Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১২৯, ১৩০

রুবাই ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১২৯, ১৩০
———————————- রমিত আজাদ

১২৬।
বৃষ্টি ছিলো, বর্ষা ছিলো, বজ্র ছিলো খুব!
আমি ছিলাম উচ্ছসিত, তুমি ছিলে চুপ!
তাও তো তুমি ছিলে পাশে, মেঘরা ছিলো কাছে।
মেঘবালিকার চুল ভিজেছে, জল নেচেছে ঘাসে!

১২৭।
ঐ শালারে ধররে মমিন, ঐ শালারে ধর!
খেলছে জুয়া বন্ধ ঘরে, করছে নাকো ডর!
খেলবি জুয়া খেল বাজারে, দেখবে কত হাজারে!
তীর ঘুরিয়ে ধরবি বাজি, লক্ষ প্রাণের মাঝারে!

১২৮।
পথ ঢাকা বনফুলে, কাশবন দুলে দুলে,
অম্বর নীলে নীলে, শতদল ঝিলে ঝিলে,
আঁকে ছবি রঙেরূপে, ছায়ারোদ মিলেঝিলে,
প্রকৃতির চারুশোভা গড়ে তোলা তিলে তিলে।

১২৯।
কবি তোমার প্রেমের তৃষা সব প্রাণে তো বোঝে না,
গোপন নামে ডাকছো যারে, তার দিলে তো পৌঁছে না!
ভর দুপুরে রৌদ্রস্নানে, আলোর তরী ভাসে না,
সাধের জনম দানবে যাকে, তার বোধে তো আসে না!

১৩০।
একদিন এই চোখ বুঁজে যাবে অলখে,
হৃদয়ের কম্পন থেমে যাবে পলকে!
স্বজনের আহাজারি শুনবে না কোন কান,
গাড়ী-বাড়ী রবে পড়ি, রইবে না পিছুটান!
————————————————–

রচনাতারিখ: ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সময়: বিকাল ৪টা ১৯ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.