Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ৩৮১, ৩৮২, ৩৮৩, ৩৮৪, ৩৮৫

রুবাই ৩৮১, ৩৮২, ৩৮৩, ৩৮৪, ৩৮৫
—————————————– রমিত আজাদ

৩৮১।
“চাঁদের মতো রূপ যে তোমার, ফেনিল সাগর পিঙল আঁখি!
আমার পথ যে কাঁটায় ভরা, কেমনে তোমায় সেথায় ডাকি?
নীরব তোমার আঁখির ভাষা, শিরীন তুফান ঘূর্ণিঝড়ে!
কাব্য আমার ঠাঁই পাবে না, অতল আঁখির সরোবরে।”

—————————– রমিত আজাদ
১৯শে মে, ২০২০ সাল

৩৮২।
ধবল তোমার কোমল আঁখি, অরুণ তোমার কপোল রাগ!
প্রভাত আলোয় প্রথম রাঙা, মন ছুঁয়েছে সোহাগ ডাক!
শংকা ভরা শ্যামল তনু, কুসুম পরাগ অন্তহীন,
এই বেলাতেই মেলিয়ে ডানা, সুনীল সুধায় হই বিলীন!

————————— রমিত আজাদ
২০শে মে, ২০২০

৩৮৩।
নূপুরের নিক্কন ঝিনঝিন রিনরিন,
নূপুরের কম্পনে মন হয় উদাসীন!
নূপুরের তালে তালে দুলে নাচে তন্বী,
নূপুরের সুরে জ্বলে হৃদয়েতে বহ্নি!

৩৮৪।
কেন তুই এতকাল ছিলি দূরে আড়ালে?
এত কাছে ছিলি তবু, রয়ে গেলি নিরালে!
এতকাল পরে তবে কেন হলো পরিচয়?
এত কাছে আছি তবু, সরোবরে সংশয়!

৩৮৫।
বাঁশির মধুর সুরের যাদু মনটা কি তোর ছুঁয়েছে?
কস্তুরী তুই নিজেই যাদু! কেউ কি তোকে বলেছে?
থাক তোকে আর এই বেলাতে, নাইবা করি জ্বালাতন!

বেলা যখন ছিলো মোদের, পরিচয় তো হয়নি তখন!

রচনাতারিখ: ২৪শে মে, ২০২০ সাল
সময়: ১২টা ৩৭ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.