Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ১৮১, ১৮২, ১৮৩, ১৮৪, ১৮৫

রুবাই ১৮১, ১৮২, ১৮৩, ১৮৪, ১৮৫
———————————- রমিত আজাদ

১৮১।
রঙ, তুলি আর ইজেল মিলে করলো কেমন সর্বনাশ!
ছেলেমানুষের হাতের আঁকায় পরী পেয়েছে প্রাণোচ্ছাস!
শেষ না হওয়া গল্প শেষে জুড়লো আরো কয়েক পাতা,
রংধনু রঙ বিকেল শেষে খুললো নতুন গানের খাতা।

১৮২।
রাতটা যত গভীর হয়, মনটা তত খারাপ হয়,
শংকা শুধু বাড়ছেই, যদিও জানি ভোর কাছেই।
কুজ্ঝটিকায় মিলেঝিলে রাতের আঁধার কেনই কালো?
কুহেলিকার গ্রন্থি খুলে কে ফোটাবে ভোরের আলো?

১৮৩।
এলোচুলের স্বর্ণলতায় শিশির ঝরে রূপসুধায়,
আঁখির কোলে নিদ নামেনা, লগ্ন কাটে লাজ দ্বিধায়।
অশ্রুতে তার শূন্যতা নেই, ব্যথার দাবী এই শুধায়,
তুমিও কি আজ নিদ্রাবিহীন, সুখ হারালে প্রেম ক্ষুধায়?

১৮৪।
কি হবে এখন, মিলিয়ে কথন, হিসেবের অমরাবতী?
অভিসারে তব কত ছিলো প্রেম, আর কতখানি রতি?
উদাসিনী মোর, খোল মন দোর, স্মরিয়া বিগত দিন,
অবসিত ভোরে, তব বাহুডোরে, আমার অনেক ঋণ!

১৮৫।
ছুটিয়া আসিলো ভোর, খুলেছে নয়ন মোর,
প্রিয়া তো এখনো ঘুমে! দিব কি নয়ন চুমে?
সময় তো ফুরায়ে যায়, লগ্ন যে হারিয়ে যায়,
তবু জাগাবো না তারে, স্বপনে দেখুক মোরে।

—————————————
রচনাতারিখ: ১৬ই নভেম্বর, ২০১৯ সাল
সময়: ভোর ৪টা ৩৪মিনিট

Rubai 181, 182, 183, 184, 185
———————- Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.