Categories
অনলাইন প্রকাশনা

মায়াবী হায়ারোগ্লিফে মহাকাব্য

মায়াবী হায়ারোগ্লিফে মহাকাব্য
————————— রমিত আজাদ

যত যাইহোক,
তোমার শেষ নিঠুর কথাগুলি ভুলে যাবো।

মনে রাখবো শুধু, তার আগের মধুর কথাগুলি।
মনে রাখবো, তার আগে মায়াময় যা যা হয়েছিলো!

মনে রাখবো,
কেমন মিষ্টি করে মৃদু লাজুক হেসেছিলে।
মনে রাখবো,
পরীর মতন সেজেগুঁজে,
কেমন করে চুপিসারে হঠাৎ এসেছিলে!

উন্মুক্ত মঞ্চে দাঁড়িয়ে মহানায়ক বলেছিলো,
“……… দিল কাহতা হ্যাঁয়, তুম এহি হো!”
দর্শক সারিতে বসে নায়িকা
কিছুক্ষণ নির্লিপ্ত থাকার অভিনয় করেও
সহসা ব্যাথিত লাজুক হেসেছিলো!
মনের আবেগ কতক্ষণ আর ধরে রাখা যায়?!

ক্ষুধা চায় সুধা,
সেই সুধার আঁশে ক্ষুধা নিয়ে
তুমি কতবার এসেছিলে বর্ণিল অজুহাতে!!!
স্পর্শে স্পর্শে
কতবার রাঙা হয়েছিলো নহলী কপোল!

একত্রে রাত দেখিনি,
তাই প্রাতও হয়নি দু’জনার।
নাহোক,
দিনগুলি তো ছিলো আমাদের!
আর কয়েকটি ব্যাকুল বিকেল!!!

মনে রাখবো কেবল,
এ যুগের ওয়ান্ডার
দূরালাপনীর তরঙ্গে তরঙ্গে ভাসিয়ে দেয়া
একান্ত আলাপনগুলি।
সবগুলি আলাপন
পিপিলিকার প্রবাহের মত জুড়ে দিলে
সে যুগের ওয়ান্ডার
একটি পিরামিড ভরে যাবে মায়াবী হায়রোগ্লিফে!
এথেন্সের মন্দির প্রাচীরে
লেখা হয়ে যাবে আরেকটি মহাকাব্য!

ঐ শেষ তিন চার লাইন নিঠুর কথাগুলোর জন্য কি
আমি একটি মহাকাব্য ভুলে যেতে পারি???

——————————————————–
তারিখ: ১৯শে ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
সময়: রাত ১ টা ১৬ মিনিট

Hieroglyphic Love
—————————– Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.