Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ৩১১, ৩১২, ৩১৩, ৩১৪, ৩১৫

রুবাই ৩১১, ৩১২, ৩১৩, ৩১৪, ৩১৫
—————————————– রমিত আজাদ

৩১১।
ঝিলমিলে শাড়ি-চুড়ি, বর্ণিল ওড়না;
খোঁপা ভরা মালা ছড়া, পুষ্পের বন্যা!
ভরা নদী টলমল, স্বপ্নিল চলাচল,
ভিক্ষুর ধ্যান ভাঙে, রূপ জ্বেলে ঝলমল!

৩১২।
মানবতার ফেরী করে ফেরে যে এক ফেরীওয়ালী,
মন বাঁধেনি কারো ঘরেই, হয় নি কারো বাড়ীওয়ালী!
বঞ্চিতদের করতে খুশী পড়েছিলো বিষয় আইন।
বঞ্চিতরাই ভালোবাসা, তারাই যে তার ভ্যালেন্টাইন!

————————- রমিত আজাদ (১৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২০)

৩১৩।
জ্বলুক ফাগুন, জ্বলুক আগুন; পালিয়ে বেড়াক শীতের শ্বাস।
উষ্ণ বাতাস উড়িয়ে আনুক, নও জীবনের সুখের আঁশ!
মেলিয়ে ডানা উড়ুক বিহগ, সাকির হাতে খুন পেয়ালা।
কোন পেয়ালায় মাখবে চুমু, ধন্দে প্রেমিক মন উজালা!

৩১৪।
লায়লার হাসিটির আড়ালে যে দুঃখ,
জীবনের পথ তার বন্ধুর ও রুক্ষ!
বিষাদের ধুসরতা ছেয়ে আছে মন তার,
দুচোখের নদী দুটি বয়ে চলে অনিবার!

৩১৫।
জ্বলতে আসো, জ্বালতে আসো, ফাগুন নেশায় হারিয়ে দিশা;
সুখের আশায়, সঙ্গ-তৃষায়, পুড়াও শিখা, বিষের নিশা।
বসন্তে আজ মন রেঙেছে, হুশ হারালো ফুল পরাগে,
তরুণ অরুণ কায়ায় জ্বলে তপ্ত অনল সুরের রাগে।
—————————————————————

রচনাতারিখ: ১৫ই ফেব্রুয়ারী, ২০২০ সাল
সময়: রাত ১১ টা ১৮ মিনিট

Rubai 311, 312, 313, 314, 315
———————————- Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.