Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ১৯৬, ১৯৭, ১৯৮, ১৯৯, ২০০

রুবাই ১৯৬, ১৯৭, ১৯৮, ১৯৯, ২০০
——————————— রমিত আজাদ

১৯৬।
রাতের আলো বুটি বুটি, জোনাকীর ছুটোছুটি,
জমিনের তারারাজি, ঝিকিমিকি ভোজবাজি।
আলোকিত কীট নাচে, ঝোপঝাড় জঙ্গলে,
দীপালীর ঝড় তোলে, আলোদীপ মঙ্গলে।

১৯৭।
কাছে আছো তবু তুমি দূর দূর দূর,
তোল তান ঝংকারে, সুর সুর সুর।
খোল তব বাতায়ন, সুদুরিকা দীপিকা,
ছুঁয়ে দাও এ হৃদয়, বিষাদিনী বীথিকা।

১৯৮।
লোভ আর লালসার ভয় নাই, ক্ষয় নাই,
লুটেপুটে খাও-দাও, থামাবার কেউ নাই।
শেয়াল আর নেকড়েরা হংসের স্বাদ চায়,
আঁধারের বুক চিরে শ্বাপদেরা তড়পায়!

১৯৯।
কুয়াশায় ভেসে ভেসে আকাশের গায়ে এসে,
উঁকি দিয়ে মিশে যায়, নীলিমায় ভেসে যায়।
নিঃশেষে ঝলকায় উচ্ছাসে ছুটে যায়, হুতাশন বুটিকা।
বাতাসের ইন্ধনে, ছেঁড়ে শিখা বন্ধনে, অগ্নির কণিকা।

২০০।
যতই তুমি লুকিয়ে থাকো সাত সাগরের তীরে,
ইথার হয়ে পৌঁছে যাবো, তোমার গোপন নীড়ে।
জোৎস্না হয়ে জড়িয়ে নেবো সাত মহাদেশ ঘিরে,
রুবাই লিখে ছড়িয়ে দেব সব মানুষের ভীড়ে!

——————————————————–
রচনাতারিখ: ২৩শে নভেম্বর, ২০১৯ সাল
সময়: রাত ০২ টা ২৯ মিনিট

Rubai 196, 197, 198, 199, 200
—————————– Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.