Categories
অনলাইন প্রকাশনা

ভুলে গেলেই ভালো হয়তোবা

ভুলে গেলেই ভালো হয়তোবা
————— রমিত আজাদ

সে তো অনেক আগের কথা,
হয়তো পেরিয়ে গেছে এক দশক বৈভবের ,
অথবা পুরো একটি যুগ ঐশ্বর্যের,
এক শতাব্দীও হতে পারে ধ্রুপদী লালিত্যের,
সময়ের প্রহেলিকা বোঝা ভার,
বিশেষত আহত হৃদয়ে।

এখন আর,
মনে করতে চাইনা তাকে, অনুরাগে।
কি হবে মনে করে তব?
ব্যাথাই বর্ধিবে শুধু, রমনীর উত্তুঙ্গ উরোজ সম,
যেমন বুভুক্ষু যমুনায় জেগে ওঠে রুক্ষ চর,
কাতর জলের শোকার্ত আকুতি উপেক্ষা করে।

এখন আর কাউকে,
ভালোবাসতে ইচ্ছে হয়না নতুন করে।
বারবার মনে পড়ে তাকে, প্রাণের মুকুরে,
অথবা সেইসব ছোট ছোট সাধারণ
তবু অসাধারণ আবেগের নির্বন্ধ।

আর যদি,
পুনর্বার প্রেম জাগাতে চাই অন্তর্দেশে,
যদি অনশেষ হ্রস্ব আয়ুষ্কালে,
সৃজিতে চাই আরেকটি কিশতি,
তবে ভুলে যেতে হবে সব।
যেমন মুছে ফেলে বিকেলের রোদ,
নিঃশব্দে নেমে আসা সাঁঝের নীহার।

নাহ্‌, যাবেনা কখনো ভোলা।
তদুপরী, ভুলে গেলেই ভালো হয়তোবা!
নবলদ্ধ নহলী লাবণ্য নিয়ে,
শুরু করা যাবে,
আরেকটি নূতন জীবন।

(ইতঃপূর্বে প্রকাশিত)
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৪:৫১

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.