রুবাই ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০

রুবাই ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০
———————————- রমিত আজাদ

২০৬।
এই জীবনের গল্প অনেক, অল্প কথায় চলবে না,
কথায় কথায় জমবে মেলা, স্বল্পকালে ভাঙবে না।
শেষ নেই যার এমন পুঁথি চলছে লিখে লক্ষ জন,
চোখ বুলিয়ে পাতায় পাতায়, ভরছে মনন এই ভূবন।

২০৭।
কি চায় নদী? কোথায় ছোটে? কি দেখে যায় পথে?
নদীর কথা কেই বা শোনে? কে যাবে তার সাথে?
সাক্ষী নদী সব গোপনের, বলবে সে তা কাকে?
কান্না-হাসির ফানুস ওড়ে নদীর বাঁকে বাঁকে!

২০৮।
ঝলমলে এক প্রেক্ষাপটে সুহাসিনী-র হাসির ঝলক!
পোষাক শোভা জৌলুসে তার, চমকে ওঠে সর্বভূলোক!
হাতের বালা, কণ্ঠহারে স্বর্ণ-কনক ছড়ায় জ্যোতি,
জোৎস্না যেন ম্লান হয়েছে, চন্দ্রিকাটাও মানছে নতি!

২০৯।
পাঠাগারে বই পড়ে সুহাসিনী চঞ্চল,
কিতাবেতে পড়ে লুটে অধীতীর কুন্তল।
স্বর্ণালী কেশ তার পুস্তক ছুঁয়ে যায়,
পুঁথিদের মুদ্রণে স্মৃতিটুকু রয়ে যায়!

২১০।
চন্দ্রিমাটা লজ্জা পেলো কার যেন রূপ দেখে!
ঊষার কিরণ জেল্লা পেলো কার সে দ্যুতি মেখে?
ভরাট চোখে কে তাকালো, কার নয়নে আলো?
যাদুর ছোঁয়ায় কে সরালো আঁধার নিশির কালো?

—————————————————————
রচনাতারিখ: ২৬শে নভেম্বর, ২০১৯
সময়: রাত ১১টা ৪৭মিনিট

Rubai 206, 207, 208, 209, 210
———————— Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.