Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ২৩১, ২৩২, ২৩৩, ২৩৪, ২৩৫

রুবাই ২৩১, ২৩২, ২৩৩, ২৩৪, ২৩৫
—————————– রমিত আজাদ

২৩১।
কেউ করেনি অভিনয় তো! কেউ করেনি প্রবঞ্চনা!
আমিও না, তুমিও না। কারো মনেই পাপ ছিলো না।
তবে কেন পৃথক হলাম? হলো না আর ঘর বাঁধা?
তবে কেন সবটা জীবন, কুজ্ঝটিকায় রইলো ধাঁধাঁ?

২৩২।
শুভ্র বসন জাগায় মনে শুভ্র শীতের বার্তা,
অদ্রি চূড়ায় ঝলকে ওঠে শ্বেত তুষারের ঘরটা!
তুষার মাঝেই রক্তকমল শুভ্র হাসির রাজরাণী,
জারুল বনে ধবল টগর, কাঠ-মালতির হাতছানি।

২৩৩।
লিখেছ, আর ভালোবাসোনা আমাকে,
যতবার তোমার চিঠি পড়ি
সজল চোখে, আজও কাঁদি
জানি না কার ভুল ভাঙবে, তোমার না আমার?

২৩৪।
হাসিটা তো তেমনি আছে, কেমন দুষ্টু মিষ্টি হাসি!
সাতক্ষীরাতে কিনেছিলে কুহেলিকার পাতার বাঁশি?
ঘাড় ঘোরাতেই চোখ ফেরালে, যেন আমায় দেখছোনা!
আমার চোখও দেখছে ঠিকই, আমায় তুমি ভুলছোনা!

২৩৫।
প্রেম করাটা বারন তবে, প্রেমে পড়া বারন নয়।
পড়লে প্রেমে চুপটি থাকো, মুখ ফুটে তা বলার নয়।
যেই বলেছ, সেই মরেছ! নিজের হাতেই গোর খুঁড়েছ!
কি প্রয়োজন বেঁচেই মরার? বৃথাই নিজের কবর খোঁড়ার?

————————————————————–
রচনাতারিখ: ০৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সাল
সময়: রাত ১০টা ৪০মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.