Categories
অনলাইন প্রকাশনা

মুমূর্ষু গুল্মের উন্মেষ

মুমূর্ষু গুল্মের উন্মেষ
——————— রমিত আজাদ

না, আমি আর কাঁদবো না,
সাগরের জল বাড়িয়ে কি লাভ বলো?
বর্ধিত জলরাশির জলোচ্ছাসে
ঐ মানুষই তো আবার ডুববে!!!

চোরাবালুতে বালু ফেললে,
বিপদ কমেনা, বরং বাড়ে।
ঘুর্ণিকে যতই ঘোরাও
ততই উর্ধমুখী তার বেগ!

প্রেম তো অন্ধই হবে,
খোলা চোখে প্রেম হয় না।
লজিকের শৃঙ্খল রচেছ তো,
আবেগ হারিয়ে যাবে!

নীরব বিরহ, সেই ভালো!
সরল দোলকের মত
মন্দন হতে হতে
একসময় থেমে যাবে,
দুর্বল হৃৎপিন্ডের মত!

নির্বিকার শূণ্যদৃষ্টি আঁখি থেকে
যদি অলক্ষ্যে গড়িয়ে পড়ে
এক বিন্দু শবনম,
তাই ভালো।
ঐ ঘনীভূত হিমকণাই হোক
কোন মুমূর্ষু অঙ্কুর গুল্মে
এক প্রাণদায়ী অমৃত!

—————————————
রচনাতারিখ: ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সাল
সময়: রাত ১টা ৫৫মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.