Categories
অনলাইন প্রকাশনা

ভালোবাসার আহবান

ভালোবাসার আহবান
————- ড. রমিত আজাদ

তোমার ভালোবাসার আহবানে সাড়া দিতে চাইনি তা ঠিক নয়,
তবে সাড়া দেবো কি দেব না, এই নিয়ে বারংবার ভাবতে হয়েছে।
যেমন ভেবেছিলো উড়ে যাবার আগ মুহূর্তে কাক
এক পায়ে দাঁড়ানো দ্বিধাগ্রস্ত সাদাকালো পরভৃৎ,
জয়নুল আবেদীনের অমর শিল্পকর্মে, নিপুন তুলির টানে।
অথবা ভেবেছিলো হ্যামলেট উন্মুক্ত শাণিত ছুরিকা হাতে।
ব্রুটাসও বহুবার ভেবেছিলো, জুলিয়াসের হত্যাকান্ডে অংশ নেবে কিনা,
হয়তো সে জানতে পেরেছিলো সিজারই তার প্রকৃত পিতা!

দ্বিধা, সংশয়, অভিশঙ্কা, অপ্রতীতি, অনিশ্চয়তা
এইসব কিছু মানব জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে
অবিচ্ছেদ্য আরণ্য অর্কিডের মত, বিটপির সর্বাঙ্গ জুড়ে।
ভালোবাসা যদিও স্বর্গীয়, তবুও নিছনি।
হোক সে নীরব বৃষ্টিপাত বুকের অপাপ জমীনে,
অথবা দারুন বজ্রাঘাত হৃৎপিন্ড বিদীর্ণ করে।
হোক সে অসহনীয় নাগরিক কোলাহল,
কিংবা নিসর্গের স্নিগ্ধ নীরবতা,
অথবা আলিঙ্গন সমাহিত স্বপ্নলোকের।
তবুও আহবান থেকে যাক অমিমাংসিত,
উপেক্ষিত জীবনের বলয়ে, অনাগত কালের স্রোতে,
তুমি বিক্ষুদ্ধ হলেও হতে পারো, তবুও বুঝে নিতে হবে,
সব আহবানে সাড়া দেয়া যায়না!

১৯ শে মে, ২০১৬ রাত ৩:৪৫

(ইতঃপূর্বে প্রকাশিত)

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.