Categories
অনলাইন প্রকাশনা

বিষণ্ণ বধুবেশ

বিষণ্ণ বধুবেশ
——————– রমিত আজাদ

হ্যাঁ, বর এসেছে।
আমি জানি বর এসেছে!
আমিই তো তাকে আসতে বলেছি।
প্রতীক্ষা নয়, অপেক্ষা করেছি।
আমি শুনতে পাচ্ছি বিয়েবাড়ী গেইটে
বরযাত্রীর সাথে কনে পক্ষের বাদানুবাদ!
তরুণীদের রিনরিন হাসি।
মধ্যমণি দাঁড়িয়ে আছে শাহী পোষাকে,
নিঃশব্দ লাজুক!

এরপর সুগন্ধী আহার পর্ব,
কুটুমদের তামাশা-বিনোদন!
শিশুদের ছুটে ছুটে কনে দেখা!
কেউ কেউ ছবি তোলে,
ফ্রেমে বাঁধে স্মৃতি!

পরিশেষে কালিমা পাঠ।
বরের পাঠানো পয়গাম।
সকলে অধীর আগ্রহে শুনতে চাইবে,
কনে বলছে ‘রাজী’,
কনে বলছে ‘কবুল’!

হ্যাঁ, আমি ‘কবুল’ বলবো,
পয়গামে রাজী হয়ে
আত্মসমর্পন করবো তার কাছে।
নব পরিচয়প্রাপ্ত বর
উঠে দাঁড়িয়ে সালাম দেবে
উপস্থিত অভ্যাগতদেরকে।

সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে,
নিবিষ্টচিত্ত বিজয়ী বর
হাত ধরে আমাকে নিয়ে যাবে
তার নির্ধারিত গন্তব্যে।

আজ থেকে সমাজ জানবে,
আমি তার, সে আমার।
সমাজ কোনদিনও জানবে না,
বধুবেশী আমার দীর্ঘশ্বাসে
বুকভেদী হাঁহাকার,
আমি কার, কে আমার!!!

———————————-
রচনাতারিখ: ২রা অক্টোবর, ২০১৯
সময়: দুপুর ২টা ৫৮ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.