Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ১২১, ১২২, ১২৩, ১২৪, ১২৫

রুবাই ১২১, ১২২, ১২৩, ১২৪, ১২৫
———————————- রমিত আজাদ

১২১।
আসবে না সুখ এই জীবনে, জীবন সুখের জায়গা নয়,
বৃথাই লোকে থিওরী বানায়, তত্ত্বকথার ফুল ঝড়ায়!
আলোর সাথেই আঁধার আছে, মিলেঝিলেই রাত্রীদিবা,
নীল আকাশেই মেঘ জমে যায়, চমকে ওঠে বিজলীবিভা!

১২২।
রঙের খেলা খেলারে, কাল বোশেখীর মেলা রে!
গর্জে তুফান ঘূর্ণিঝড়ে, উড়ায় মেঘের ডালা রে!
ঘোর বৃষ্টি ঝুম ঝুম ঝুম, সিক্ত পাতায় চুম চুম চুম!
বিজলী জ্বলে বৃষ্টিপাতে, চমকে ত্রাসে বজ্রপাতে।

১২৩।
নারীর মন এক অনিশ্চিতা, দ্বিধায় ভরা অস্থিতি,
এই তো দেখি জোয়ার ভরা, আবার ভাটায় সঙ্গীতি!
দোদুল্যমান মন প্রকৃতি, অন্বয়হীন কার্যক্রম,
অধৈর্য তার মেজাজ রীতি, নিরাকৃতি অনুক্রম!

১২৪।
মাঠে-ঘাটে, খেলার মাঠে, যেথায় যাবে মোবাইল চাই,
ট্রেনে বাসে, জাহাজ ঘাটে, মোবাইল ছাড়া কথা নাই!
মোবাইলটা ভাই খাপছাড়া তাই, বাজতে থাকে অযথাই,
হতচ্ছাড়া যন্ত্রণা এক, খাচ্ছে মাথা বেহুদাই!

১২৫।
জলছবি মন চিত্রছায়া, মন মোহনায় জোছনা,
গোলাপ-বকুল হাসনাহেনা মন-ভুবনে ফোটেনা।
শোকের শিশির ফুল শাখাতে নয়ন-নীরে জ্বলজ্বলে,
রিক্তবীথি বহ্নিশিখায় অধীর মনে টলমলে!

——————————————————
রচনাতারিখ: ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সময়: দুপুর ১টা ৪৩ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.