Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ২২৬, ২২৭, ২২৮, ২২৯, ২৩০

রুবাই ২২৬, ২২৭, ২২৮, ২২৯, ২৩০
————————— রমিত আজাদ

২২৬।
হাত খালি, কান খালি, গলায় শুধু কন্ঠহার,
উদাসিনী নিজেই কনক, কি প্রয়োজন ভূষণ ভার?
সোনার কাঁকন না বাজিয়েই, তুলতে পারে সুর,
ঝুমকো হীরের না জ্বলিয়েই , জেল্লা ছড়ায় দূর!

২২৭।
চলছে সময় সমুখ পানে, কে ফেরাবে তাকে?
উল্টাস্রোতে তাও চলা যায়; সময় মানবে কাকে?
অভীক নাবিক স্রোতের সাথে যুদ্ধ করে টেকে!
কূলহারা হই সময় স্রোতের বিপরীতে থেকে!

২২৮।
আঁধখোলা ঐ আঁখির কথা, পড়তে পারা ভার!
কি কথা যে বলছে নয়ন, কোন ভাবনা তার?
সন্ধে সকাল মুক্তোকেশে যাচ্ছে বাতাস ছুঁয়ে,
আঁখির ফাঁদে বন্দী হয়ে, পড়ছে আকাশ নুয়ে!

২২৯।
আমি গেলাম খেতে খানিক চা, ক্লান্তিটুকু করতে বিনাশ, হাঁ।
তুমি কেন অমন ছুটে এলে? হালকা সাজে মুক্তো দীঘলচুলে?
অমন করে হাসলে কেন হাসি? মেঘনা চেনো, অথৈ সর্বনাশী?
বুঝতে হবে শশী, ঐ হাসিতে কাঁপন জেগে ভ্রষ্ট হবে ঋষি!

২৩০।
কাজের ছলে মন বালিকা আসে কিসের আশে?
লাজুক চোখে দাঁড়ায় চুপি বাতায়নের পাশে।
চোখ থেকে চোখ দৃষ্টি হলে, নয়ন দুটি নামায়।
চমকে উঠে কাঁধ ঝাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে পালায়!

————————————————————–
রচনাতারিখ: ১লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সাল
সময়: রাত ১১টা ০৬ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.