Categories
অনলাইন প্রকাশনা

বিভাবরী শাড়ীতে

বিভাবরী শাড়ীতে
———————- রমিত আজাদ

দিনের শেষে জাগলো কালো,
নীলাম্বরীর অম্বরে।
ঘোর তমসায় ফুটলো নিশি,
রাত্রি রাণীর ফুলডোরে।

জলাঞ্জলি দিয়ে নীলা, গ্রাস করেছে শর্বরী।
ইন্দ্রজালে উঠছে ফুটে, বর্ণছটার ফুলঝুরি।
গোলনিয়ারা অরুন্ধতীর রূপ পেয়ারা মোহিনী,
লুদ্ধক আর চিত্রা ফোটে, রৌশন দেয় রোহিণী।

জানি তোমায় এই জনমে আর যাবে না ছোঁয়া,
দেখা যাবে সেই তো অনেক, দৃষি্টপাতেও মায়া!
মধুকর তো নই যে আমি, ছিলেম রূপের ভিখীরি।
সেই ভিখারী আজও আছি, আজও দোলাও মন কাড়ি!

কৃষ্ণকায়া জরিন শাড়ী, নকশাকাটা পাড়,
গহীন সুখে জড়ায় তোমায়! ভাগ্যে মেলা ভার!
বিন্দুসম তমসী টিপ ভাগ্যবতীর কপালে,
কালোতেও যে ভালো মানায়! রূপ যাদু খুব ছড়ালে?

ফুল-কুঁড়ি এক চিবুক তোমার, রক্তকমল গাল,
রঙধনু তায় দুইটি নয়ন, লাজের ছোঁয়ায় লাল!
শিথিল কেশে ঢেউ খেলে যায় কৃষ্ণকায়া গুলশানা,
অধর হেসে বান ডেকে দেয় রক্তচুনী নজরানা।

কোন মোহনায় মন ভাসালে,
কোন সাগরের বানে?
আনমনা মন তাও অবেলায়
তোমার পানেই টানে!
——————————————-

রচনাতারিখ: ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯
সময়: রাত ০৩টা ২০ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.