Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২১৯, ২২০

রুবাই ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২১৯, ২২০
———————————— রমিত আজাদ

২১৬।
ভালোবাসায় আকাশ রাঙে, আরো রাঙে সমুদ্র রঙ!
নীল ছুঁয়ে যায় নীলিমাকে, মেঘের সাজে হরেক ঢং!
বিরহে তার পৃথক ছবি, হিম মুকুরে রক্তিমা!
ধুসর মেঘে আকাশ ভরে, হারায় ভরাট চন্দ্রিমা!

২১৭।
বলছে হৃদয় বলতে থাকুক, আঁখি তো আর বলে না!
ফুটছে প্রসূন ফুটতে থাকুক, পাখি তো আর ডাকে না!
রাত্রী বলে থেকেও নেই, দিবস বলে এসেও নেই,
বৃথাই তবে এষণ আজি, রাত্রী-দিবস রোদন সেই!

২১৮।
আমার কি আর বন্ধু আছে, যার কাছে মন বন্দী?
চলার পথের সঙ্গী আছে, যার সাথে হয় সন্ধি।
সোনার থালায় ডিনার চলে সহকর্মী পেলে,
কলার পাতায় অন্ন মাখার সহচর না মেলে!

২১৯।
শীতের ছোঁয়া লাগছে বনে, শিশির ঝরে হরষে,
উষ্ণতা নেই আজ কতকাল তোমার মধু পরশে!
স্বর্গ-সুখের আলিঙ্গনে জুঁই ফোটা সেই সুধার রেশ,
তুষার ঝরে অশ্রু হলো ফেলে আসা শীতের দেশ!

২২০।
নুপূর বাজে রিনিঝিনি, নৃত্যকলার শিঞ্জিনী,
সাকির চলার ছন্দকলা, নেশাতুরে অঞ্জনি।
আঁখির মদির তৃষ্ণাতুরে ঢেউয়ের দোলা মৌতাতে,
ভর-পিয়ালায় পান করিয়ে, উসকে দেবে মৌচাকে!
—————————————————————
রচনাতারিখ: ২৯শে নভেম্বর, ২০১৯
সময়: রাত ৩টা ১০মিনিট

Rubai 216, 217, 218, 219, 220
———————— Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.