Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ৩৭৬, ৩৭৭, ৩৭৮, ৩৭৯, ৩৮০

রুবাই ৩৭৬, ৩৭৭, ৩৭৮, ৩৭৯, ৩৮০
———————————————– রমিত আজাদ

৩৭৬।
সেই ভালো মোর মেকাপ গেটআপ টিকটকে তার হল্লা নাচ,
ভোজ সাজিয়ে রোজ টেবিলে, বিন্দু থেকে সিন্ধু সাজ!
কেউবা টাকার পাহাড় দেখায়, মাথায় দিয়ে স্বর্ণালী তাজ!
ভুলেও তবে জ্ঞান দিওনা, নাখোশ হবেন রাজা-ধীরাজ।

৩৭৭।
কন্ঠ আছে স্বরও আছে, গাও তুমি গান বন্দনার,
ছন্দ তুলেই বন্ধ দুয়ার খুলবে সাধের চন্দনার।
চন্দনাতেই রূপ সাধনা, বল্লরী তার চমৎকার!
মূর্তি নিয়েই ফুর্তি করো, ধরার খবর কি দরকার?

৩৭৮।
ফন্দি করে বন্দি জীবন শরাব নেশায় মাতাল বুঁদ,
মুক্তি যাচে কোন সে পাগল? গুনতে হবে দ্বিগুন সুদ!
ঋণের দায় প্রাণ বিকালে, দিন শেষে তাই হাত বাঁধা;
সুদীর খাতার মাফ পাবেনা, মস্তকে আজ ভুত ধাঁধাঁ!!!

৩৭৯।
অতঃপর এই পাগলা হাওয়া তোমার ঠোটের মূক ভাষা!
রূপকথা কি শোনায় সুধা, ফুল বাগিচার রূপ আশা?
আমি যে আজ পান করেছি ঐ পেয়ালার মিষ্ট জল,
স্বপ্ন সাথী আজ পেয়েছি, বুকের জোয়ার ছলাৎ ছল!

৩৮০।
কোন এতিমের লুটলে খাবার? কোন বিধবার কাড়লে জল?
কোন কৃষকের ক্ষেত মাড়ালে? কোন শ্রমিকে করলে ছল?
লোভের বশে ডাকাত হলে, লিপ্সাতে যাও দস্যুতায়;
চোখ বুজলে রইবে দেহ, গোরের কোলে মাটির তলায়!


রচনাতারিখ: ৮ই মে, ২০২০ সাল
রচনা সময়: দুপুর ০১টা ০৯মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.