে বলল, আমার বাড়ি হাওয়াইতে। তুমি যদি আমেরিকা থেকে হাওয়াই পর্যন্ত একটি ব্রিজ করে দাও তাহলে আমার খুব উপকার হয়। ঈশ্বর এই কথা শুনে বলল, দেখ, আমি তোমাকে ব্রিজ তৈরী করে দিতে পারি। কিন্তু তুমিই ভেবে দেখ, এতবড় একটি ব্রিজ হবে সাগরের উপর, পিলার উঠে আসবে সাগরের তলদেশ থেকে, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে, আর মানুষ একদিনে এতবড় ব্রিজ দেখে আশ্চর্য হয়ে যাবে। তার চাইতে তুমি এমন কিছু চাও যা তোমার ব্যক্তিগত উপকারে আসবে। লোকটি আরও কিছুক্ষণ ভেবে বলল, ঠিক আছে, তুমি আমাকে আমার স্ত্রীর মন বোঝার ব্যবস্থা করে দাও। এই কথা শুনে ঈশ্বর বলল, ” ইয়ে মানে ব্রিজটা তোমার কতক্ষণের ভিতর লাগবে? “

২১৪)

জজ কোর্ট। জজ আসামীর দিকে তাকিয়ে রায়ের আদেশ পড়ছেন। “তুমি বউকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারার অভিযোগে অভিযুক্ত।”

দর্শকদের ভিতর থেকে আরাম খান চিৎকার করে বলল, “হারামজাদা!”

জজ রায় পড়ে যাচ্ছেন, “তুমি তোমার শাশুড়িকেও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মেরেছো”

দর্শকদের ভিতর থেকে আরাম খান আবার বলে উঠল “হারামজাদা!!”

এইবার জজ আরাম খানকে বললেন, “আমি আপনার রাগের কারন বুঝতে পারছি। কিন্তু এটা কোর্টরুম। আর একবার আপনি এই রকম চিৎকার করলে আপনাকে বিচারে বাধা দেয়ার জন্য গ্রেফতার করা হবে। বুঝছেন?”

এইবার আরাম খান দাঁড়িয়ে বলল, “আমি গত পনের বছর ধরে ওই বদমাশ হারামজাদার প্রতিবেশি। যতবারই আমি তার কাছে একটা হাতুড়ির ধারের জন্য গেছি, সে বলছে তার কাছে হাতুড়ি নাই।”

২১৫)

বৃদ্ধ রহিম মিয়া অন্ধ মানুষ। একদিন সকাল বেলায় তিনি মার্কেটে যাচ্ছিলেন কিছু রুটি কিনতে। রুটি কেনা শেষ, তিনি বাসায় ফিরবেন, হুট করে কোথা থেকে এক কুকুর এসে রহিম মিয়ার পায়ে মুত্র বিসর্জন করলো। রহিম মিয়া ছিটকে দূরে সরে গেলেন … তারপর আহ আহ আহ করে রুটিটা ঝুলিয়ে কুকুরটার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করতে লাগলেন … … সবাই তো তাজ্জব!!! যে লোকের গায়ে কুকুর পেশাব করে দিল, সে কিনা কুকুরটাকে তার রুটি খাওয়াতে চাচ্ছে!

একজন গিয়ে তাকে বলল, ‘রহিম মিয়া, আপনি কি মহান! ওই খারাপ কুকুরটা আপনার গায়ে পিশাব করে দিল, অথচ আপনি তাকে রুটি খাওয়াতে চাচ্ছেন!!!”

রহিম মিয়া উত্তর দিলেন, “আরে ভাই, আমি তো ওকে রুটি দিয়ে ওর পাছার অবস্থান বুঝার চেষ্টা করছি, যাতে যুতসই একটা লাথি বসাতে পারি!”

২১৬)

একদিন আরাম খান এক বারে গিয়ে দেখলো এক লোক হাঁসের নাচের খেলা দেখাচ্ছে। হাঁসটা তার নির্দেশমতো একটা পটের উপর ট্যাপ ড্যান্স করছে। দেখে তো সে দারুণ মুগ্ধ। হাঁসটা কেনার প্রস্তাব দিলো তার মালিককে। অনেক আলোচনা শেষে হাঁসটার মূল্য ১০০০০ ডলার ধার্য হলো।

দু’দিন পরেই আরাম হাস টা নিয়ে আবার সেই বারে ফিরে এলো। হাঁসের পুরোনো মালিককে বললো, তোমার ভূয়া হাঁস ফেরত নাও। আমার সামনে ওকে পটে বসিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু একটা পা-ও নাচেনি।

মালিক উত্তর দিলো, তুমি কি ওর পটের নিচে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছিলে?

২১৭)

ময়দানে সৈন্যদের খোঁজ নিতে গিয়ে জেনারেল বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলেন একজন সৈন্যও উপস্থিত নেই। কিছুক্ষণ পর হাঁপাতে হাঁপাতে এক সৈন্যে এসে হাজির।

– কি কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলো।

– স্যার, ডেট- এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম, থামলো না, একটা ফার্মে গিয়ে একটা ঘোড়া কিনে রওনা দিলাম, মাঝপথে সেটা মারা গেলো। এরপর বাকি ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দৌড়াতে এসেছি।

অজুহাতটা জেনারেলের মনো:পুত হলো না। তারপরও যেহেতু সে এসেছে তাই তাকে ছেড়ে দিলেন।

এরপর আরো আটজন সৈন্য হাঁপাতে হাঁপাতে এলো।

– কি কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলো।

– স্যার, ডেট- এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম, থামলো না, একটা ফার্মে গিয়ে একটা ঘোড়া কিনে রওনা দিলাম, মাঝপথে সেটা মারা গেলো। এরপর বাকি ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দৌড়াতে এসেছি। সবাই এই অজুহাত দিলো।

জেনারেল তাদের অজুহাতে ভারি সন্দিহান হয়ে পড়লেন। কিন্তু যেহেতু এই অজুহাতের কারণে প্রথম জনকে ছেড়ে দিয়েছেন তাই তিনি তাদেরকেও ছেড়ে দিলেন।

একটু পর আরেক সৈন্য হাঁপাতে হাঁপাতে এলো।

– কি কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলো।

– স্যার, ডেট- এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললা …

– বাকিটা আমি বলি। তুমি ট্যাক্সিকে থামতে বললে, সেটা থামলো না। তারপর তুমি একটা ঘোড়া কিনলে….।

– না স্যার, আমি ট্যাক্সি পেয়েছি ঠিকই। কিন্তু একটু দূরে গিয়ে দেখি রাস্তায় অনেক মরা ঘোড়া পড়ে আছে। সেগুলোকে পাশ কাটিয়ে আসতে আসতেই দেরি হয়ে গেলো।

২১৮)

এক লোক মরুভূমিতে পথ হারিয়ে হাঁটছিলো। তৃষ্ণায় তার প্রাণ যায় যায় অবস্থা। এমন সময় সে ব্যাগ নিয়ে এক লোককে গাছের নিচে বসে থাকতে দেখলো।

– আমাকে একটু পানির সন্ধান দিতে পারবে? জানতে চাইল লোকটি।

– হ্যাঁ, যদি তুমি আমার কাছ থেকে একটা টাই কেনো যার দাম ৫০ ডলার।

রেগেমেগে তৃষ্ণার্ত লোকটি বললো, তোমার অমন উল্টাপাল্টা দামের টাই আমার দরকার নেই। পানির খবর বলো নইলে তোমার খবর আছে।

টাইওয়ালা বললো, ঠিক আছে। বলছি। এখান থেকে পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিমে গেলে সুন্দর একটা হোটেল দেখতে পাবে। সেখানে ঠান্ডা পানি পাওয়া যায়। আমার ভাই ওই জায়গার মালিক।

লোকটি পশ্চিমে রওনা হবার পর কয়েক ঘন্টা কেটে গেলো। এরপর আবার টাইওয়ালার কাছে ফিরে এলো সে।

– হোটেলের মালিক তোর ভাই আরেক হারামজাদা, টাই ছাড়া নাকি আমাকে ওখানে ঢুকতে দিবে না!

২১৯)

বব আর জো প্রতিবেশী। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মাঝে ঝগড়া। বব জো-কে শিক্ষা দেয়ার জন্য একটা কুকুর কিনে আনলো আর তাকে ট্রেনিং দিলো কিভাবে জো-এর বাড়িতে গিয়ে বাথরুম করতে হবে। এমনটা এক বছর চললো কিন্তু জো টুঁ শব্দটি করলো না।

বব এবার একটা গরু কিনে আনলো আর তাকে ট্রেনিং দিলো কিভাবে জো-এর বাড়িতে আর উঠানে বাথরুম করতে হবে। এমনটা এক বছর চললো, গরুটা জো-এর বাড়িঘর দুর্গন্ধময় করে দিলো। কিন্তু জো টুঁ শব্দটি করলো না।

একদিন সকালে আওয়াজ শুনে বব বাইরে এসে দেখলো একটা ১৮ চাকার ট্রাক তার উঠানের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে।

– কি হচ্ছে এসব? জানতে চাইলো বব।

– ট্রাক এ আমার নতুন পোষা হাতি। জো উত্তর দিলো।

২২০)

এক আর্টিস্ট গ্যালারির মালিকের কাছে জানতে চাইলো তার কোন ছবি বিক্রি হয়েছে কী না। মালিক একটু ইতস্তত করে বললো, একটা ভালো খবর আছে আরেকটা খারাপ খবর আছে।

– ভালো খবরটা হলো, এক ব্যক্তি তোমার ছবিগুলো সম্পর্কে জানতে চাইছিলেন, তোমার মৃত্যুর পর সেগুলোর মূল্য বাড়বে কী না। আমি বলেছি হ্যাঁ। তখন তিনি সবগুলো ছবি কিনে নিয়েছেন।

– আর খারাপ খবর কী? আর্টিস্ট জানতে চাইলো।

– যে তোমার ছবিগুলো কিনেছে সে তোমার ডাক্তার।

২২১)

ভ্যালেন্টাইন ডে’তে এক তরুণী গেল আর্চি শপে।

আমাকে একটা ভালো কার্ড দেখান তো।

নিশ্চয়ই বয়ফ্রেন্ডের জন্য?

ঠিক ধরেছেন।

এটা দেখুন তো।

তরুণীটি কার্ডটি হাতে নিয়ে দেখে তাতে লেখা- ‘প্রিয়তম, এই দিনে আমার এ হৃদয় সবটাই তোমার জন্য’ কার্ডটা তরুণীটির খুব পছন্দ হলো।

হ্যা, এটাই দিন।

দোকানদার একটা কার্ড সুন্দর করে প্যাকেট করে বাড়িয়ে দিল তরুণীটির দিকে। এবার তরুণীটি বিরক্ত হয়ে বলল, একটা না, এক ডজন কার্ড দিন।

২২২)

কিছু অত্যন্ত ধনী লোকের জীবনযাপন কে আমরা শৈখিনতা বলি। আসলে তা যে কি বিরক্তিকর তাই দেখুন।

প্রশ্নঃ কি পান করবেন? ফলের জুস, চা, কফি, মিল্ক সেক, সোডা, কোল্ড ড্রিংক?

উত্তরঃ না ধন্যবাদ, শুধু চা।

প্রশ্নঃ সিলন চা, লাল চা, গ্রীন টি, হারবাল টি, আইস টি, নাকি হানি টি?

উত্তরঃ সিলন চা।

প্রশ্নঃ কোনটা? ব্লাক না হোয়াইট?

উত্তরঃ হোয়াইট

প্রশ্নঃ দুধ, কন্ডেন্স মিল্ক নাকি হোয়াইটনার?

উত্তরঃ দুধ।

প্রশ্নঃ ছাগলের, গরুর নাকি ঊটের?

উত্তরঃ গরুর দুধ দেন।

প্রশ্নঃ আফ্রিকান গরু নাকি দেশি গরুর?

উত্তরঃ দেশি।

প্রশ্নঃ ঠান্ডা নাকি গরম?

উত্তরঃ গরম।

প্রশ্নঃ ফুল ক্রিম, লো ফ্যাট নাকি ফ্যাট ফ্রি?

উত্তরঃ থাক লাগবে না, আপনি বরং হোয়াইট টি ই দিন।

প্রশ্নঃ মিষ্টি হিসেবে কি খাবেন, চিনি, সুইটনার নাকি মধু?

উত্তরঃ চিনি দিন।

প্রশ্নঃ আখের চিনি নাকি বিট সুগার?

উত্তরঃ আখের চিনি।

প্রশ্নঃ চিকন দানার নাকি মোটা দানার?

উত্তরঃ আচ্ছা বাদ দেন আমার কিছু লাগবে না। শুধু এক গ্লাস পানি দেন।

প্রশ্নঃ মিনারেল নাকি নরমাল?

উত্তরঃ মিনারেল

প্রশ্নঃ বোতলের নাকি ক্যান এর?

উত্তরঃ থাক কিছুই লাগবে না। আমি যাই।

২২৩)

নতুন দম্পতি হানিমুনে গেছে। বাথটাবে গোসল করতে করতে স্বামী ভাবছে, আমার পায়ে তো খুব দুর্গন্ধ হয়। মোজাগুলোর গন্ধ শুঁকলে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। বিয়ের আগের দিনগুলোতে নাহয় কোনভাবে ব্যাপারটা চাপা দিয়ে রেখেছি। কিন্তু এখন কি হবে?

ওদিকে বিছানায় শুয়ে স্ত্রী ভাবছে, আমার মুখে তো বিশ্রী দুর্গন্ধ। বিয়ের আগে নাহয় কোনভাবে এটাকে লুকিয়ে রেখেছি। এখন কি হবে?

স্বামী গোসল সেরে মনস্থির করলো যে সে তার খারাপ দিকটা স্ত্রীর কাছে স্বীকার করেই ফেলবে। এই ভেবে সে বিছানায় উঠে স্ত্রীকে এক হাতে জড়িয়ে ধরলো। বললো, জানু, তোমাকে আমার একটা খারাপ দিকের কথা বলবো বলে ভাবছি।

স্ত্রী বললো, আমারও একটা কথা বলার আছে।

স্বামী বললো, তোমারটা আমি জানি, আমার মোজা খেয়ে ফেলেছো তুমি, তাই না?

২২৪)

এক সরকারি অফিসে দারুণ কাজের চাপ। দুই সহকর্মী ছুটি তো দূরে থাক, সারাদিন দম ফেলার সুযোগ পায় না।

একদিন একজন আরেকজনকে বললো, আমি জানি কিভাবে ছুটি আদায় করতে হয়।

অন্যজন জানতে চাইলো, কিভাবে?

প্রথমজন এদিক ওদিক তাকালো। দেখলো তাদের ডিপার্টমেন্টের প্রধানের কোন দেখা নেই। সে টেবিলে লাফ দিয়ে উঠে ছাদের কয়েকটা টাইলস খুলে ফেললো। সামান্য সিমেন্ট খুড়তেই সিমেন্ট আর রড দেখা গেলো। বারান্দায় ডিপার্টমেন্ট প্রধানের আওয়াজ শুনে সে রড ধরে ঝুলে পড়লো।

রুমে ঢুকে প্রধান তো অবাক। তিনি জানতে চাইলেন, এখানে কি হচ্ছে?

ঝুলতে থাকা কর্মচারী জবাব দিলো, আমি একটা বাল্ব।

প্রধান বললো, আমার মনে হয় তোমার ছুটি নেয়া উচিত। তোমাকে এখন থেকে ছুটি দেয়া হলো, ২ দিনের আগে যেন তোমার ছায়া দেখা না যায়…. এটা আমার অর্ডার।

ইয়েস স্যার –  বলে ছাদ থেকে নেমে বাইরে চলে গেলো প্রথম কর্মচারী।

দ্বিতীয়জনও বাইরে হাঁটা ধরলো। প্রধান তাকে থামালো, তুমি কোথায় যাচ্ছো শুনি?

দ্বিতীয়জন বললো, বাড়িতে। বাল্ব ছাড়া অন্ধকারে কিভাবে কাজ করবো?

২২৫)

একবার এক বাংলাদেশী সৌদি আরবে এনার্জি ড্রিংকের ব্যবসা শুরু করল।তো এনার্জি ড্রিংক খুব একটা চলছে না।কি আর করা তিনি পরামর্শ করতে গেলেন এক বিজ্ঞাপন নির্মাতার কাছে।তো বিজ্ঞাপন নির্মাতা পরামর্শ দিলেন একটা বিজ্ঞাপন তৈরী করে শহরের বিল বোর্ডে লাগিয়ে দিতে।যেই ভাবা সেই কাজ।পরদিন শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ যায়গায় দেখা গেল এনার্জি ড্রিঙ্কের বিজ্ঞাপণ।বিজ্ঞাপনের প্রথম দৃশ্যে দেখা গেল এক লোক ঘেমে নেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে…দ্বিতীয় দৃশ্যঃ লোকটা এনার্জি ড্রিংক খাচ্ছে…তৃতীয় দৃশ্যঃ লোকটাকে বেশ ফ্রেশ এবং মোটাতাজা লাগছে…

এই বিজ্ঞাপন দেয়ার পরদিন থেকে ওই এনার্জি ড্রিংকের বিকি-কিনি পুরাই বন্ধ হয়ে গেল…

কারণ আর কিছুই না সৌদি আরবের লোকজন পড়া শুরু করে ডানদিক থেকে……

২২৬)

এক লোক বারে মদ খেতে ঢুকলো। দীর্ঘক্ষণ ধরে মদ খেলো সে। সেই সাথে অনেকক্ষণ ধরে সে খেয়াল করলো পুরো বারে একটা মাত্র মেয়ে তার দিকে পিছন ফিরে একটা টেবিলে বসে আছে। সে উঠে গিয়ে মেয়েটাকে ধরে দিলো এক চুমু।

মেয়েটা তো রাগে চেঁচিয়ে উঠলো- এসব কি হচ্ছে?

মাতাল লোকটি বললো, মাফ করবেন, আপনাকে পেছন থেকে দেখে আমার স্ত্রী মনে করেছিলাম।

মেয়েটা এতে শান্ত তো হলোই না বরং আরো জোরে চেঁচিয়ে উঠলো, হারামজাদা, ইতর, লম্পট, বদমাশ…..

মাতালটি বললো, আরে, আপনি তো আমার স্ত্রীর মতোই চেঁচান।

২২৭)

বিদায়ের মুহূর্তে পুরাতন সিইও নতুন সিইওকে তিনটি খাম দিয়ে বললো, এই খাম তিনটা রাখুন। কোম্পানিতে সমস্যা দেখা দিলে ১, ২ তারপর ৩ নম্বর খাম খুলবেন। আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

দায়িত্ব নেবার ছয়মাস পর্যন্ত নতুন সিইও খামগুলো ব্যবহারের কথা ভাবলোই না। তারপর একদিন শেয়ার মার্কেটে ব্যাপক দরপতন হলো। পেরেশান হয়ে নতুন সিইও প্রথম খামটা খুললো। তাতে লেখা ছিলো, আগের সিইওর ওপর সব দোষ চাপিয়ে দাও।

পরামর্শমতো নতুন সিইও এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে আগের সিইওর খুব বদনাম করলো। এতে কাজ হলো। মার্কেট আবার চাঙ্গা হয়ে উঠলো।

এর এক বছর পর আবার কোম্পানির বিক্রিতে ধ্বস নামলো। এবার সিইও দ্বিতীয় খামটা খুললো। তাতে লেখা ছিলো, পুরাতনদের ছাঁটাই করে নতুন কর্মী নাও।

এবার পরামর্শ মতো কাজ করার ফলে সমস্যা থেকে কোম্পানি বেরিয়ে এলো।

এর এক বছর পর কোম্পানিতে আবার সমস্যা দেখা দিলো। এবার সিইও তিন নম্বর খাম খুললো। তাতে লেখা ছিলো, তিনটা খাম তৈরি করো।

২২৮)

সৈনিকদের ক্লাস চলছে, মেজর পড়াচ্ছেন বিজ্ঞান।

– পানি বাস্পে পরিণত হয় নব্বুই ডিগ্রী তাপমাত্রা।

একজন উঠে দাঁড়িয়ে বললো – নব্বুই না স্যার, একশোতে।

– যাদের মাথায় গোবরও নেই তাদের জন্য বলছি, পানি বাষ্পে পরিণত হয় নব্বুই ডিগ্রী তাপমাত্রায়।

– কিন্তু স্যার, বইতে যে লেখা আছে একশো ডিগ্রীর কথা!

অবাধ্য সৈনিকের বক্তব্যের সত্যতা বই ঘেঁটে পরীক্ষা করে দেখলেন মেজর। তারপর বললেন:

– সত্যিই তো! আমি আসলে সমকোণের সাথে গুলিয়ে ফেলেছিলাম।

২২৯)

উপায়ান্তর না দেখে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিলো আমেরিকান স্পাই। গেল সে কেজিবি অফিসের এক নম্বর কক্ষে। বললো:  আমি এসেছি অকপটে নিজের দোষ স্বীকার করতে!

– অকপট স্বীকারোক্তি ১৩৮ নম্বর ঘরে।

১৩৮ নং কক্ষে গিয়ে বললো:  আমাকে গোয়েন্দা হিসেবে পাঠানো হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নে।

– গোয়েন্দা বিষয়ে কথা থাকলে যান ২২৭ নম্বর ঘরে।

২২৭ নং কক্ষে গিয়ে বললো:  আমাকে এদেশে পাঠানো হয়েছিল স্পাই হিসেবে।

– কিসে চড়ে এসেছিলেন?

– জাহাজে।

– জলভাগ ডিল করে ৩৬৮ নম্বর ঘর।

৩৬৮ নং কক্ষে গিয়ে বললো: আমাকে এদেশে পাঠানো হয়েছিল জাহাজে করে।

– সাধারণ জাহাজ নাকি ডুবো জাহাজ?

– ডুবোজাহাজ।

– ডুবোজাহাজ বিষয়ক কথাবার্তা ৭৯৪ নং ঘরে।

৭৯৪ নং কক্ষে গিয়ে বললো: আমাকে ডুবো জাহাজে করে পাঠানো হয়েছিল এদেশে।

– সরাসরি বলুন, আপনাকে কোনো দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল নাকি দেয়া হয়নি এখনও?

– হ্যাঁ আমাকে একটি বিশেষ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

– তাহলে আর খামোখা জ্বালাতন করছেন কেন সবাইকে? দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পালন করুন!

২৩০)

একবার প্রেসিডেন্স ক্রুশ্চেভ গেলেন আমেরিকা সফরে। সেখানে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট তাকে শ্রমিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় নিয়ে গেলেন এবং ক্রুশ্চেভের সামনে ঘোষনা দিলেন, “আজ থেকে তোমাদের বেতন দ্বিগুণ করা হলো”। শ্রমিকরা খুব খুশি। তখন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বললেন, “দেখলেন আমাদের শ্রমিকরা কত খুশি!”

আমেরিকান সেই প্রেসিডেন্টকে রাশিয়ায় দাওয়াত দিলেন ক্রুশ্চেভ, এবার তিনি শ্রমিকদের সাথে একটি সভায় নিয়ে গেলেন আমেরিকান প্রেসিডেন্টকে এবং বললেন, “দেখবেন আমাদের শ্রমিকরা কত খুশি এখানে।”

তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বললেন, “আজ থেকে সবার বেতন কমিয়ে অর্ধেক করা হলো।”

প্রচন্ড করতালি।

তিনি বললেন, “আজ থেকে প্রতি ১০ জনের একজনকে শ্রমশিবিরে পাঠানো হবে।”

প্রচন্ড করতালি।

তিনি এবার বললেন, “আজ থেকে প্রতি ২০ জনের একজনকে ফাঁসিতে ঝুলানো হবে।”

এবারো প্রচন্ড করতালি। হঠাৎ একজন দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো, “ফাঁসির দড়ি কি আমরা নিয়ে আসবো না ট্রেড ইউনিয়ন সরবরাহ করবে?”

২৩১)

এক মহিলা প্রতিদিন তার বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে- সকল প্রশংসা আল্লাহর।

পাশের বাড়ির এক নাস্তিক তাই শুনে জবাব দেয়- আল্লাহ বলতে কিছু নেই।

একদিন মহিলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করলো- আল্লাহ, আমার বাজারটা করে দাও।

একটু পরে সে দেখলো তার বাড়ির বাইরে ব্যাগ ভর্তি তরকারি-মাছ ইত্যাদি পড়ে আছে।

সে তা দেখে চিৎকার করে বললো- সকল প্রশংসা আল্লাহর।

পাশের বাড়ির নাস্তিকটি বললো, আল্লাহ বলে কিছুই নেই। আমি ওই বাজার করে দিয়েছি।

মহিলা বললো- সকল প্রশংসা আল্লাহর। তিনি শুধু আমার বাজারই করে দেননি, শয়তানকে দিয়ে তার দামও পরিশোধ করিয়েছেন।

২৩২)

ক্যাপ্টেন সৈনিকদের ক্লাশ নিচ্ছিলেন, একজন সৈনিক দাঁড়িয়ে বললো, স্যার কুমির কি উড়তে পারে?

ক্যাপ্টেন বললেন, না, কুমির উড়তে পারেনা।

ক্যাপ্টেন ক্লাশের পড়ানোয় মন দিলেন। সৈনিকটি দাঁড়িয়েই রইলো। কিছুক্ষণ পর আবার বললো, স্যার কুমির কি উড়তে পারে?

ক্যাপ্টেন একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, যাদের বুদ্ধি হাটুতে তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না।

যথারীতি ক্যাপ্টেন পড়াচ্ছেন আর সৈনিক দাঁড়িযেই আছে। আবার একটু পর সৈনিক বললো, স্যার কুমির কি উড়তে পারে?

ক্যাপ্টেন এবার রেগে গিয়ে বললেন, যাদের মাথায় গোবর ভরা তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না।

এবার সৈনিকটি বললো, কিন্তু স্যার, জেনারেল স্যার যে বলছিলেন, কুমির উড়তে পারে!

ক্যাপ্টেন এবার কয়েক মূহুর্ত ভেবে বললেন, ও জেনারেল স্যার বলেছেন নাকি? তাহলে কুমির উড়তে পারে তবে খুব নিচ দিয়ে!

২৩৩)

পোস্ট অফিসের লোকের প্রাপকের ঠিকানা ছাড়া একটি চিঠি পেল। চিঠি খোলার পর দেখা গেল এক লোক ঈশ্বরের কাছে ১০০০ টাকা চেয়ে চিঠি লিখেছে। পোস্ট অফিসের লোকদের মনে দয়া হল। তারা নিজেদের মধ্যে চাঁদা উঠিয়ে ঐ লোকের ঠিকানায় ১০০ টাকা পাঠিয়ে দিল।

এর কয়েক দিন পর ঠিকানা বিহীন আবার একটি চিঠি পাওয়া গেল। প্রাপক পূর্বের সেই লোক। খোলার পর দেখা গেল সেই লোক ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে-

আপনার পাঠানো টাকা আমি পেয়েছি। তবে এর পর থেকে টাকা পাঠালে দয়া করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠাবেন। আমাদের দেশের পোস্ট অফিসের অবস্থাতো আপনি জানেন। আমার ধারণা আপনার পূর্বের পাঠানো ১০০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা পোস্ট অফিসের লোকেরা মেরে দিয়েছে। আমি শুধু ১০০ টাকা পেয়েছি।

২৩৪)

একটা মা উট আর বাচ্চার মধ্যে কথা হচ্ছে।

বাচ্চা উটঃ মা আমাদের পা এত লম্বা কেন?

মা উটঃ মরুভুমিতে ভালমত দৌড়ানোর সুবিধার জন্য আমাদের পা এত লম্বা।

বাচ্চা উটঃ মা আমাদের চোখের পাপড়ি এত বড় বড় কেন?

মা উটঃ মরুভুমির বালু যেন আমাদের চোখের মধ্যে না ঢুকে সেই জন্যে আমাদের চোখের পাপড়ি এত বড় বড়।

বাচ্চা উটঃ মা আমাদের পিঠের উপর এত বড় কুজ কেন?

মা উটঃ আমাদের এই কুজের মধ্যে পানি জমা থাকে। যেন আমরা মরুভুমিতে অনেকদিল পানি ছাড়া চলাফেরা করতে পারি।

বাচ্চা উটঃ মা, আমাদের মরুভুমিতে চলাফেরা করার জন্য এত কিছু আছে, কিন্তু মা……

মা উটঃ কি বাবা?

বাচ্চা উটঃ এত কিছু থাকার পরও আমরা ঢাকা চিড়িয়াখানায় কেন?

২৩৫)

এক হিন্দু পুরোহিত, এক হুজুর আর এক রাজনীতিবিদ গাড়িতে করে যাচ্ছিলো। পথে তাদের গাড়ি নষ্ট হয়ে গেলো। ভাগ্য ভালো কাছেই একটা ফার্মহাউজ ছিলো। মালিক তাদেরকে জায়গা দিলো রাতটা থাকার জন্য। তবে মাত্র একটা ঘর তারা পেলো যেখানে মাত্র ২টা বিছানা ছিলো। ফলে কাউকে না কাউকে খোঁয়াড়ে শুতে যেতেই হতো।

হিন্দু পুরোহিত স্বেচ্ছায় খোঁয়াড়ে শুতে গেলো। একটু পর দরজায় টোকা পড়লো। দেখা গেলো হিন্দু পুরোহিত ফিরে এসেছে। সে বললো, খোঁয়াড়ে একটা গরু আছে। গরু যেহেতু পবিত্র তাই এক সাথে থাকা তার পক্ষে সম্ভব না।

অত:পর হুজুর খোঁয়াড়ে থাকতে রাজি হলো। কিন্তু একটু পরেই দরজায় টোকা দিলো সে। জানালো, খোঁয়াড়ে একটা শুয়োর আছে। ধর্মে যেহেতু শুয়োর অপবিত্র, তাই ওটার সাথে খোঁয়াড়ে থাকা তার পক্ষে সম্ভব না।

অগত্যা রাজনীতিবিদ খোঁয়াড়ে থাকতে গেলো। একটু পরে দরজায় টোকা পড়লো। এবার গরু আর শুয়োরটা এসেছে।

২৩৬)

এক বিজ্ঞানী জঙ্গলে দীর্ঘদিন যাবত যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়া গবেষনায় মত্ত। অবশেষে তিনি একটা ইঞ্জেকশন আবিস্কার কইরা ফালাইলেন। এখন টেষ্ট করানোর জন্য কেউরে পাইতেছে না।

শেষমেষ নিজের পোষা বিড়ালের উপর সেইটা প্রয়োগ কইরা দিলেন। বিলাই যৌন উন্মাদনায় উত্তেজিত হইয়া যেইখানেই ফুটা পায় সেখানেই করা শুরু করে। বিজ্ঞানী সফল হইলে ও বিলাই লইয়া বিপদে পইড়া গেলেন। বিলাইয়ের সেক্স কিছুতেই কমে না। যখন যা পায় সেইটার লগেই সেক্স করবার যায়। শেষে বিজ্ঞানী বিলাইরে ধইরা ডীপ ফ্রীজে ঢুকাইয়া রাখল যাতে মইরা গেলে সকালে ফালাইয়া দিতে পারে।

সকালে বিজ্ঞানী ফ্রীজ খুইলা তাজ্জব হইয়া গেল, দেখল বিলাই খালি ঘামাইতেছে আর ঘাম মুছতেছে।

বিজ্ঞানী জিগাইল কিরে তুই মরস নাই ? বিলাই চিল্লাইয়া কইলঃ শালা, কাচা মুরগির লগে করা যে কি কষ্ট সেইটা তুই কি কইরা বুঝবি ?

২৩৭)

সে এক আদ্যিকালের কথা।এক রাজ্যে ছিল এক বুড়ি। বুড়ির খুব দু্ঃখ। তার স্বামী মারা গেছে বহু আগে, কোন ছেলেপেলেও নেই। আছে শুধু একটা ছাগল। ভিক্ষা করে কোনরকমে নিজের আর ছাগলের পেট চলে। তো একদিন বুড়ি ভিক্ষা করছে। এক বাড়িতে তাকে ভিক্ষা দিল একটা প্রদীপ। বুড়ি ভাবল এটা দিয়ে কী করা যায়? যা থাকে কপালে ভেবে ঘষা দিল প্রদীপে।

তারপর যা হয় আর কি। এক জ্বিন এসে হাজির। বলল, হুকুম করুন। আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব।

বুড়ি তার প্রথম ইচ্ছা জানাল, আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপ্রাসাদের মালিক বানিয়ে দাও।

“জো হুকুম”। বুড়ি রাজপ্রাসাদে এসে গেল।

আপনার দ্বিতীয় ইচ্ছা কি?

আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজকন্যা বানিয়ে দাও।

তাই হল।

তৃতীয় ইচ্ছা কি?

আমার পোষা ছাগলটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে যৌনআবেদনময় পুরুষ বানিয়ে দাও।

বুড়ির এই ইচ্ছাও পূরণ হল।

আমি এখন মুক্ত। এই বলে জ্বীন অদৃশ্য হল।

সুদর্শন যুবক (যে কিনা আগে ছাগল ছিল) এগিয়ে এল বুড়ির (যে এখন সুন্দরী রাজকন্যা) দিকে। বুড়ির নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল। বুড়ির কানে কানে সে বলল, আপনার কি মনে আছে শৈশবে আপনি আমাকে ছাগল থেকে খাসী করে দিয়েছিলেন???

২৩৮)

লুইসদের বাসায় গরুর খামার আছে। অনেক গরু। তো প্রতিদিন সকালে গরুর দুধ দুইতে দুইতে ওর বাবার হাত ব্যথা হয়ে যায়। তো একদিন লুইসের বাবা বাজার থেকে একদিন একটা মেশিন নিয়ে আসলো। ওইটা গাভীর স্তনে লাগিয়ে বোতাম চাপলে অটো দুধ বের হতে থাকে।

লুইস তখন কিছুটা বড় হইছে। তো ওর মাথায় একটা দুষ্টু বুদ্ধি আসলো। কেমন আরাম লাগে দেখার জন্য সে দুধ দোওয়ার মেশিনটা জায়গামত লাগিয়ে সে আরামে উপভোগ করতে লাগলো। তো কিছুক্ষণ পর লুইসের হয়ে গেলো। কিন্তু মেশিন থামে না। সে তন্ন তন্ন করে খুঁজেও মেশিনের আর কোনো বোতাম পায়না। ইতিমধ্যে তার আরো একবার হয়ে গেলো। কিন্তু মেশিন থামে না। চলছেই। লুইস দেখে যে মাত্র একটাই বোতাম মেশিনে, বার বার সে ওইটাই চেপে চলে কিন্তু মেশিন থামে না। ইতিমধ্যে আর একবার হয়ে গেলো। লুইস পাগল হয়ে গিয়ে ক্যাটালগ খুজে দেখে সেখানে লিখা…………

This machine will stop automatically after minimum one liter discharge.

২৩৯)

প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যাবে। সে এসেছে শেষ বারের জন্য প্রেমিক এর সাথে দেখা করতে। তো প্রেমিক বলছে, তোমার তো বিয়েই হয়ে যাবে, তার আগে তোমাকে আমি আদর করতে চাই। তো প্রমিকা রাজী হইছে। প্রেমিক বলছে, তোমাকে তো মাত্র একদিনই আদর করতে পারবো, তো একটা ব্যবস্থা করি যেন অনেকবার আদর করা যায়। আমার কাছে একটা কবিরাজি ঔষধ আছে। আমি সেইটা খাই। প্রেমিকা কইছে ঠিক আছে। তো প্রেমিক, নাম হইলো আবুল, লাইট নিভায়ে দিয়ে আদর করা শুরু করছে।

একবার, দুইবার, তিনবার…….. আদর করতেছে তো করতেছেই। অনেকক্ষন পর প্রেমিকা কয়, আবুল আর কত আদর করবে, আমারতো ব্যাথা করতেছে?

:আবুল কে? ও বুঝেছি যেই লোকটা বাইরে টিকিট বিক্রি করতেছে।

২৪০)

এক পাগলের অভ্যাস ছিল গুলতি দিয়ে যে কোন কাঁচের জানালা ভাঙ্গার। তাকে ধরে মানসিক চিকিৎসালয়ে নিয়ে আসা হল। এক বছর চিকিৎসার পর ডাক্তারের ধারনা হল রোগ মুক্তি হয়েছে, তাকে ছেড়ে দেয়া যায়। ছাড়বার আগে শেষ পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তারের চেম্বারে তাকে ডাকা হল।

ডাক্তার : স্যার, আমাদের ধারণা আপনি সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেছেন। তাই আপনাকে ছেড়ে দেয়া হবে। এবার আপনি বলুন, এখান থেকে ছেড়ে দেয়ার পর আপনি কী করবেন?

পাগল : আমি! সত্যি বলব?

ডাক্তার : বলুন।

পাগল : প্রথমে ভালো একটা স্যুট কিনব। তারপর সেটা পরে আমি রূপসী বাংলা হোটেলে যাবো ডিনার খেতে।

ডাক্তার : গুড, নর্মাল ব্যাপার, তারপর?

পাগল : তারপর সেখানে সুন্দরী এক সোসাইটি গার্লকে বলব যে, মে আই হ্যাভ এ ড্যান্স উইথ ইউ?

ডাক্তার : গুড, নর্মাল, তারপর?

পাগল : তারপর তাকে ডিনার খাওয়াবো। মদ খাওয়াবো।

ডাক্তার : ঠিক আছে, তারপর?

পাগল : তারপর তাকে হোটেলের একটা রুমে নিয়ে আসব। নীল আলো জ্বালিয়ে দেবো। স্লো মিউজিক চালিয়ে দেব।

ডাক্তার : নর্মাল সবকিছু, তারপর?

পাগল : তারপর ধীরে ধীরে শাড়ী খুলব, ব্লাউজ খুলব, পেটিকোটটা খুলে ধীরে ধীরে নামিয়ে আনব পা থেকে।

ডাক্তার : নাথিং রং, তারপর?

পাগল : এবার মেয়েটির শরীরে বাকী আছে তার আন্ডারওয়ার। এখন ধীরে ধীরে সেই আন্ডারওয়ারটি খুলে নেব আমি।

ডাক্তার : তারপর?

পাগল : তারপর আন্ডারওয়ার থেকে ইলাস্টিকের দড়িটা খুলে নেব আমি। এই ইলস্টিক দিয়ে নতুন গুলতি বানাবো। আর সেই গুলতি দিয়ে শহরের যত কাঁচের জানালা আছে সব ভেঙে চুরমার করে দিব আমি!!!

২৪১)

জনি বেশ কিছুদিন চীন ঘুরে ফিরে দেশে ফিরেছে। তো চীনে থাকা কালীন সময়ে সে ভালই মউজ মাস্তি করেছে। চীনা খাবার-দাবার থেকে শুরু করে চীনা মেয়ে-মানুষ কোনটাই তার মেন্যু থেকে বাদ যায়নি। ফলাফল স্বরূপ দেশে ফেরার এক সপ্তাহের মাথায় তার পুরুষাঙ্গ কেমন একধরনের সবুজ সবুজ গোটায় ভরে গেল। প্রচন্ড ভয়ে জনি তখনি ডাক্তারের কাছে ছুটলো। ডাক্তার সব দেখে শুনে চিন্তিত মুখে এদিক ওদিক মাথা নাড়লেন। তারপর এটা ওটা অনেক টেস্ট দিলেন। সেসব টেস্টের রেজাল্ট দেখে তার মুখ আরো গম্ভির হলো। তিনি জনিকে বললেন – মি: জনি আমি খুব দুঃখিত হয়ে জানাচ্ছি যে, আপনার যে রোগ হয়েছে তাতে আপনার ইয়েটা যদি এখনি অপারেশন করে কেটে ফেলা না হয়, তবে আপনার জীবন বাঁচানোই দায় হয়ে যাবে। জনি এ কথা শুনে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো – বলছেন কি ডাক্তার সাহেব?! ওটা ছাড়া এ জীবন রেখে কি হবে? সে কাঁদতে কাঁদতেই গেল তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুর কাছে দুঃখের কথা বলবে বলে। তার বন্ধু সব শুনে বলল – শোন দোস্ত, যেহেতু তুই চীনে গিয়ে এই রোগ বাধিয়েছিস সেহেতু এই রোগের চিকিৎসা চীনা কোন ডাক্তারই ভালো জানবে। আমার পরিচিত এক চীনা ভেষজ ডাক্তার আছে। চল তার কাছে যাই। জনি যেন কিছুটা আশা ফিরে পেল, বলল – চল তবে এক্ষুনি যাই।

চীনা ডাক্তার সব দেখে শুনে ভীষন বিরক্তিতে চোখ মুখ কুঁচকে বললেন – তোমাদের দেশের এই সব ছাই পাশ ডাক্তার কি যে সব বলে না! সুযোগ পেলেই খালি ধর মার কাট কাট!! কেন বাপু, কি এমন হয়েছে যে তোমার ওটা অপারেশন করে কেটে ফেলতে হবে?! জনির চোখে আশার আলো ঝিলিক দিয়ে উঠলো – সত্যি বলছেন ডাক্তার সাহেব? আমার তাহলে অপারেশন লাগবে না? ওটা কেটে ফেলতে হবে না?

ডাক্তার বললেন – আরে না বোকা! কোন অপারেশন লাগবে না। তুমি আর এক সপ্তাহ অপেক্ষা করো। ওটার যা অবস্থা, তাতে ওটা আপনা আপনিই খসে পড়বে।

২৪২)

ছোট বোন নতুন প্রমে করতেছে, এখন ডেটিংএ যাবে। তো বড় বোন শেখায়ে দিয়েছে, যত ভাল ছেলেই হোক দেখবি শুধু সেক্স করতে চাইবে। তবে একটা বুদ্ধি বলে দেই, তাহলে আর কোন অসুবিধা হবে না। যখনই দেখবি তোর কাপড়ে হাত দিচ্ছে, বলবি, যদি আমাদের একটা বাবু হয় তাহলে কি নাম রাখবে? দেখবে ছেলেটা আর আগাবে না।

তো মেয়েটা এই কথা কয়েকবার বলেছে। সত্যি সত্যি ছেলেটা আর আগায় নাই।

তারপর একদিন, ছেলেটা যেই আদর করতে শুরু করেছে …

“আমাদের বাবু হলে কি নাম রাখবে?”

ছেলেটা পকেট থেকে একটা কনডম বের করে দেখায়া বলছে যদি এর ভিতর থেকে ও বের হতে পারে …

২৪৩)

বউ সন্দেহ করছে যে তার স্বামীর সাথে কাজের মেয়ের অবৈধ স্বম্পর্ক আছে। শিওর হওয়ার জন্য সে কাজের মেয়েকে ১ দিন ছুটি দিল কিন্তু স্বামীকে এটা বলল না।

রাতে স্বামী বাসায় এসে ঘুমোতে যাওয়ার সময় স্ত্রী আদর পেতে চাইলে স্বামী বললঃ আমার শরীর টা ভালো না। আজ থাক। এই বলে সে ঘুমিয়ে পড়লো।

স্ত্রী ঘুমের ভান করে জেগে থাকলো। মাঝ রাতে স্বামী উঠে পাশের রুমে টয়লেট এ গেল।

স্ত্রী তখন কাজের মেয়ের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো এবং লাইট বন্ধ করে দিল।

একটু পর স্ত্রী কিছু একটা অনুভব করলো। কাজ শেষ হওয়ার পর স্ত্রী লাইট জ্বালিয়ে বললোঃ তুমি নিশ্চয় আমাকে এই বিছানায় আশা করোনি !!

“অবশ্যই না ম্যাডাম”, বললো ড্রাইভার !!

২৪৪)

Batman এবং Spiderman ছুটিতে যাওয়ায় সুপারম্যান বেচারা একা হয়ে পড়লো। সে একা একা উড়ে বেড়ায়। একদিন সে সাগরের পারে উড়ছে, হঠাৎ দেখতে পেল wonder woman, কাপড় ছাড়া পা ছড়িয়ে শুয়ে আছে, সুপারম্যান ভাবলো সে রোদ পোহাচ্ছে, এইতো সুযোগ, এই ফাকে কাজটা সেরে ফেলা যাক। সুপারম্যান প্ল্যান নিল অতি দ্রুত কাজটা করা হবে। wonder woman কিছু বোঝার আগেই she will be fucked!!!!

সুপারম্যান প্রায় বিশ মাইল উপর থেকে ১০০০ মাইল বেগে নিচে নেমে এল, সরাসরি wonder woman এর জায়গা মত এ্যাটাক। ২ সকেন্ডের মধ্যে কাজ সেরে আবার উড়ে চলে গেলো। wonder woman সাথে সাথে উঠে বসে বললো!!

কি হলো!! কি হলো!!???

Wonder woman এর উপর যৌনরত Invisible man বললো , কিছুইতো বুঝলাম না, শুধু এইটুকু বলতে পারি, আমার পাছা জ্বলে যাচ্ছে !!!

২৪৫)

”exam” দেয়ার পর একটি মেয়ের চিন্তাঃ

*কত্ত লম্বা ছিল, ইস্! যদি আরেকটু সময় পেতাম।

*প্রথমে কত ভয় লাগতেছিলো,কিন্তু পরে যে কীভাবে হয়ে গেলো বুঝলাম না।

*আমি তো অজ্ঞানই হয়ে গেছিলাম, ৩ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরছে।

*রাতে তো একটুও শুতে পারি নাই,কেমন যেনো অদ্ভূত লাগতেছিলো।

*এরপর থেকে সব কাজ বুঝে শুনে করব।

সেক্স এর পরও মেয়েদের এই একই চিন্তা থাকে।

২৪৬)

এক মহিলার গর্ভে একসাথে তিন সন্তান। তিনি একদিন হাঁটছিলেন, এমন সময় আশেপাশের কোথাও ডাকাত পড়লো। মুহুর্মুহু গোলাগুলির আওয়াজ আসতে লাগলো কানে। হঠাৎ গুনে গুনে তিনটা গুলি এসে লাগলো মহিলার নিন্মদেশে। তিনি মূর্ছা গেলেন।

ভাগ্যের অতিমাত্র্যে মহিলা রক্ষা পেলেন। ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নিল বুলেটগুলো ভিতরেই রেখে দিতে, কারণ তারা দেখলো অপারেশন করাটা ঝুঁকিপূর্ণ।

ষোল বছর পরের কাহিনী। তাঁর বাচ্চাগুলো খুব ভালোমতই বড় হয়েছে এতদিন। হঠাৎ একদিন এক মেয়ে এসে কাঁদো কাঁদো হয়ে বললো, “মা মা, আমার খুব ভয় লাগছে।”

“কি মা, কি হয়েছে তোমার। আম্মুকে সব খুলে বলো।”, বললেন মহিলা।

“আজ হিসু করার সময়, আমার শরীর থেকে একটা টাটকা বুলেট বেরিয়েছে। ঠুস করে গুলি করার মত শব্দও হয়েছে।”, বললো মেয়েটি।

মহিলা ব্যাপারটা বুঝতে পারলেন। তিনি ষোল বছর আগে ঘটে যাওয়া সে রোমহর্ষক ঘটনাটি মেয়েকে খুলে বললেন।

কিছুদিন বাদে এল দ্বিতীয় মেয়েটি। সেও ভীষণ উদ্বিগ্ন, কারণ সেও তার বোনের মত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে কিছু আগেই। মা সবকিছু শোনার পর তাকেও ষোল বছর আগের ঘটনাটা খুলে বললেন। সেও আশ্বস্ত হলো।

আরো কিছুদিন গেছে। হঠাৎ মহিলাটা একদিন দেখলেন তাঁর তিন যমজ সন্তানের মধ্যে একমাত্র ছেলেটি ভয়ার্ত মুখে হাঁপাতে হাঁপাতে এল।

“কি হয়েছে, খোকা? এমন করছ কেন?”, বললো মহিলাটা।

সদ্যপ্রাপ্ত ভরাট কন্ঠে ছেলেটা ভয়ার্ত স্বরে বললো, “আম্মা, কিছুক্ষণ আগে মারাত্মক একটা ব্যাপার ঘটেছে।”

মহিলাটা আঁচ করতে পারলেন। “ও বুঝেছি। নিশ্চয়ই তুমি প্রস্রাব করতে গিয়েছিলে, আর একটা বুলেট বেরিয়েছে…তাইতো?”

“না মা, ঠিক প্রস্রাব করতে নয়।”

“তাহলে?” আশ্চর্য স্বরে বললেন মহিলা।

“যাই হোকনা কেন, ভয়ানক ব্যাপারটা হচ্ছে , আমি আমাদের কাজের বুয়াকে মেরে ফেলেছি।”

২৪৭)

এক ভদ্রলোকের বিরূদ্দ্বে তার সদ্যমৃতা বৌ এর সাথে Sex করার অভিযোগ আনা হলো।

বিচারক: আমি আমার চাকুরী জীবনে এমন জঘন্য মামলা ইতিপূর্বে আর কখোনোই পরিচালনা করিনি, কেন আপনি এটা করলেন, নিদেননপক্ষে একটি কারন কি আপনি বলতে পারবেন?

ভদ্রলোক: অবশ্যই, একটি নয়, আমি তিনটি কারণ বলতে পারবো, আপনি এখানে মোটেও নাক গলাতে পারেন না, কারণ সে আমার বৌ, আমি একদম বুঝতেই পারিনি সে মরে গেছে এবং আমাদের দাম্পত্য-জীবনে বিছানায় সবসময় তাকে আমি এ অভিনয়ই করতে দেখেছি !!!

২৪৮)

এক লোক গেল সিনেমা দেখতে। সেই সিনেমায় যৌন উত্তেজক দৃশ্যের ছড়াছড়ি। আশপাশ তাকিয়ে হঠাৎ সে দেখলো এক মহিলা তার পাজামার বাঁধন একটু আলগা করে ভিতরে মুহুর্মুহু হস্তচালনা করছেন। দেখে সুযোগসন্ধানী লোকটা নিজের আসন ছেড়ে ঠিক সে মহিলার পাশে গিয়ে বসলো। তারপর মহিলাকে বললো, “ম্যাডাম, আপনি যা করছেন সে ব্যাপারে আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?”

মহিলাটা লোকটার দিকে বোকার মত তাকিয়ে বললো, “জ্বী পারেন।”

এত সহজে সুযোগ পেয়ে লোকটা তৎক্ষণাৎ কাজে লেগে পড়লো। বহুক্ষণ পর কর্মসিদ্ধ লোকটা যখন দেখলো যে ক্রমসঞ্চালনে তার হাত ব্যথা-ব্যথা হয়ে উঠেছে তখন সে আপনাতেই সেটা সরিয়ে নিল। হাত সরানোর পর সে দেখলো মহিলা তার সেজায়গায় এবার দুহাত ঢুকিয়েই দ্বিগুণ কম্পনাঙ্কে ঝাঁকাচ্ছে।

“কী হলো, এতক্ষণ ধরে মজা দিলাম তবুও কী আপনার খায়েশ মেটেনি?” বললো লোকটা।

মহিলা বললো, “কিন্তু দাদগুলোয় (eczema) তো এখনো চুলকোচ্ছে।”

২৪৯)

স্ত্রী মারা যাওয়ায় হক সাহেব ভয়ানক কাদতে লাগলেন। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পুরো সময়টা তিনি কাঁদলেন। কারো সান্ত্বনায় কাজ হলো না। এমনকি বাসায় ফেরার সময় গাড়ীতেও কাঁদতে লাগলেন। পাশে বসে থাকা তার এক বন্ধু সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, “কেন দুঃখ করছো? যা হবার হয়েছে, এটা ভাগ্যের ব্যপার। তা এখন থেকে যদি মনকে শক্ত করার চেষ্টা কর তাহলে মাস ছয়েকের মধ্যে আর একটা বিয়ে করতে পারবে।”

হক সাহেব উত্তেজিত হয়ে বললো, “৬ মাস??? তাহলে আজ রাতে কি করবো?”

২৫০)

মলি আন্টি সাথে তার দু বান্ধবী জলি ও পলি আন্টি ব্যালকনিতে বসে বৈকালিক খোশগল্প করছেন। পলি আন্টি ভীষণ মুখরা আর যাচ্ছেতাই স্বভাবের। চা এ মুখ দিতে দিতে তিনি বললেন, “আমার হাজব্যান্ড মকবুলকে যখন আমি কষে একটা ব্লো- দেইনা, আহাহাহা…মনে হয় তার ইয়েটা যেন ঠাণ্ডা আইসক্রিম।”

“হুম”, চায়ের কাপটা মুখ থেকে নামিয়ে তাল ধরলেন জলি আন্টি। “একই ব্যাপারটা আমার জামাই, মানে তোমাদের মজনু ভাইয়ের ক্ষেত্রেও আমার মনে হয়, একেবারে ঠান্ডা।”

পলি আন্টি পাশে তাকিয়ে বললেন, “কী হে মলি, তোমার বেলায় ঘটনা কেমন?”

মলি আন্টি অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন যেন। “ছিঃ, বলছ কি! আমি মোতালেবের ওটা মুখে নেবার কথা চিন্তাই করিনা।”

কথাটা শুনে জলি আর পলি আন্টি পরস্পরের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকালেন। “বলে কী মহিলা।” বললেন জলি আন্টি। “এত ইন্টেরেস্টিং একটা বিষয় তুমি মিস করো!!”

“শোনো মলি” পলি আন্টি বললেন। “শুনেছি মোতালেব ভাই প্রায়ই তোমার সাথে খ্যাটখ্যাট করে। এবার কারণটা বুঝেছি। কারণ তুমি ওনাকে ব্লো- দাওনা। সকল পুরুষই আসলে তাদের স্ত্রীর কাছ থেকে মৌখিক আদর আশা করে। একবার শুধু করে দেখো, দেখবে ভাইসাহেবও তোমাকে কেমনটা না আদর করেন।”

পরের দিন বিকেলে, মলি-পলি-জলি আন্টি আবারও ব্যালকনিতে ফের জমায়েত হয়েছেন। মলি আন্টির ডান চোখ ঘিরে লালচে দাগ। পলি আন্টি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হে, তোমার চোখের চারপাশটায় এরকম দাগ কেন?”

“তোমার কথামত কাজটা করতে গিয়ে মোতালেবের ঘুষি খেয়েছি।”

“ড্যাম ইট!!” চেয়ার চাপড়ে বললেন জলি আন্টি। “উনি কি পাগল নাকি? শুধু শুধু তিনি ঘুষি মারতে গেলেন কেন? নাকি তুমি কোনো কামড়ে দিয়েছিলে?”

“আরে ধুর না।” বললেন মলি আন্টি “আমি শুধু জিপারটা নামিয়ে ওটাকে মুঠ করে ধরে বললাম, ‘মকবুল ভাই আর মজনু ভাইয়েরটা তো ঠান্ডা, তোমারটা এতো গরম কেন?”

২৫১)

এক লোক নগ্নতাবাদীদের দলে গিয়ে জুটলো। সে নিজের অনেক দিনের আবাস ছেড়ে তাদের সাথে গিয়ে বসবাস করতে থাকলো। একদিন তার দাদিমা তাকে চিঠি দিলেন। চিঠিতে তিনি বললেন, নাতি যেন তার বর্তমান হাল হকিকত সম্পর্কে তাঁকে লিখে জানায়, সাথে একটা ছবিও যেন জুড়ে দেয়।

লোকটা ভেবে পেল না কী করবে। সে যে একপাল ন্যাংটো মানুষের সাথে দিনে দুপুরে দিগম্বর হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এ ধরণের ছবি দাদিকে পাঠালে ভীষণ কেলো লাগবে। তাই সে বুদ্ধি করে তার নিজের বর্তমান অবস্থার এক ছবি অর্ধেক কেটে দাদিকে পাঠিয়ে দিল। কিন্তু ভুলবশত উপরের অর্ধাংশের বদলে নিচের অর্ধাংশ পাঠালো সে। ফলে তার চিন্তার অন্ত নেই। কিন্তু তার আবার মনে পড়লো যে দাদিমা চোখে খাটো। তিনি ছবি দেখে কিছুই ভালো করে বুঝবেন না। ফলে সে কিছুটা আশ্বস্ত হলো।

কিছুদিন পর দাদিমা চিঠি লিখে জানালেন, ‘তোমার চিঠি আর ছবির জন্য তোমাকে অশেষ ধন্যবাদ। তবে আমার মনে হয় তোমার চুলের কাটিংটা একটু বদলানো উচিত। চুলগুলোর কারণে তোমার নাককে অনেক ছোট মনে হয়।’

২৫২)

তিন বান্ধবী বারে গিয়ে ঠিক করলো আজকে তারা মদ খেয়ে পাড় মাতাল হবে। তারপর বার থেকে বের হয়ে যে যার পথে বাড়ির দিকে যাবে। পরদিন সবাই আবার বারে দেখা করবে এবং কে কি মাতলামো করলো তা শেয়ার করবে। যে সবচেয়ে বেশি মাতলামি করছে বলে প্রমানিত হবে, সে বিজয়ী হবে আর অন্য দুজন তাকে একমাস ফ্রি মদ খাওয়াবে।

পরদিন তিন জন বারে এসে তাদের মাতলামির কাহিনী এক এক করে বর্ণনা করলো।

১ম জন বলল,”আর বলিস না, গতকাল বাড়ি ফেরার সময় আমি বেখেয়াল হয়ে গাড়ি রাস্তার পাশের খালে নামিয়ে দিসি। লোকজন যখন আমাকে উদ্ধার করলো, ততক্ষণ আমার পেট থেকে ৩ টা পুটি মাছ বের হইসে।”

২য় জন বলল, “এটা কিছু হইল নাকি! তুই আমার কাহিনী শুন, গতকাল বাড়ি গিয়ে আমি টনিরে ব্লো জব দিসি!”

৩য় জন বলল,”আমার মনে হয় আমি জিতব। কারণ আমি তো গতকাল বাসায় গিয়ে চুলা জ্বালাতে গিয়ে পুরো বাড়িতে আগুন ধরে দিসি। কি মজা একমাস তোদের টাকায় ফাউ মদ খাব!”

এবার ২য় জন বলল, “তুমি মনে হয় বুঝনি যে টনি আমার হাসবেন্ড না, ও আমার পোষা কুকুর!”

২৫৩)

আরাম খান কে  নিয়ে একবার এক টিভি এক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করলেন। যেখানে আরাম খান এর চোখ বাধা থাকবে এবং দেশের বিভিন্ন নায়িকার চুমো খাবেন। তাকে বলতে হবে কে চুমো খেলেন।

১ম বার বাংলাদেশের নায়িকা অঞ্জুঘোষ চুপে চুপে চুমো খেয়ে গেলেন। আরাম খান চোখ বাধা অবস্থায় তিন সেকেন্ডের ভেতর বলে দিলেন, এটা অঞ্জু।

সবাই খুব অবাক হলেন!!! ২য় নাম্বারে এলেন সাবানা, সবাই জানে সাবানা ভালো মেয়ে, কোন ঘটনা নেই, আরাম খান হয়তো ধরতে পারবে না। কিন্তু বিধি বাম। আরাম খান ৪ সেকেন্ডর মাথায় বলে দিলেন এটা সাবানা।

একে একে শাবনুর, ময়ূরী সবাই ফেল মারলেন। আরাম খান সবার নাম বলে দিচ্ছেন।

পাশে মমতাজ দাঁড়ানো ছিলো। তিনি নায়িকা নন। কিন্তু আরাম খান এর এই ক্ষমতা দেখে তার মাথায় রক্ত উঠে গেল। তিনি বললেন , “দাঁড়া তোকে মজা দেখাই”

তিনি তাঁর শাড়িটা তুলে তার বিশেষ জায়গাটা দিয়ে আরাম খান এর ঠোটে একটি চুমো দিলেন। আরাম খান প্রায় দুই মিনিট চোখ বন্ধ করে বসে রইলেন। তারপর বললেন। “এটা আসাদুজ্জামান নূর”।

২৫৪)

৭০ বছরের এক বৃদ্ধ আরেক বৃদ্ধের বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলো।

সে খুবই impressed হলো যখন তার বন্ধু তার বৃদ্ধা স্ত্রীকে ‘জান’…’ময়না’ …’কলিজার টুকরা’ বলে ডাকছিল। যাওয়ার সময় সে তার বন্ধুকে বলল, “এটা অনেক সুন্দর, বিয়ের ৪০ বছর পরেও তুমি স্ত্রীকে নাম আদর করে এত সুন্দর করে ডাকো”

বৃদ্ধ নিচু গলায় বলল, “তার নাম আমি ১০ বছর আগেই ভুলে গেছি! আমি ভয়ে তার নাম টা জিজ্ঞেস করতে পারি নি, তাই এসব বলেই ডাকি …”

২৫৫)

এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো,

(১) বার্নল।

(২) ভায়াগ্রা।

লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো,

বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!!

ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।

২৫৬)

কমল আর তার বউ কমলা নিদারুণ অর্থকষ্টে আছে। অনোন্যপায় হয়ে এই অর্থকষ্ট লাঘবের জন্য কমলা সিদ্ধান্ত নিল সে পতিতাবৃত্তি করবে। তো, রাতের বারোটার সময় হতভাগিনী কমলা তার ঊনপাঁজুরে স্বামী কমলকে দালাল বানিয়ে হাজির হল শাহবাগের মোড়ের দিকে। কমল বললো, “শোনো, আমি সামনে থাকবো না, আমার শরম লাগে। আমি এই খাম্বার আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকবো। মুলোমুলির ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তুমি আমার সাথে এসে মোলাকাত করবে। আমি সবকিছু বাতলে দেব।”

কমলা বিজন রাতে, সস্তা মেকআপ নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল রাস্তার ধারে। এমন সময় তার পাশে একটা ভ্যানঅলা এসে থামলো। জিজ্ঞেস করলো, “দর কত?”

কমলা বললো, “এক রেট, একশো টাকা।

ভ্যানঅলা বললো, “ধুর! আমার আছে মোটে তিরিশ ট্যাহা।”

কমলা কী যেন ভাবলো। তারপর দৌড়ে খাম্বার আড়ালে লুকিয়ে থাকা কমলের কাছে গিয়ে বললো, “ঐ ভ্যানঅলা ব্যাটার তিরিশ টাকা আছে। এটা দিয়ে ওকে কি করা যায়।”

কমল কিছুক্ষণ ভেবে বললো, “ওই, হাত দিয়ে একটু ঘষে-মেজে দিতে পারো আর কি।”

কমলা ফের ছুটে গেলো ভ্যানঅলার কাছে, “শোনেন, তিরিশ টাকা দিয়ে আমি আপনাকে হাত দিয়ে কিছুটা সুখ দিতে পারবো, এর বেশি না।”

গোবেচারা ভ্যানঅলা তাতেই রাজি হয়ে গেল। তারপর সে কমলার কাছে এগিয়ে গিয়ে তার লুঙ্গিটা অভদ্র পরিমাণ উচ্চতায় উঠিয়ে নিল। আর আড়াল থেকে বেরিয়ে এল যা, তা দেখে কমলা স্রেফ ভিরমি খেয়ে গেল। সে কিছুক্ষণ কী যেন ভেবে, ভ্যানঅলাকে অপেক্ষা করতে বলে কমলের কাছে ছুটে গেল পুনর্বার।

“কী বউ! তোমাকে এমন উত্তেজিত দেখাচ্ছে যে” বিস্মায়পন্ন হয়ে বললো কমল।

“কমল, জান আমার!” আপ্লুত কণ্ঠে বললো কমলা। “তুমি কি ওই লোকটাকে সত্তুরটা টাকা ধার দিতে পারবে?”

২৫৭)

পিচ্চি বল্টু মিয়া ঢাকা-চট্টগ্রামগামী বাসের সিটে বসে আছে। তার পাশের সিটে এসে বসলেন এক বৃদ্ধ লোক। বাস ছাড়ার কিছু পর তিনি বল্টু মিয়া কে বললেন, “শোন পিচ্চি। যদি পুরোটা পথে আমরা দুজন যদি এরকম মুখ গোমড়া করে বসে থাকি তাহলে সময়টা অনেক বিরক্তিকর মনে হবে। কিন্তু যদি খোশ গল্প করতে করতে যাই, তাহলে দেখবে, মনে হবে আমাদের গন্তব্যের দূরত্ব যেন অনেক কমে গেছে।”

পিচ্চি বল্টু মিয়া একটা কার্টুনের বই সবেমাত্র খুলেছিল। সে মুখে বিরক্তি নিয়ে বুড়োটার দিকে তাকালো। “ঠিক আছে।”, বললো বল্টু মিয়া । “কিন্তু আমরা কি নিয়ে আলাপ করতে পারি বলুন?”

“উমম, ঠিক বুঝতে পারছিনা।”, চশমায় আঙুল ঠেকিয়ে বললো বুড়ো। “তবে, নিউক্লীয় শক্তি নিয়ে আলোচনা করলে কেমন হয়?” পরক্ষণেই সচকিত প্রস্তাব রাখলেন তিনি।

পিচ্চি বল্টু মিয়া আবারো বুড়োটার দিকে বক্রদৃষ্টি হানলো। “আচ্ছা, তবে আমাকে একটা ব্যাপার বলুন।” বললো বল্টু । “একটু বয়েস হলেতো আমাদের কুঁচকি সংলগ্ন অংশে অনেক সুন্দর একগোছা চুল ওঠে, তাইনা।”

বুড়োটা একটু ভড়কে গেলো। তবুও আলোচনা চালিয়ে যাবার খাতিরে বললো, “হ্যাঁ, তা ওঠে।”

“কিন্তু এক বড়ভাই আমাকে বলেছেন, একটু বেড়ে উঠলে সে চুলের আগা নাকি অনেকের কুঁকড়ে যায়, আবার কারোটার আগা নাকি চিরে যায়। কিন্তু কেন?”

বুড়োটা হতভম্ব হয়ে জবাব দিল, “জানিনা তো!!”

তখন বল্টু মিয়া বললো, “আচ্ছা বলেন দেখি, যে লোক বালের আগাটাও জানেনা সে নিউক্লীয় শক্তি নিয়ে কী আলোচনা করবে??”

২৫৮)

মিয়ামি থেকে বস্টনে উড়ে যাবার সময় একবার আটলান্টিক কোস্টলাইনে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনা ঘটলো। বিমানের প্রায় সব মানুষ মারা পড়লো। অনুসন্ধানকার্যে ঝানুতম- মার্কিন গোয়েন্দাব্যুরো এফবিয়াই, তটসীমা ধরে দুর্ঘটনাস্থল আঁতিপাঁতি করে চষে ফেললো। তবুও তারা ব্ল্যাকবক্সের একরত্তি টুকরোটাও পেলনা, যা থেকে অন্তত বোঝা যেতে পারতো, ঘটনা কীভাবে ঘটেছে। পাওয়ার বেলায় পেল কেবল একটা বাঁদর, যেটা সেই সময়ে ওই বিমানেই অবস্থান করছিল। কোন এক হতভাগা যাত্রীরই পোষা ছিল সেটা। মনিব মশায় অক্কা পেলেও, সৌভাগ্যের অতিশয্যে, বিমানের একমাত্র প্রাণী হিসেবে বেঁচে ছিল শুধুমাত্র মুখপোড়া বাঁদরটাই।

এফবিয়াই-এর প্রাণী প্রশিক্ষণ বিভাগ সপ্তাহকালের অক্লান্ত চেষ্টায় বাঁদরটাকে বিভিন্ন আকার-ইঙ্গিত শেখালো, যাতে তার কাছ থেকে দুর্ঘটনার কোন হেতু বের করে আনা যায়। ট্রেনিং সম্পন্ন হবার পর বাঁদরটা মুখোমুখি হলো তদন্ত বিভাগের। তদন্তকর্মে নিয়োজিত হলো সাতিশয় অভিজ্ঞ এক অফিসার।

“দুর্ঘটনার সময় বিমানের পাইলট কি করছিল?” বাঁদরে শুধালেন অফিসার।

জানোয়ারটা তার বাঁদরপনা লিঙ্গটা উম্মুখ করে দিয়ে, তার কটিদেশ সংলগ্ন অঞ্চল আগপিছ দুলিয়ে, মুখে শব্দ করলো, “ওহ ওহ ওহ…”

দুর্ঘটনার জটটা যেন আস্তে আস্তে খুলতে লাগলো। অফিসার সাহেব ভুরু-টুরু কুঁচকে ফের জিজ্ঞেস করলেন, “তখন, সহকারি বৈমানিক করছিলটা কি?”

এবার বাঁদরটা তার নির্দিষ্ট অঙ্গটাতে হস্তস্থাপন করলো। হাতকে আগপিছ ঝাঁকিয়ে, মুখটা প্রসৃত করে শব্দ করলো, “এহ এহ এহ…”

এবার অফিসার মহাশয় আরও অস্থির হলেন। তিনি সন্ধিগ্ধ নয়নে জিজ্ঞেস করলেন। “এয়ার হোস্টেস গুলা কি করছিল বলতে পারো?”

বাঁদরটা এবার তার ডবকা নিতম্বাংশ দুটো দুহাতে পাকড়ে সামনের দিকে ঝুঁকে গেল। মুখটা ভীষণ রকম কেলিয়ে শব্দ করলো, “ইহ ইহ ইহ….” ।

অফিসার সাহেব রিলাক্স করে বসলেন। তার কাছে সবকিছু জলের মত পরিষ্কার। আয়েসী ভাবেই হঠাৎ তিনি বাঁদরটাকে জিজ্ঞেস করলেন, “এমন ভয়ানক সময়টাতে তোমার কেমন লাগছিল? কি করছিলে তুমি তখন?”

এবার বাঁদরটা একটা কাল্পনিক স্টিয়ারিং ধরে বলে, “ভ্রুম্‌ম্‌… ভ্রুম্‌ম্‌…”

২৫৯)

আরাম খান কসমেটিকসের দোকানে এসে দোকানদারকে বললেন, “আমাকে একটা লতা হারবালের ডিওডোরেন্ট দিন তো।”

“কি ধরণের” জিজ্ঞেস করলো দোকানদার। “বগলের ডিওডোরেন্ট নাকি মুখের গন্ধনাশক ডিওডোরেন্ট।”

আরাম খান সপাটে বললেন, “ধুর ওসব না। পাছার ডিওডোরেন্ট।”

দোকানি ভ্যাবচেকা খেলো। “অ্যাঁ, এইসব কি বলেন। এই ধরণের ডিওডোরেন্ট আবার হয় নাকি?”

“আরে কি দোকানদারি করেন এখনো ডিওডোরেন্টের রকম সকম জানেন না।” রেগে বললেন আরাম খান। “গত দু বছর যাবৎ আমি এই ধরণের ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করে আসছি, আর আপনি এসে বলছেন এইগুলার অস্তিত্বই নেই। যত্তোসব।”

দোকানি আকাশ থেকে পড়লো যেন। “ঠিকাছে মানছি” বললো সে। “আপনি কি আপনার পুরোনো ব্যবহার্য একটা নমুনা এনে দেখাতে পারবেন? তাহলে হয়তো আমি নিজের ভুলটা বুঝতে পারবো।”

“ঠিকাছে।” বলে আরাম খান বেরিয়ে গেলেন।

পরের দিন একটা খালি ডিওডোরেন্ট স্টিক হাতে করে আবার সেই দোকানে এলেন তিনি। দোকানি সেটা দেখে বললো, “আরে এটাতো একটা নর্মাল ডিওডোরেন্ট।”

“কী যা তা বলছেন।” বললেন আরাম খান। “ভালো করে পড়ে দেখুন, ‘ব্যবহারবিধি’ তে কি লেখা আছে।” তারপর জিনিসটার গায়ে ‘ব্যবহারবিধি’ অংশটা নির্দেশ করে বললেন, “লেখা আছে, ‘এই গন্ধনাশকটি ব্যবহার করিতে হইলে পিছন দিকে ধরুন, তারপর আলতো করিয়া চাপ দিন…”

২৬০)

অফিসের কাজে একবার আরাম খান এক শহরে গেলেন। কিন্তু রাতে থাকার জন্য হোটেল খুজতে গিয়ে পড়লেন বিশাল এক ঝামেলায়, কারণ কোনো হোটেলে রুম পাওয়া যাচ্ছেনা! ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে শহরের শেষ প্রান্তের শেষ হোটেলে গিয়ে হাজির হলেন।

হোটেলের ম্যানেজার বলল, “খালি রুম তো নাই, কিন্তু দোতলায় একটা ডাবল রুমের একটা বেড খালি আছে। কিন্তু একটা সমস্যা আছে! পাশের বেডের লোকটি প্রচন্ড জোরে নাক ডাকে সারারাত। বেশ কয়েকজন চেষ্টা করেও রাতে ঘুমাতে পারেনি। তাই মনে হয় আপনিও পারবেন না!”

আরাম খান বললেন,”ভাই আমি থাকতে পারব, সমস্যা হবে না!”

কি আর করা, হোটেলের ম্যানেজার তাকে ওই রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। পরদিন সকালে আরাম খান বেশ সতেজ ও ফুরফুরে মেজাজে নিচতলায় সকালের নাস্তা করতে এলেন। হোটেলের ম্যানেজার তাকে দেখে জিগ্যেস করলেন ঘুম কেমন হয়েছে?

আরাম খান বললেন যে তিনি খুব এরচেয়ে ভালো ঘুম আর কোনদিন ঘুমাননি!

হোটেলের ম্যানেজার অবাক হয়ে বললেন, “কিভাবে সম্ভব হলো?”

জবাবে আরাম খান হাসতে হাসতে বললেন,”রাতে রুমে ঢুকেই আমি তার গালে একটা চুমু দিয়ে বললাম যে সে খুব সুন্দর! এরপর নিজের বেডে গিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম। আর ও সারারাত বেডে বসে থাকলো!”

২৬১)

শুঁড়াইখানায় এসে আরাম খান তার মাতাল ইয়ার দোস্তদের সাথে মাতলামিতে ব্যস্ত। পানপাত্রে খানিকটুক বাংলামদ ঢেলে হুট করে একজন বলে উঠলেন, “আজকের রাতটা খুবই পয়মন্ত রাত। চল আমরা কিছু একটা উইশ করি।”

আরাম খান কলকল করে মদ ঢাললেন তার গ্লাসে। তারপর সেটা উঁচিয়ে ধরে বলতে থাকলেন, “আমি আমার সুন্দরী বউয়ের দুই পায়ের ফাঁকে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই, হাহাহাহাহা।” এই বলে কয়েক ঢোক গিলে ফেললেন তিনি।

তার এই কামনাবাক্য সবার পছন্দ হলো। শুঁড়িঘর জুড়ে বেশ একটা রো রো শব্দ পড়ে গেল।

বাসায় ফিরে বউকে গিয়ে আরাম খান বললেন, “বুঝলে গিন্নী, আজ একটা পার্টিতে তোমাকে স্মরণ করে এমন এক সুন্দর উইশ করেছি না, আমার বন্ধুসকল তো আমার প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ।”

“অ্যাঁ! কি উইশ করলে? কোথাকার পার্টি?”

আরাম খান সম্বিত ফেরে পেলেন। তিনি জানেন, এসব মদখাওয়াখাওয়ি তার স্ত্রীর পছন্দ না, তারপর আবার তার কামনাবাক্যটাও খুব একটা শ্লীল কিছু ছিল না। আরাম খান খানিক সবর করে বললেন, “মানে বলেছিলাম কি, ওরা তো সবাই জানে যে আমরা কক্সবাজারে বাড়ি কেনার প্লান করছি। তো উদাত্ত স্বরে উইশ করলাম- তোমাকে নিয়ে আমি সুন্দর সমুদ্র সৈকতে, আবেগঘন পরিবেশে, বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই।”

স্ত্রী শুনে খুব লাজুক একটা হাসি দিলেন।

পরের দিন আরাম খানের স্ত্রী গেছে সদাইপাতি কিনতে। পথে তার সাথে দেখা হলো, সেদিনকার সেই শুঁড়িখানায় উপস্থিত থাকা আরাম খানের এক বন্ধুর।

“কী ভাবি, আরাম খান তো দেখি আপনাকে খুব ভালোবাসে। সেদিনতো তিনি কী উইশটাই না করেলন!” এইবার একটু বাঁকা হেসে তিনি বললেন, “তো, এ পর্যন্ত কবার যাওয়া হয়েছে ওজায়গায়…?”

মহিলা লাজুক হেসে বললেন, “বেশি না, মাত্র দুবার। প্রথম বার তো সে ঘুমিয়েই কাটিয়েছে সারাটা সময়, তাই আমিও তেমন মজা করার সুযোগই পাইনি। আর দ্বিতীয়বার ওখানটায় গিয়ে তার ইয়ে করতে করতেই টাইম গেছে, মানে বুঝলেন তো…” আবারো লাজুক হাসলেন তিনি, “সেসময় তার বহুমূত্র রোগটা একটু বেড়েছিল কিনা….”

২৬২)

মাদক সেবনের দায়ে দুজন ছেলেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসলো পুলিশ। কিছুদিন কারাভোগের পর জজসাহেবের হাতে সোপর্দ করে দিল। জজসাহেব তাদের খুব করে দেখে বললেন, “দেখো। তোমাদের দেখে মনে হচ্ছে তোমাদের মধ্যে তারুণ্যের শক্তি এখনো ক্ষয়ে যায়নি। তোমাদের যদি এখুনিই পাকাপাকিভাবে জেলে পুরে ফেলার ফরমান জারি করি, তাহলে দু দুটো তরুণ সম্পদ বিফলে যাবে। তাই আমি তোমাদের ঠিকানা টুকে নিলাম, আর তোমাদের একবার সু্যোগ দিচ্ছি আবার লোকালয়ে ফিরে যাওয়ার। তোমরা যদি মাদকবিরোধী ব্যাপক প্রচারণা চালাতে পারো, আর বেশ কিছু মাদকাসক্তকে মাদকমুক্ত করতে পারো, তাহলে তোমাদের শাস্তি মওকুফের ব্যবস্থা আমি নিজেই করবো।”

এক সপ্তা পর সেই ছেলেদুটোকে আবার আদালতে হাজির করা হল। জজসাহেব প্রথমজনকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কতজনকে মাদকবিমুখ করতে পেরেছ?”

সে বললো, “সতেরো জনকে, ইওর অনার। তাদেরকে এমনভাবে প্রণোদিত করেছি যে তারা আর বাকি জীবন মাদক ছুঁয়েও দেখবে না।”

“বেশ তো”, বললেন জজসাহেব, “কীভাবে করলে?”

ছেলেটা চটপট একটা কাগজ আর একটা কলম তুলে নিয়ে দুটো বৃত্ত আকলো এভাবেঃ O o । অর্থাৎ একটা বড় আর পাশেরটা ছোট। তারপর সে বড়টার উপর আঙুল ধরে বললো, “আমি তাদেরকে বলেছি, মাদক নেয়ার আগে এটা হলো তোমাদের মস্তিষ্কের আকার।” তারপর ছোটটার দিকে আঙুল সরিয়ে বললো, “মাদক নেয়া শুরু করলে তোমাদের মস্তিষ্কের আকার ছোট হয়ে দাঁড়ায় ঠিক এমন।”

“বাহ, প্রশংসনীয় কাজ!” বললেন জজসাহেব। এবার দ্বিতীয়জনকে বললেন, “তুমি কজনকে মাদকের গ্রাস থেকে ফেরাতে পেরেছ?”

সে গম্ভীর গলায় বললো, “দুশো জনকে।”

জজসাহেব বলিহারী গেলেন। “এরমধ্যেই এত্তজন, চমৎকার! কিন্তু কীভাবে?”

প্রথমজনের আঁকা বৃত্তদুটোর ছোটটার উপর আঙুল রাখলো সে। “আমি সবাইকে বললাম, জেলে ঢোকার আগে এটা হলো তোমাদের পায়ুছিদ্রের আকার….”

২৬৩)

বিয়ে নিয়ে কথা হচ্ছে—

মার্কিন: জানো, আমাদের দেশে বিয়ে ই-মেইলে হয়।

ভারতীয়: বাহ্, খুব ভালো তো। কিন্তু আমাদের দেশে বিয়েটা শুধু ফিমেলের (নারী) সঙ্গেই হয়।

২৬৪)

অনেক আগের কাহিনী, যখন পাল তোলা জাহাজ চলাচল করতো সাগরে। তো, শুভেচ্ছা মিশনে পাঠানো ৪০০ জন সৈন্য সহ তাদের কমান্ডার ইংল্যান্ড থেকে নিউইয়র্কে ফিরছে। পালতোলা জাহাজ, তাতে আবার ইঞ্জিনও নেই, আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই জাহাজে কোন নারী সৈনিক বা ক্রু ও নেই। যেহেতু পালতোলা জাহাজ যাত্রায় প্রচুর শারীরিক পরিশ্রমের দরকার হয়, তাই সৈন্যরা যাতে দুর্বল না হয়ে পড়ে, সেজন্য কমান্ডার তাদের উপর কড়া আদেশ দিলো যে, জাহাজ নিউইওর্কে না পৌছা পর্যন্ত কেউ হাত মারতে পারবেনা। সে নিজেও মারবেনা, সেটাও গলা উচু করে বললো। তো, এইভাবে তাদের জাহাজ যাত্রা চলছে। ১ম সপ্তাহ গেলো, ২য় সপ্তাহ গেলো, ৩য় সপ্তাহ যাবার পর বেটা কমান্ডার নিজেই অস্থির হয়ে গেলো, হাত না মেরে যে আর পারা যাচ্ছেনা! অবশেষে, সে সব সৈন্যদের ডেকে বললো, জাহাজ অর্ধেক পথ চলে এসেছে, এখন সবাই হাত মারতে পারবে। তারপর সে নিজে একটা ড্রামের মাঝে হাত মেরে ইয়ে ফেললো। তার পরে বাকি সৈন্যরাও হৈ হৈ করে মনের আনন্দে হাত মেরে ঐ ড্রামে ইয়ে ফেলে অনেক দিনের কষ্ট লাঘব করলো। তো, ৪০১ জনের ইয়ে, তাই ড্রাম একেবারে ভর্তি হয়ে গেলো। তারপর, সবাই আবার নিজেদের কাজে মনোযোগ দিলো, ড্রামের দিকে আর কোনো খেয়াল রাখলো না। তার আরো ৩ সপ্তাহ পর জাহাজ যখন নিউইয়র্ক বন্দরে পৌছালো, ততোদিনে ড্রামের ইয়ে শুকিয়ে মোমের মতো হয়ে গেছে। সেটা দেখে কমান্ডারের মাথায় একটা আইডিয়া আসলো। ঐ সময় নিউইয়র্কে মোমের প্রচুর চাহিদা ছিলো, সে ড্রামের ইয়ে দিয়ে অনেক গুলো মোমবাতি বানিয়ে নিলো এবং বন্দরেই পাইকারি দোকানে চালান দিয়ে দিলো। দৈবক্রমে, সেই মোমবাতির চালানটা নিউইয়র্কের এক গার্ল কলেজ কিনে নিল। কলেজের সায়েন্স ল্যাব এর কাজে মোমবাতির প্রয়োজন ছিল।

তারপর বেশ কিছুদিন, প্রায় ৩ মাস কেঁটে গেলো, একদিন কলেজের ৫০ জন মেয়ে একসাথে উধাও! ঘটনা কি!

কিছুদিন পর জানা গেলো তারা সবাই নাকি একসাথে প্রেগন্যান্ট !!!

২৬৫)

বল্টু তার বউ-কে কুমিল্লা থেকে ফোন করল.ফোনটা এক চাকর ধরল-

চাকর : হ্যালো.

বল্টু : ম্যাম সাহেবকে ফোনটা দে.

চাকর : কিন্তু ম্যাম সাহেব তো সাহেবের সাথে বেড রুমে ঘুমাচ্ছে.

বল্টু : মানে?? সাহেব তো আমি.

চাকর : আমি এখন কি করব??

বল্টু : দুইজনকে-ই গুলি করে মেরে ফেল.

চাকর দুইজন-কে গুলি করে মারার পর,

চাকর : সাহেব, লাশ ২টা এখন কি করব??

বল্টু : লাশ ২টা বাড়ির পিছনের swimming poolএ ফেলে দে.

চাকর : কিন্তু সাহেব, বাড়ির পিছনে তো কোন swimming pool নেই.

বল্টু : নেই??? ওহ sorryতাহলে wrong number!!!!!!

২৬৬)

মেয়ে : আমি আমাদের এই প্রতিদিনের ঝগড়ায় খুবই বিরক্ত। আমাদের মধ্যে এখন understandingএর বড় অভাব। তাই আমার মতে আমাদের break up হয়ে যাওয়া-টা উচিৎ।

ছেলে : ঠিক আছে। প্রথমে চকলেট খাও।

মেয়ে : ওয়াও!!!! তুমি আমায় চকলেট দিলে, তার মানে তুমি আমাদের relationটা continueকরতে চাও???

ছেলে : না. মা বলেছে কোন শুভ কাজ করার আগে মিষ্টি মুখ করতে …

২৬৭)

ছেলে :কাল তোমায় কখন callদেব?

মেয়ে:তোমার যখন ইচ্ছা তখন

ছেলে:সকালে callদেই?

মেয়ে:ok. কিন্তু এত সকালে আমি ঘুম থেকে উঠি না.

ছেলে:তাহলে ১০টায় দেই?

মেয়ে:না,তখন বাবা বাসায় থাকে.

ছেলে:তাহলে ২টায় দেই?

মেয়ে:২টায় তো আমি lunchকরি.

ছেলে:ঠিক আছে,তাহলে ৫টায় দেই?

মেয়ে:তখন তো আমি আমার ফেভারিট সিরিয়াল দেখি.

ছেলে:তবে সন্ধ্যায়?

মেয়ে:সামনে xam,সন্ধ্যায় একটু পড়তে হবে.

ছেলে:তাহলে রাতে দেই?

মেয়ে: না না, রাতে সবাই বাসায় থাকে তখন কথা বলতে পারব না.

ছেলে:তাহলে কখন call দেব?

মেয়ে:তোমার যখন ইচ্ছা তখন!!

২৬৮)

এক লোক তার বন্ধুর বাসায় গেল। কলিং বেল টিপল। বল্টু দরজা খুলল।

লোক : তোমার বাবাকে একটু ডাক তো।

বল্টু : বাবা বাসায় নেই, বাজারে গেছে।

লোক : তাহলে তোমার বড় ভাইকে ডাক।

বল্টু : বড় ভাই তার বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলতে মাঠে গেছে।

লোক : তোমার মাকে ডাক, তিনি তো বাসায় আছে???

বল্টু : না। মা বিউটি পার্লারে গেছে.

লোক : (বিরক্ত হয়ে বলল) সবাই যখন বাইরে গেছে তখন তুমি ও কোথাও চলে যাও।

বল্টু : জ্বি, তাই তো আমি আমার বন্ধুর বাসায় চলে এসেছি…

২৬৯)

এক মেয়ে তার বান্ধবী কে বলছে, জানিস,গত কাল রাতে আমি স্বপ্নে দেখেছি, এক লোক আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেছে.আমার এখন খুব ভয় লাগতেছে যদি সত্যি এমন হয় !!!

বান্ধবী : আরে এত চিন্তা করিস কেন? স্বপ্ন যদি সত্য হতো, তাহলে আমি প্রত্যেক দিনই Pregnant হতাম!!!!!

২৭০)

বল্টু তার গার্লফ্রেন্ডকে SMS করছে-

বল্টু : জানু কি কর???

বল্টুর গার্লফ্রেন্ড : শরীরটা ভাল লাগতেছে না, তাই শুয়ে আছি. তুমি কি কর???

বল্টু : শালি, তুই যে সিনেমা হলে বসে মুভি দেখতেছস সে সিনেমা হলে তোর পিছনে বসে বসে পপ কর্ন খাচ্ছি !!!

২৭১)

এক হাসপাতালের ওয়েটিং রুমে তিনজন লোক তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম নেয়ার অপেক্ষা করছিলো। নার্স বেরিয়ে এসে প্রথমজনকে বললো, অভিনন্দন, আপনার যমজ বাচ্চা হয়েছে।

লোকটি খুশি হয়ে বললো, আরে, আমি তো মিনোসেটা টুইনস (মিনোসেটা যমজ)- প্রতিষ্ঠানে কাজ করি।

একটু পর নার্স বেরিয়ে এসে দ্বিতীয়জনকে বললো, অভিনন্দন, আপনার ৩টি বাচ্চা একসাথে হয়েছে।

লোকটি খুশি হয়ে বললো, আরে আমি তো থ্রি-এম -এ কাজ করি।

এ কথা শুনে তৃতীয়জন খোলা জানালা দিয়ে বাইরে লাফ দিলো। নার্স বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলো বাচ্চার বাবা কোথায়। অন্য দু’জন উত্তর দিলো, জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে গেছে।

– কেন? নার্স অবাক।

– ও সেভেন-আপে কাজ করে। একজনের উত্তর।

২৭২)

তখন ছাত্র, সাথে অনেক নেপালী-শ্রীলঙ্কানও আছে। ওয়ার্ডে নতুন নতুন প্লেসমেন্ট। এইসময় একটাই কাজ, রোগীর হিস্ট্রি নিতে শেখা। সহপাঠী নেপালীরা ততদিনে ভাঙা ভাঙা বাংলা শিখে গেছে। এক নেপালী বন্ধু এক ডিসেন্ট্রি রোগীর হিস্ট্রি নিচ্ছিলঃ

বন্ধুঃ “আপনার কি সোমোসা?”

রোগীঃ “ফ্যাড বিষ গরার, জ্বর, দুর্বল্লাগের, ফাহানার লগে আম যার” [পেটে ব্যাথা, জ্বর, দুর্বলতা, মলের সথে বিকার যাচ্ছে]

বন্ধুটি ঝটপট লিখে ফেলেঃ Abdominal pain with fever and weakness. Also complaints of mango passing through stool.

২৭৩)

[নোটঃ ডাক্তারী ভাষায় হাতের আর পায়ের আঙুলকে বলা হয় ডিজিট।]
আল আমীন ক্লিনিকে ইমার্জেন্সীতে ডিউটি করছিলাম। তখন আওয়ামী সরকার মাত্র ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। শেখ হাসিনা এবং তাঁর উক্তি তখন ব্যাপক আলোচিত। এক লোক আসে, সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান হাতের বুড়ো আঙুল থেঁতলে গেছে, সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নখ। ভাল করে পরীক্ষা করে দেখে বুঝলাম, নখ ফেলে দিতেই হবে। রোগীকে সে কথা জানাতেই আঁৎকে ওঠে। তাঁকে অভয় দেয়ার জন্য বলি, “ভয়ের কিছু নাই, আপনি ব্যাথা পাবেন না, ডিজিটাল এনেস্থেশিয়া দিয়ে, আপনার আঙুল অবশ করে তারপর নখ ফেলব।” লোকটা বলে, “দেশ তো দেশ, এখন এনেস্থেশিয়াও ডিজিটাল হই গেসে???”

২৭৪)

নোয়াখালীতে রয়্যাল হাসপাতালে আর এম ও হিসেবে কর্মরত ছিলাম। সেখানে এক রোগী আসে Infected sebaceous cyst নিয়ে। [আমাদেরত্বকে দুই রকম গ্রন্থি থাকে, একটি ঘর্মগ্রন্থি, আরেকটি তৈলগ্রন্থি, দ্বিতীয়টিকে বলা হয় সিবেশাস গ্ল্যান্ড। কোন কারণে এর মুখ বন্ধ হয়ে গেলেভেতরে গ্রন্থির নিঃসরণ জমতে থাকে। ওখানে জীবাণুর সংক্রমণ হলে এই অবস্থারউদ্ভব হয়।] পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানালাম, একটা ছোট্ট অপারেশন করে ওটা কেটে ফেলতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই অপারেশনের কথা শুনে লোকটি ঘাবড়ে যায়। তখন তাকে আশ্বস্ত করার জন্য বলি, ” ভয় পাবেন না, এটা আহামরী বিরাট কোন অপারেশন না। এমনকি এই অপারেশনের জন্য আপনাকে হাসপাতালেও ভর্তি হতে হবে না। শুধু এই ফোঁড়াটা এবং এর চারপাশটা লোকাল এনেস্থেশিয়া দিয়ে অবশ করে, টুক করে ফোঁড়াটা কেটে ফেলব, আপনি ব্যাথা দূরে থাক, একদম টেরই পাবেন না।” একটু ইতস্তত করে তিনি বলেন, “স্যার, অপারেশন করবেন যখন, ভাল জিনিস দিয়ে করেন। লোকাল কেন দিবেন, বিদেশী নাই?”

২৭৫)

ফদ্দানা মানে …

এক ফার্মেসীতে গিয়েছিলাম আম্মুর জন্য ঔষধ কিনতে। দোকানে দুই কর্মচারী। একজন আমার জন্য ঔষধ খুঁজছিল। অন্যজনের সাথে আমি কথা বলছিলাম। জানতে পারি, ইনি বগুড়া থেকে এসেছেন দুই সপ্তা হয়, এখন চাচার দোকানে কাজ শিখছেন। তখন আরেক ক্রেতা এসে দ্বিতীয় দোকানীকে বলে, “ফদ্দানা আসে না?” [‘ফদ্দানা’ আছে?] দ্বিতীয়জন অবাক, “ফদ্দানা?” লোকটা বলে, “অ, ফদ্দানা এরি। আসে না?” [হ্যাঁ, ‘ফদ্দানা’, আছে?]
দোকানীঃ “নাই”
ক্রেতাঃ “ইবা হন্ডইল্ল্যা অষূদর দোয়ান, ফদ্দানা ন বেসে!” [এইটা কিরকম ওষুধের দোকান, ‘ফদ্দানা’ বেচে না!]
ততক্ষণে প্রথম দোকানী আমার জন্য ঔষধ নিয়ে এসেছেন। তিনি জানতে চান ব্যাপার কি।
ক্রেতা আবার বলে, “ফদ্দানা নাই?”
“আসে তো।” প্রথমজনের ত্বরিত জবাব, এবং পালটা প্রশ্ন, “হন্ন্যুয়া লাইবু?” [কোনটা লাগবে?]
“বাগর ইবা, এক ফেকেট দিও” [বাঘেরটা, এক প্যাকেট দিও]
প্রথম দোকানী এবার তাঁকে এক প্যাকেট “প্যান্থার কনডম” দিয়ে দেন।

২৭৬)

এক মামার কাছে একটা জরুরী কাজে তাঁর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে গিয়েছিলাম, তিনি বায়ারদের সাথে মিটিং এ ব্যস্ত থাকায় বাইরে অপেক্ষা করার সময় শুনলাম, কোন একজন উর্ধ্বতন কেউ, তাঁর অধস্তনকে ঝাড়ি দিচ্ছে, “ইউ লিস্টেন, ইউ নু টক হুন আই টক। আই গট কমপেলেন ইউ নট কামিং টাইমলি। ইউ ডু আড্ডাবাজী ইন অফিস, ইউ নু ওয়ার্ক রাইট, ইউ মিসটেক ভেরি মাচ। … শেটাপ! খবদ্দার, ইউ নু টক হুন আই টক। এম ডি সার টেল মি, হি উইল খাট ইউর বেতন। আই রিখোয়েস সার নো বেতন কাট, গিভ ওয়ান চান্স। … শেটাপ, নু টক! মাউত ক্লুস! ইউ হুদা লিস্টেন … … …

২৭৭)

স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?
স্বামী: কই, কিছু না তো!
স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?
স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।

২৭৮)

“ম্যায়নে তুঝে দিল দিয়া নাদান সামাঝকে,
তুনে উসে খা লিয়া বাদাম সামাঝকে!”

২৭৯)

এক বাসায় একটা রোবট ছিল , কেউ মিথ্যা বললে থাপ্পর মারত। এক দিন……

ছেলেঃ আমি আজ স্কুলে যাব না,আমার পেটে ব্যথা ।

রোবটঃ মারল এক থাপ্পড়।

বাবাঃ তোমার মত থাকতে কখনও মিথ্যে বলতাম না ।

রোবটঃ বাবাকে মারল এক থাপ্পড় ।

মাঃ কি হইসে?

বাবাঃ তোমার ছেলে মিথ্যা বলসে ।

মাঃ বলবে না? তোমার ই তো ছেলে ,

রোবটঃ মাকে মারল এক থাপ্পড় ।

২৮০)

রাতে শোওয়ার আগে স্ত্রীর মনে পড়ল আজ বিকেলে ছেলেকে বারান্দায় দাঁড়িয়ে পাশের বাড়ির টুনির সঙ্গে কী যেন ফিসফিস করতে দেখেছেন।

তিনি স্বামীকে ডেকে বললেন, ‘হ্যা গো শুনছ, আমাদের ছেলে বড় হচ্ছে। তোমার কি মনে হয় না ওকে কিছু ব্যাপার বুঝিয়ে বলা উচিত? তুমি বরং আজকেই ওকে সেক্সের ব্যাপারে সবকিছু বুঝিয়ে বল। তবে একবারেই সব বলে দিও না যেন, ফুল কিংবা মৌমাছি থেকে শুরু কর।’

অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্বামী বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। ছেলেকে আড়ালে ডেকে নিয়ে গেল। ‘হ্যা রে বাবু, তোর কি মনে আছে, গত হপ্তায় টুনির সঙ্গে তুই আর আমি কী করেছিলাম?’

‘হ্যাঁ বাবা।’

‘মৌমাছিরাও ওগুলোই করে।’

২৮১)

এক ফরাসি তরুণী হারিয়ে গেছে।

ঘোড়ায় চড়ে এক রেড ইন্ডিয়ান এসে তাকে প্রস্তাব দিলো কাছের শহরে পৌঁছে দেয়ার।

রাজি হয়ে তরুণী তার ঘোড়ার পেছনে চড়ে বসলো। ঘোড়া ছুটতে লাগলো।

কিন্তু কোন এক বিচিত্র কারণে একটু পরপর রেড ইন্ডিয়ান লোকটি “আআআআআহহ” করে বিকট চিৎকার দিতে লাগলো।

শহরে পৌঁছে বাস স্টেশনের সামনে লোকটি নামিয়ে দিলো তরুণীকে, তারপর আরেকটা বিকট ইয়াহু চিৎকার দিয়ে উল্টোপথে ছুটে গেলো।

বাস স্টেশনের অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘কী ব্যাপার, কী করেছেন আপনি, লোকটা অমন ক্ষেপে গেলো কেন?’

ঘাবড়ে গিয়ে তরুণী বললো, ‘কিছুই না। আমি তো ওর পেছনে ঘোড়ায় চড়ে বসেছিলাম, আর ওর হাত বাড়িয়ে ওর স্যাডলের সামনের দিকে হ্যান্ডেলটা শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছিলাম শুধু।’

অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘মিস, রেড ইন্ডিয়ানদের ঘোড়ায় স্যাডল থাকে না।’

২৮২)

একটা বারে এক বুড়ো কাউবয় বসে আছে, পুরো কাউবয় সাজে। এক তরুণী এসে তার পাশে বসলো।

‘তুমি কী সত্যিই একজন কাউবয়?’ জিজ্ঞেস করলো সে।

কাউবয় বললো, ‘আসলে, আমি আমার সারাজীবন কাটিয়েছি খামারে। গরু পেলে বড় করেছি, বুনো ঘোড়া পোষ মানিয়েছি, ভাঙা বেড়া সারিয়েছি … মনে হয় আমি একজন কাউবয়।’ একটু থেমে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘তা, তুমি কী করো?’

তরুণী উত্তর দিলো, ‘আমি একজন লেসবিয়ান। সারাদিন আমি মেয়েদের চিন্তা করি। ঘুম থেকে উঠেই আমি মেয়েদের নিয়ে ভাবি। আমি যখন খাই, টিভি দেখি, ব্যায়াম করি, তখনও আমি মেয়েদের কথা ভাবি।’ এ কথা বলে মেয়েটা ড্রিঙ্ক শেষ করে উঠে চলে গেলো।

একটু পর আরেকটা মেয়ে এসে বসলো কাউবয়ের পাশে।

‘হাই, তুমি কি সত্যিই একজন কাউবয়?’ জিজ্ঞেস করলো মেয়েটা।

কাউবয় বিষণ্ন মুখে বললো, ‘আমি তো সারাটা জীবন তা-ই জানতাম, কিন্তু একটু আগে টের পেয়েছি, আমি আসলে একজন লেসবিয়ান।’

২৮৩)

এক বেদুঈন উটে চড়ে মরুভূমি পার হচ্ছে। দিনের পর দিন মরুভূমিতে চলতে চলতে হাঁপিয়ে উঠেছে সে, সেক্সের জন্যে আনচান করছে মন। একদিন সে ঠিক করলো, উটটাকেই ব্যবহার করবে সে। যে-ই ভাবা সে-ই কাজ, উটের পিঠ থেকে নেমে সে উটের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো। কিন্তু উট তার মতলব বুঝতে পেরে দিলো ছুট। খানিকটা ছুটে হাঁপাতে হাঁপাতে উটটাকে পাকড়াও করে আবার মরুভূমি পাড়ি দিতে লাগলো বেদুঈন। কিন্তু পরদিন ভোরে আবার তার খায়েশ হলো। আবারও সে উটের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো। উটও আগের মতো ছুট দিলো। বেদুঈন গালি দিতে দিতে আবার উটটাকে পাকড়াও করে পথ চলতে লাগলো।

এমনি করে একদিন সে এক হাইওয়ের পাশে এসে দাঁড়ালো। সেখানে একটা গাড়ি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে, আর গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে স্বল্পবসনা অপরূপ রূপসী তিন তরুণী। উট থেকে নেমে এগিয়ে গেলো সে।

‘আপনাদের কিভাবে হেল্প করতে পারি?’ জানতে চাইলো সে।

তরুণীদের একজন, সবচেয়ে আবেদনময়ী যে, লাস্যময়ী ভঙ্গিতে বললো, ‘দেখুন না, গাড়িটা নষ্ট হয়ে আছে। এখন যে কী হবে! কেউ যদি গাড়িটা ঠিক করে দিতো, তাহলে সে যা চাইতো তা-ই দিতাম আমরা।’

বেদুঈন এগিয়ে গিয়ে বনেট খুলে তিন মিনিট ঘাঁটাঘাঁটি করতেই গাড়ি আবার জ্যান্ত হয়ে উঠলো। তিন রূপসী এবার ঘিরে ধরলো তাকে। ‘বলুন কিভাবে আপনার এই উপকারের প্রতিদান দিতে পারি?’ মোহনীয় হাসি ঠোঁটে নিয়ে জানতে চাইলো তারা।

বেদুঈন খানিকটা ভেবে বললো, ‘পাঁচ মিনিটের জন্যে আমার উটটাকে একটু শক্ত করে ধরে রাখতে পারবেন?’

২৮৪)

বনের রাজা টারজান তিরিশ বছর ধরে জঙ্গলে বাস করছে, সেখানে নানারকম পশুপাখি থাকলেও কোন মানুষ নেই। উদ্ভাবনী মস্তিষ্কের অধিকারী টারজান তাই বিভিন্ন গাছের গায়ে ফুটো করে নিয়েছে, প্রথম রিপুকে মোকাবেলা করার জন্যে। মহিলা সাংবাদিক জেন একদিন জঙ্গলে গিয়ে দেখলো, টারজান মহা উল্লাসে একটি গাছের সাথে প্রেম করে চলছে।
এই দৃশ্য দেখে জেন খানিকটা ভালোবাসা, খানিকটা অনুকম্পা বোধ করলো টারজানের জন্যে, সে জামাকাপড় খুলে আড়াল ছেড়ে বেরিয়ে এসে টারজানের উদ্দেশ্যে নিজেকে নিবেদন করলো।
টারজান তখন গাছ ফেলে ছুটে এসে জেনকে অবাক চোখে কিছুক্ষণ দেখলো, তারপর জেনের পেটে কষে একটা লাথি মারলো।
পেট চেপে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো জেন। ‘জংলি ভূত, আমি তোমাকে প্রেম নিবেদন করলাম, আর তুমি কি না আমাকে লাথি মারলে?’ চেঁচিয়ে উঠলো সে।
টারজান এগিয়ে এসে জেনকে জাপটে ধরে বললো, ‘সবসময় চেক করে দেখি, মৌমাছি আছে কি না।’

২৮৫)

বিক্রেতা: এই নিন আপনার টয়লেট পেপার। রসিদ লাগবে?

ক্রেতা: আপনি কি চান আমি এটা ব্যবহার করার পর আবার ফেরত দিতে আসি?

২৮৬)

স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।

শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?

ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।

শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?

ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখব কীভাবে?

২৮৭)

পৃথিবীর সবচে’ ছোট্ট রুপকথার গল্পটা জানেন? না জানলে পড়ুনঃ

বহু বহু বছর আগের কথা। এক দেশে ছিল এক ছেলে আর এক মেয়ে। একদিন ছেলেটি মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করিল, ‘তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?’

মেয়েটি উত্তর দিল, ‘না।’

অতঃপর ছেলেটি সুখে-শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিল।

২৮৮)

বস বলছেন কর্মচারীকে, ‘আপনি কি মৃত্যুর পরের জনমে বিশ্বাস করেন?’

কর্মচারী: জি স্যার।

বস: হুমম্, করারই কথা। গতকাল আপনি মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর কথা বলে অফিস থেকে ছুটি নেওয়ার পর আপনার মা অফিসে এসেছিলেন, আপনার সঙ্গে দেখা করতে!

২৮৯)

এক ভদ্রলোক গেছেন বাজারে, ডিম কিনতে।

ভদ্রলোক : এগুলো কার ডিম?

বিক্রেতা : আমার ডিম।

ভদ্রলোক : আমি মনে করেছিলাম মুরগির ডিম।

২৯০)

চার তরুণী নান এক কনভেন্টে যোগ দিতে চাইছে।

মাদার সুপিরিয়র বললেন, ‘তার আগে তোমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সবাই এক লাইনে দাঁড়াও।’

সবাই লাইনে দাঁড়ানোর পর তিনি প্রথম নানকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘বাছা, তুমি কি কখনও কোনও পুরুষের সেই প্রত্যঙ্গ স্পর্শ করেছ? করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে প্রথম নান বলল, ‘আঙুল দিয়ে, মাদার।’

মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির একটি বাটি এগিয়ে দিলেন। ‘তোমার আঙুল এ পানিতে ডোবাও, সব পাপ ধুয়ে ফেল, পবিত্র হয়ে এসো আমাদের কনভেন্টে।’

প্রথম নান আঙুল পানিতে ডুবিয়ে কনভেন্টে ঢুকে গেল।

এবার মাদার সুপিরিয়র দ্বিতীয় নানকে বললেন, ‘কি বাছা, তুমিও স্পর্শ করেছ নাকি? স্পর্শ করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে দ্বিতীয় নান বললো, ‘হাত দিয়ে, মাদার।’

যথারীতি মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির বাটি এগিয়ে দিলেন, হাত ধুয়ে পাপমুক্ত হয়ে দ্বিতীয় নান কনভেন্টে প্রবেশ করল।

এমন সময় চতুর্থ নান তৃতীয় নানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে সামনে এগিয়ে এল। মাদার অবাক হয়ে বললেন, ‘ও কি, বাছা, ঈশ্বরের পথে অত তাড়া কিসের?’

চতুর্থ নান বলল, ‘উঁহু, মাদার, ও এই পানিতে বসে পড়ার আগেই আমি কুলি করতে চাই।’

২৯১)

: বলোতো মুরগির ব্রেস্ট নেই কেন ?

: মোরগের হাত নেই বলে।

২৯২)

ডান্স পার্টি হচ্ছে। এক স্মার্ট যুবক তার চেয়েও লম্বা সুন্দরী এক তরুনীকে তার সাথে নাচার আমন্ত্রন জানাল।
: ধন্যবাদ। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে আমি নাচি না।
: সরি! মিস, আপনার যে বাচ্চা হবে তা আমি জানতাম না।

২৯৩)

প্রশ্নঃ পাত্রী দুইখান, ১ম জন পরমা সুন্দরী, যৌবনবতী কিন্ত পুরা চরিত্রহীনা আর পরের জন মহা সতী-সাধ্বী, চরিত্রবতী কিন্ত চেহারা কুৎসিত- কারে বিয়া করবেন?
উত্তরঃ সারাজীবন একা একা বিষ্ঠা খাওয়ার চাইতে- সবাই মিলে মিষ্টি খাওয়া ভালো।

২৯৪)

ছেলেঃ বাবা, বড়ভাইয়া তো দরজা খুলছে না!

বাবাঃ খুলবে খুলবে, কাল রাতে তোমার ভাইয়ার বাসর রাত ছিল তো, ক্লান্ত তাই এখনও দরজা খুলছে না।

ছেলেঃ ঠিক আছে বাবা, কিন্তু রাতে ভাই আমার কাছে কোল্ড ক্রিম চাইলে আমি তো ভুলে ফেবিকল (সুপার গ্লু) দিয়েছি। সেই জন্য চিন্তা করছি।

২৯৫)

জামাই বউ এসেছে ডাক্তার কাছে।

ডাক্তার বলল, কি হইছে?

বউ জামাইকে দেখিয়ে রাগী রাগী মুখে কয়, সে ত ৩০০% অক্ষম হয়ে পড়ছে।

-৩০০%? বুঝলাম না…

-১০০% অক্ষম কিভাবে সেটা ত আইডিয়া করতেই পারছেন, তাই না? এরপর শুনেন। সে তার জিহবা পুড়ে ফেলছে আর আঙ্গুল ভেঙ্গে বসে আছে।

২৯৬)

এক ছেলে দাদাকে বই পড়তে দেখে জানতে চাইলো, দাদু তুমি কি পড়ছো?

– ইতিহাসের বই।

– মিথ্যা কথা, তুমি সেক্সের বই পড়ছো।

– ওটা তো আমার জন্য ইতিহাসই।

২৯৭)

এক লোক সবাইকে ধাঁধাঁ জিজ্ঞেস করছে। প্রথম প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারলে ৫০০ টাকা, ২য়টা পারলে ৫০০০ টাকা। তো, একটি মেয়ে এলো। তাকে প্রথম প্রশ্ন – প্রথম মানব-মানবি কে?

মেয়ে ঃ আদম এবং ইভ।

জবাব সঠিক।

২য় প্রশ্ন – প্রথম দেখার পর ইভ আদমকে কি বলেছিল?

মেয়েটি এবার চিন্তায় পড়লো।মেয়েটি দেরি করছে দেখের লোকটি তাকে তাড়া দিলো। মেয়েটা ইতোস্ততঃ করে বল্লো – এটা তো বেশ শক্ত…’

লোকটি চেঁচিয়ে উঠলো – জবাব সঠিক, এই নিন ৫০০০ টাকা।

২৯৮)

এক বারবণিতাকে শেখ সাহেবের মনোরন্জনের জন্য মনোনিত করা হলো।

তো শেখ সাহেব প্যান্ট খুলতেই – বারবণিতাটি “ওয়াও” বলে উঠলো।

শেখ সাহেব বল্লেন, ইটস নট “ওয়াও” ইটস আ “আলিফ” !

২৯৯)

স্ত্রী স্বামীকে ই-মেইল খোলা শেখাচ্ছিলো। এক পর্যায়ে পাসওয়ার্ড সেট করার জায়গায় স্ত্রী বলে দিলো এখানে পাসওয়ার্ড সেট করো।

স্ত্রীর সাথে মজা করার জন্য স্বামী স্ত্রীকে দেখিয়ে দেখিয়ে আস্তে আস্তে টাইপ করলো- P… E…N….I….S.

কম্পিউটার উত্তর দিলো, Password denied…. Not long enough.

৩০০)

‘সুপারম্যান’ কেন স্টুপিড?!?

>>>কারণ ব্যাটা প্যান্টের উপ্রে আণ্ডারওয়্যার পড়ে

¤’ব্যাটম্যান’ কেন আরো বড় স্টুপিড?!?

>>>কারণ এই ব্যাটা প্যান্টের উপ্রে আণ্ডারওয়্যার তো পড়েই; সেই আণ্ডারওয়্যার আবার বেল্ট দিয়া আটকাইয়া রাখে

‘স্পাইডারম্যান’ কেন এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্টুপিড?!?

>>>কারণ এই উজবুক তার আণ্ডারওয়্যার মাথার উপরে পড়ে…

৩০১)

আমেরিকা প্রবাসী এক ইটালীয় ফ্যামিলির মেয়ে যাচ্ছে জীবনের প্রথম ডেটে। তার দাদী তাকে ডেকে বলল, শুনো। ছেলেটা তোমার হাত ধরতে চাইবে- তুমি কিন্তু সহজে হাত ধরতে দিবে না। তোমার এই কাজে আমাদের পরিবারের অসম্মান হবে।

-আচ্ছা দাদী।

-ছেলেটা হয়ত তোমাকে চুমু খেতে চাইবে- খবরদার রাজি হবে না। আমাদের পরিবারের এতে অসম্মান হবে।

-ঠিক আছে।

-ছেলেটা হয়ত তোমার বুকে হাত দিতে চাইবে- খবরদার সুযোগ দিবে না।

-হুমম। দিব না সুযোগ।

-ছেলেটা হয়ত তোমার উপর শুতে চাইতে পারে- খবরদার রাজি হবে না। আমাদের পরিবারের চরম অসম্মান হবে এতে…

মেয়ে ডেট শেষ করে বাসায় এসেছে।

-ও দাদী তুমি ত সত্য বলছিলে। সে আমার হাত ধরছে।

-অপমান!!! তারপর?

-চুমুও দিয়েছে।

-হায় খোদা!!! বুকে হাত দিয়েছে?

-হুমম।

-এরপর?

-সে যখন আমার উপর শুতে চেয়েছে- আমি রাজি হই নি।

-সাবাস!

-হ্যাঁ! আমি আমার পরিবারের অনেক অসম্মান সহ্য করেছি। শেষে নিলাম শোধ। আমি তার উপর চড়ে বসে তার ফ্যামিলির চরম অপমান করে এসেছি।

৩০২)

কোন একদিন প্রেমিক তার প্রেমিকারে রক্ত দিয়ে জীবন বাচিয়েছে। যখন তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল প্রেমিক তার দেয়া রক্ত ফেরৎ চাইলো। প্রেমিকা তার সেনেটারী ন্যাপকিন খুলে প্রেমিকের হাতে দিয়ে বলল, “ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করবো”

৩০৩)

স্বামী(বাসর রাতে)- তুমি কি কখনো সেক্স মুভি দেখেছো ?

স্ত্রী – একবার দেখেছি

স্বামী – এখন আমরা তাই করব,যা ঐ মুভিতে হয়েছে।

স্ত্রী(চিন্তা করে)- তাইলে বাকী দুজন কই থেকে আনবে?

৩০৪)

দুই বান্ধবীর কথোপকথন
১ম জন- এক ছেলেকে আমি আজ বোকা বানাইছি
২য় জন- কেমনে ?
১ম জন-ওর কাভহ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে সেন্ডেলের ফাকে লুকিয়ে রেখেছিলাম,আর গাধা আমার ব্রার মধ্যে আধা ঘন্টায়ও খুজে পায় নাই!

৩০৫)

এক বাচ্চা ছেলে এক কলগার্লকে প্রশ্ন করলো, “আপনার এত টাকা,গাড়ী আছে,আপনি কি ব্যাবসা করেন?”
কলগার্ল কিছুক্ষন ভেবে বলল, আমার HOLE SALE এর ব্যাবসা আছে”

৩০৬)

বাসর রাতে স্বামী বউয়ের চোখে বারবার চুমু দিচ্ছে

বউ বলল, “ বারবার চোখে চুমু দিচ্ছ কেন?”

স্বাম , “ তোমার চোখ হলো আমার কাছে ভালোবাসার বই,শুধু পাঠ করতে মন চায়”

বউ , “ নিচে লাইব্রেরীতে আগুন জ্বলছে,আর তুমি বই নিয়ে ব্যাস্ত”

৩০৭)

এক লোক ডিভোর্স এক মহিলাকে বিয়ে করেছে।
বিয়ের পরদিন তার বন্ধু তাকে জিগাইলো-সেকেন্ড হ্যান্ড বউ কেমন।
উত্তর- খারাপ না,প্রথম ৩ ইঞ্চির পড় ব্র্যান্ড নিউ!

৩০৮)

রক্ত পরীক্ষার পর নার্স আবুলের আঙ্গুল মুখে নিয়ে চুষে দিচ্ছে (রক্ত বন্ধের জন্য)।

তা দেখে আবুলের খুশীতে লম্ফ দেয়া শুরু।

নার্সঃ কি হইছে,এত খুশী কেন?

আবুলঃ পরেরটা ইউরিন টেস্ট !! তাই !!

৩০৯)

বিছানায় এক রাউন্ড প্রেম পর্বের পর সদ্য কুমারিত্ব বিসর্জনকারিনী প্রেমিকা চিন্তা করছে, “ ঢুকলো ৭ ইঞ্চি,বেরুলো ৩ ইঞ্চি,বাকী ৪ ইঞ্চি কি ভিতরেই থেকে গেল???”

৩১০)

বউ, “ বইয়ে পড়েছি একটী পুরুষ কুকুর সারা বছর কমপক্ষে ৩০০ বার সেক্স করে,আর তুমি ১০০ বারও করো না!”

স্বামী, “ একই কুকুর একই মেয়ে কুকুরের সাথে ৩০০ বার করে এইডা কোন বইয়ে লেখা আছে?”

৩১১)

১ম জন >> এ দেশের শিক্ষাব্যবস্হা নারীজাতিকে একদম রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছে।

২য় চন >> মানে?

১ম জন >> মানে , দেখিস না, প্রতিটি স্কুলের সামনে মা’য়েরা কেমন রাস্তায় বসে থাকে।

৩১২)

হালিমঃ কিরে মালাই, আয়নার সামনে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?

মালাইঃ ঘুমিয়ে থাকলে চেহারাটা কেমন দেখায় একটু দেখছি, এই যা!

৩১৩)

এক লোক ফুরফুরে মনে গাড়ী নিয়ে হাওয়া খাইতে বের হৈসে। সুন্দর দিন, মৃদু মন্দ হাওয়া।

মনের সুখে সে দু এক কলি বেসুরে গলা গেয়েও ফেল্লো । হঠাৎ প্যাঁপু প্যাঁপু সাইরেন — রিয়ার ভিউ মিররে দেখে সে একটা পুলিশ কার। হাওয়া খাওয়া চাংগে তুলে সে প্রাণপণে এক্সিলেটর চেপে ধরে।

অবশেষে ১০ কিমি মুরগী-শিয়াল ধাওয়া খাওয়া শেষে সে রাস্তার পাশে গাড়ী থামায়। ক্ষিপ্ত পুলিশ অফিসার এসে জিগ্গেস করলো “ঘটনা কি ?? তুমাকে বিশাল জরিমানা করা হবে এখন, পুলিশ দেখে স্পিড বাড়ানোর মজা দেখাচ্ছি”

লোকটা বল্লো “প্লিজ, প্লিজ অফিসার আমি বিশাল ভ্রান্ত ধারমার কারনে স্পিড বাড়াইসি — গতবছর আমার বউ এক পুলিশ অফিসারের সাথে ভেগে গেসে — আমি ভাবসি ঐ ব্যাটা খন্ডারনীকে ফেরত নিয়ে আসছে”

৩১৪)

এক ফোরম্যান — বসে বসে টুলে সিগারেট খাচ্ছে –

আর শ্রমিকরা — বস্তা নাড়িয়ে ক্লান্ত হয়েযাচ্ছে

একদিন এক শ্রমিক গজগজ করতে করতে কইলো , “এই ব্যাটা ফোরম্যান টাকাও পায় আমাদের চে বেশী –আবার সারাদিন বসে বসে ঝিমায় — আমি মানি না”

সে ফোরম্যানরে গিয়া বল্লো, “কেন তুমি আমাদের লগে কাজ করো না আর মোটা টাকা বেতন পাও”

তুমি জানতে চাও — ফোরম্যান কইলো !

শ্রমিক : হ

আচ্ছা ঠিক আছে , তাহলে এই যে দেয়ালের উপরে আমি হাত রাখলাম এইখানে যদি ঘুসি দিতে পারো — তাইলে তোমার কথা আমি মেনে নিবো

শ্রমিক ব্যাটা সর্বশক্তিতে ঘুষি মেরে বসলো — আর ফোরম্যান হাত সরায় নিসে,

শ্রমিক ওরে বাবারে মারে বলে শেষ কোকাতে কোকাতে শেষ !

ফোরম্যান বল্লো , আচ্ছা এইবার বুঝছো আমি কেন বেতন বেশী পাই – এখন নিজের কাজে যাও॥

তো শ্রমিক ফিরে গেলো কাজে

২য় শ্রমিক জিগায় — কি ব্যাপার — কি হৈলো ওরে সাইজ করতে পারলি না ?

১ম শ্রমিক: না পারি নাই — দেখ তুই আমারে ঘুসি মারতে পারোস নাকি — তাইলে বুঝবো তোর বুদ্ধি বেশী

এই বলে – ১ ম শ্রমিক নাকের সামনে হাতের তালু রাখলো ।

আর ২য় শ্রমিক ঘুষি মেরে বসলো !

৩১৫)

চট্টগ্রাম শহরে ‘সাব জিরো’ নামে একটা আইসক্রিম পার্লার আছে।কালকে জিইসি মোড়ে হাটতে হাটতে ওটার সামনে যেতেই অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল।ওখানকার একটা ঘটনা মনে পড়তেই নিজে নিজেই হেসে ফেললাম।আমার এক বন্ধু যে কিনা ডাউট দেয়াকে মোটামুটি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে তাকে নিয়ে স্মৃতি।প্রতিটি‍ কাজেই তার অফুরন্ত ডাউট।কোন এক বিকেলে আমার বন্ধু গেল সাব জিরো আইসক্রিম পার্লারে।সাথে আরও কয়েকজন।যখন সেলস ম্যান জানতে চাইল কে কোন ফ্লেভার নিবে,তখন আমার বন্ধুবর তার অবিস্মরণীয় ডাউট টা দিল।সে খুব মুড নিয়ে সেলস ম্যান কে জিজ্ঞেস করল “ভাই আইসক্রিম ঠাণ্ডা হবে তো?” সাথে থাকা বন্ধুরা হতবাক আর সেলস ম্যান বাকরুদ্ধ।এইরকম কথা সে বোধহয় বাপের জন্মেও শুনে নাই।

৩১৬)

সুর্যস্নান:

মারিয়ানা ঠিক করলো এবারের ছুটিটা সে হোটেলের ছাদে সুর্যস্নান করেই কাটাবে। প্রথমদিন সে শুধু প্যান্টি পরে ছাদে শুয়ে রইলো। সে খেয়াল করলো সারাদিনে কেউ ছাদে এলো না। তাই পরেরদিন সে গায়ে অবশিষ্ট কাপড়টুকুও রাখলো না যাতে পুরো শরীরে সূর্যের তাপ লাগে।

কিছুক্ষণ পর সে ছাদের সিঁড়িতে কারো পায়ের শব্দ শুনে উপুড় হয়ে শুলো আর নিচের দিকে একটা তয়লা টেনে নিলো। একটু পর ম্যানেজারের মুখ দেখা গেলো।

– ম্যাডাম, আপনি সুর্যস্নান করেন আপত্তি নেই, কিন্তু দয়া করে গতকাল যতটুকু কাপড় পরেছিলেন, পরে নিন। ম্যানেজার বললো।

– কেন? ছাদে তো কেউ আসছে না। পাশের বিল্ডিংগুলোও সব নিচু। তাহলে সমস্যা কি?

– আসলে ম্যাডাম, আপনি রোদ আসার জন্য বানানো ছাদের কাঁচের অংশটুকুতে শুয়ে আছেন।

৩১৭)

এক ছেলে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। হঠাৎ দেখল এক উলঙ্গ পাগল রাস্তার পাশে উপুর হয়ে শুয়ে আছে। উলঙ্গ পাগলটাকে দেখা মাত্র তার মনে একটা ইচ্ছা জাগল। ইচ্ছাটা পূরন করার জন্য সে পাগলটার পাশে বসে পড়ল। আর বেশ কিছুক্ষণ পাগলটার পাছায় তবলা বাজাল।

তবলা বাজানো শেষ হলে যখন সে উঠে চলে যেতে লাগল তখন পাগলটা ঘুরে তাকে বলল,

” ভাই তবলা তো ভালই বাজাইলেন, এবার বাঁশিটাও বাজায় দিয়া যান।

৩১৮)

লং ড্রাইভে সারারাত কাটিয়ে সকাল বেলা রাস্তার ধারে গাড়ী থামালেন আহসান সাহেব। ঘুমুবেন ঠিক করলেন। গাড়ী লক করে শুয়ে পড়েছেন, ঠিক এমন সময় গাড়ীর দরজায় ধাক্কা। দরজাটা খুলতেই একজন জিজ্ঞেস করলেন ” আচ্ছা ভাই, কয়টা বাজে বলতে পারেন?” আহসান সাহেব বিরক্ত হলেও ভদ্রভাবেই জানালেন যে, আটটা পাঁচ বাজে।

কিছুক্ষণ পরেই আবার দরজায় ধাক্কা। দরজা খুলতেই ছোট ছেলেটা বলল, আংকেল, কয়টা বাজে,বলবেন একটু? খুবই বিরক্তির সাথে আহসান সাহেব জানালেন, আটটা বিশ বাজে। ছেলেটি বিদায় নেয়ার পর আহসান সাহেব একটা কাগজের উপর বড় করে লিখলেন “এখন কয়টা বাজে আমি জানিনা।”লেখাটি টাঙ্গিয়ে দিয়ে তিনি আবার ঘুমাতে গেলেন। ঘুমিয়েই পড়েছেন প্রায়, এমন সময় আবার দরজায় ধাক্কা। “কী চাই?” দরজা না খুলেই খেঁকিয়ে উঠলেন এবার আহসান সাহেব।

“এখন পৌনে নয়টা বাজে” গম্ভীর উত্তর এলো বাইরে থেকে!

৩১৯)

এক লোক কিছু কাগজ ফটোকপি করে খুব মন দিয়ে অরিজিনাল কাগজগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখতে লাগল। আরেকজন প্রশ্ন করল, “এত মনোযোগ দিয়ে কি দেখছেন?”

লোকটি বলল, ” দেখছি ফটোকপিতে কোন ভুল হয়েছে কি না।”

৩২০)

থানায় গিয়ে ভদ্রমহিলা ইন্সপেক্টরকে বলছেন, “আমার স্বামী গতকাল আলু কিনতে বাজারে গেছে, এখনো ফেরেনি।”

ইন্সপেক্টর : আলুই যে রান্না করতে হবে এমন কোন কথা নেই, অন্য সবজি রান্না করুন।

৩২১)

ডাক্তার : আপনার স্বামীর বিশ্রাম দরকার। তাই কিছু ঘুমের ওষুধ প্রেসক্রাইব করলাম।

ভদ্রমহিলা : এগুলো আমার স্বামীকে কখন খাওয়াবো?

ডাক্তার : এগুলো আপনার স্বামীর জন্য নয়, আপনার জন্য।

৩২২)

বাইরে থেকে দরজা নক করছে।

ভেতর থেকে : কে?

বাইরে থেকে : আমি।

ভেতর থেকে : আমি কে?

বাইরে থেকে : আরে, আপনি কে আমি কি করে বলব?

৩২৩)

এক মেয়ে জ্বর হয়েছে বলে ডাক্তারের কাছে গেল। ডাক্তার বললেন, ‘তোমার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে।’

মেয়েটি বলল, ‘না ডাক্তার সাহেব, ডেঙ্গু হবে কীভাবে। জ্বর হওয়ার পর এতো কাঁপছি যে, ডেঙ্গু মশা কামড় দেয়ার সুযোগই পায়নি।’

৩২৪)

উকিল : মহাশয়, আমি জানি যে আপনি একজন বুদ্ধিমান ও সাধুলোক।

স্বাক্ষী : ধন্যবাদ আমি একটু আগে সত্যি বলার শপথ নিয়েছি, নইলে এই প্রশংসা আপনাকেও করতাম।

৩২৫)

লোক: মুরগী কতো করে ???

বিক্রেতা: স্যার, ১ম খাঁচার মুরগীর দাম ২০ টাকা করে আর ২য় খাঁচার মুরগীর দাম ২০০ টাকা করে

লোক: (অবাক হয়ে) ১ম খাঁচার মুরগীর দাম এতো কম কেন??

বিক্রেতা: স্যার, এই মুরগী গুলাতে AIDS আছে !

লোক : (কিছুক্ষণ চিন্তা করে………………… )

ঠিক আছে, আমাকে তাহলে ১ম খাঁচার মুরগীই দাও

বিক্রেতা: স্যার, আপনে AIDS ওয়ালা মুরগী কেন নিবেন ??

লোক: আমি তো খাওয়ার জন্য মুরগী নিবো !!

৩২৬)

এলাকায় নতুন একটা দোকান করেছে রফিক। কেবল দুটো জিনিসই বিক্রি হয় সেখানে—ঢোল আর বন্দুক।

একদিন তার বন্ধু বেড়াতে এসে খুব অবাক হয়। বলে, কিরে রফিক, কেমন অদ্ভুত দোকান খুলে বসে আছিস, আর কিছু নেই, শুধু ঢোল আর বন্দুক?

রফিক জবাব দেয়, তা-ই তো বেচে কুল করতে পারি না। একজন একটা ঢোল কিনে নিয়ে গেলেই হলো, পরদিন তার বউ আসে বন্দুক কিনতে ।

৩২৭)

‘নিউটন’ পড়তেন ল্যাম্পপোস্টের আলোয়, ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ পড়তেন মোমের আলোয় আর ‘শেক্সপিয়ার’ পড়তেন মশালের আলোয়।

কিন্তু আমার প্রশ্ন হইল, উনারা দিনের আলোয় তাইলে করতেনটা কি ??

৩২৮)

এক ডাক্তার রেস্তোঁরায় ঢুকে বয় কে কোমর চুলকাতে দেখে বললেন, একজিমা আছে নাকি?

বয়: না স্যার, ওসব স্পেশাল অর্ডার এখন হবে না।

৩২৯)

সবচেয়ে অলস লোককে আমি পুরস্কার দেবো। কে সবচেয়ে অলস,হাত তোল।

একজন বাদে সবাই হাত তুলল।

>কি ব্যাপার তুমি হাত তুললেনা কেনো?

> কে আবার অত কষ্ট করে।

৩৩০)

জামাতে ইসলামী, বিএনপি আর ঐক্যজোটের তিন কর্মী মদ্যপান করা অবস্থায় সৌদী আরবে ধরা পড়। সৌদী আরবে যেহেতু প্রকাশ্যে মদ্যপানের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর, তাই সেখানে এর শাস্তি হচ্ছে চাবুকের বিশ দোররা বাড়ি। আরবের শেখ যখন এই তিন কর্মীকে শাস্তির জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন, তখন শেখ বললেন, “আজ আমার প্রথম বউয়ের জন্মদিন, তাই আমি তোমাদের প্রত্যকেকে চাবুক মারার আগে একটা করে আর্জি জানাবার অনুমতি দিলাম এবং তোমাদরে আর্জি মঞ্জুর করা হবে।

লাইনের প্রথমে দাঁড়ানো ঐক্যজোটের কর্মী বলল, “শেখ তুমি যদি চাবুক মারার আগে পিঠের সাথে একটা বালিশ বেঁধে দিতে। তার আর্জি মোতাবকে বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১০ টা র্পযন্ত নিল, তারপর বালিশ গেল ফেটে। ব্যথায় কুঁচকে রক্তাত্ব অবস্থায় তাকে সরানো হলো বিশ দোররার পর।

এর পরে লাইনে ছিল বিএনপির র্কমী। সে ঐক্যজোটের কর্মীর বেহাল অবস্থা দেখে আর্জি জানাল দু’টো বালিশ বাঁধার। তার আর্জি মোতাবকে ২টা বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১৫ টা র্পযন্ত নিতে পারল, তার পর বালিশ গেল ফেটে। ব্যথায় কুঁচকে গোঙ্গানো অবস্থায় বিএনপি’র র্কমীকে সরানো হলো বিশ দোররার পর।

সবার শেষে লাইনে ছিল জামাত কর্মী। সে কোন কিছু বলার আগেই শেখ জামাত র্কমীকে বলল, “তুমি হচ্ছো গোলাম আযমের দলের লোক। তাই তুমি ২টা আর্জি রাখতে পার”। জামাতী কর্মী খুশীতে গদগদ হয়ে বলল, “হুযুর, আমি নাদানের মতো কাজ করেছি, তাই তুমি আমাকে চাবুকের ২০ দোররা না, ১০০ দোররা মার। শেখের চোখ আনন্দে জ্বলজল করে উঠল। বলল, “তার পরের আর্জি”? জামাত কর্মী ব্যথায় কুঁকড়ানো বিএনপি কর্মীকে আঙ্গুলের ইশারায় দেখিয়ে বলল, “বালিশ টালিশ না, তুমি ঐ ব্যাটারে (বিএনপি’র কর্মী) আমার পিঠের পেছনে বাইন্ধা দাও”।

 

(বোনাস)

একদিন এক বিশাল শপিংমলে হঠাৎ আগুন লাগলো।
লোক জন দিক বিদিক ছুটাছুটি আরম্ভ করলো। কিছু লোক শপিংমলের ভিতর আটকা পরলো।
ফায়ার সার্ভিস এর লোকজন এসে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে মাইকে সর্ব প্রথম যে ঘোষণাটি দিল তা হল…
“মলে আগুন লেগেছে। সবাই দ্রুত মলত্যাগ করুন!!!”

০০০০০০০

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ০ থেকে ১০০(১৮+)

১০১-২০০ হাসির কৌতুক (প্রাপ্তবয়স্ক ছাড়া পড়বেন না ১৮+)

মন্তব্য করুন..

২ thoughts on “বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ২০১ থেকে ৩৩০(১৮+)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.